ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“একদিন আগেই ভরে গেছে বিএনপির সমাবেশস্থল”

রিপু
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৯১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || একদিন আগেই ভরে গেছে বিএনপির সমাবেশস্থল|

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে শনিবার বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গত বুধবার রাত থেকেই রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা মাদ্রাসা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন।

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত সেখানে লক্ষাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে। প্রতি মুহূর্তে বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্রোতের মতো সমাবেশস্থল মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রবেশ করছেন।

শুক্রবার রাতের মধ্যেই সেখানে পাঁচ লক্ষাধিক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটবে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

বিএনপি নেতারা বলছেন, পরিবহন ধর্মঘট ও পথে পথে পুলিশের বাধার কারণে বিভিন্ন কৌশলে রাজশাহীতে আসছেন নেতাকর্মীরা। তবে ট্রেনে আসছেন সবচেয়ে বেশি। ট্রেনের মাধ্যমেই হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। এছাড়া পাবনা থেকে নৌকায় করে রাজশাহী আসছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। মোটরবাইকও ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভাগের আটটি জেলা থেকে প্রায় ৩০ হাজার মোটরবাইক রাজশাহীতে প্রবেশ করেছে। আরও লক্ষাধিক মোটরবাইকে প্রায় দুই লাখ নেতাকর্মীর সমাগম ঘটবে।

তাছাড়া রাজশাহীর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে অনেকেই সাইকেল চালিয়ে, ভ্যানে করে এবং হেঁটে রাজশাহীতে পৌঁছছেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম যুগান্তরকে বলেন, মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং প্রবেশদ্বারগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। গণসমাবেশ স্থল ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীজুড়ে আরও পাঁচ শতাধিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজশাহীজুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীতে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। যারা এসব করছেন, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গুজব ছড়ানোর যারা চেষ্টা করছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কোনোভাবেই তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। জননিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বদ্ধপরিকর। জননিরাপত্তার বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

সার্বিক বিষয়ে গণসমাবেশ আয়োজন কমিটির দলনেতা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ এবং রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে আমাদের পাঁচ লক্ষাধিক নেতাকর্মী অবস্থান করছেন। গণসমাবেশ শুরুর পূর্বনির্ধারিত সময় রয়েছে দুপুর ২টায়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমাগমের কারণে আমরা সকাল ১০টা থেকেই শুরু করব। রাজশাহীতে এ গণসমাবেশ হবে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বড়। রাজশাহী জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজশাহীর গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ যে আচরণ করছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। শুধু গণসমাবেশের কারণেই পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর শতাধিক মামলা দিয়েছে। পাঁচ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজশাহী বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা পদে পদে বাধা দিয়েছেন। জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে এসব পুলিশ কর্মকর্তাকে আইনের মুখোমুখি করা হবে

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট

এই নিউজটি শেয়ার করুন

x

“একদিন আগেই ভরে গেছে বিএনপির সমাবেশস্থল”

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || একদিন আগেই ভরে গেছে বিএনপির সমাবেশস্থল|

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে শনিবার বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গত বুধবার রাত থেকেই রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিএনপি নেতাকর্মীরা মাদ্রাসা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন।

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত সেখানে লক্ষাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছে। প্রতি মুহূর্তে বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্রোতের মতো সমাবেশস্থল মাদ্রাসা ময়দান সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রবেশ করছেন।

শুক্রবার রাতের মধ্যেই সেখানে পাঁচ লক্ষাধিক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটবে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

বিএনপি নেতারা বলছেন, পরিবহন ধর্মঘট ও পথে পথে পুলিশের বাধার কারণে বিভিন্ন কৌশলে রাজশাহীতে আসছেন নেতাকর্মীরা। তবে ট্রেনে আসছেন সবচেয়ে বেশি। ট্রেনের মাধ্যমেই হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। এছাড়া পাবনা থেকে নৌকায় করে রাজশাহী আসছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। মোটরবাইকও ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভাগের আটটি জেলা থেকে প্রায় ৩০ হাজার মোটরবাইক রাজশাহীতে প্রবেশ করেছে। আরও লক্ষাধিক মোটরবাইকে প্রায় দুই লাখ নেতাকর্মীর সমাগম ঘটবে।

তাছাড়া রাজশাহীর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে অনেকেই সাইকেল চালিয়ে, ভ্যানে করে এবং হেঁটে রাজশাহীতে পৌঁছছেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম যুগান্তরকে বলেন, মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং প্রবেশদ্বারগুলোতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। গণসমাবেশ স্থল ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীজুড়ে আরও পাঁচ শতাধিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রাজশাহীজুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীতে তিন স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। যারা এসব করছেন, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গুজব ছড়ানোর যারা চেষ্টা করছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কোনোভাবেই তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। জননিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বদ্ধপরিকর। জননিরাপত্তার বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

সার্বিক বিষয়ে গণসমাবেশ আয়োজন কমিটির দলনেতা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ এবং রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে আমাদের পাঁচ লক্ষাধিক নেতাকর্মী অবস্থান করছেন। গণসমাবেশ শুরুর পূর্বনির্ধারিত সময় রয়েছে দুপুর ২টায়। কিন্তু বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমাগমের কারণে আমরা সকাল ১০টা থেকেই শুরু করব। রাজশাহীতে এ গণসমাবেশ হবে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বড়। রাজশাহী জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, রাজশাহীর গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশ যে আচরণ করছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। শুধু গণসমাবেশের কারণেই পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর শতাধিক মামলা দিয়েছে। পাঁচ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজশাহী বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা পদে পদে বাধা দিয়েছেন। জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে এসব পুলিশ কর্মকর্তাকে আইনের মুখোমুখি করা হবে

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট