ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“কুলিয়ারচরে মিথ্যা অভিযোগে মেছবাহ উদ্দিন নামের এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পা ও মুখ ভেঙ্গে দেয় প্রতিপক্ষ!”

তানভীর আহমেদ, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ২৬০ বার পড়া হয়েছে

গত সোমবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামের মৃত মুর্শিদ মিয়ার ছেলে মেছবাহ উদ্দিন (২০) কে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

বর্তমানে সে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালেন বেডে যন্ত্রনায় কাৎরাচ্ছেন। গত ৩১ জানুয়ারী কুলিয়ারচর থানায় এ ঘটনায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়।

জানা যায়, একই গ্রামের কাজল মিয়ার মেয়ে সোহানা (১৮) এর সাথে প্রেম ঘটিত কারণে দ্বন্দ হয় তাদের মধ্যে। ওই দ্বন্দের জের ধরে ৩০ জানুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাগপাড়া মুন্সি বাড়ির সামনে ৩ রাস্তার মোড়ে একটি জমিতে মেছবাহ উদ্দিনকে নিয়ে মেয়ের বাবা কাজল মিয়া (৪৬), মেয়ের ভাই আলম (২০), ও বাগপাড়া আব্দুল হামিদের ছেলর রাসেল (২০) লোহার রড় সহ দেশীয় অস্ত্রাদী দিয়ে দুই পায়ে ও মুখে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে ভর্তী করে। বর্তমানে তার অবস্থা আসঙ্কাজনক রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

আহতের চাচা মোঃ ছানু মিয়া ও আব্দুল হান্নান জানান, আমার ভাতিজা যদি এমন কোন অন্যায় করেই থাকতো তাহলে তারা আমাদের বিচার দিতে পারতো। গ্রামে চেয়ারম্যান- মেম্বার আছে তাদের জানাতে পারতো। তা না করে কেন আমার ভাতিজার জীবন নষ্ট করে দিলো? ওদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

ঘটনার বিষয় নিয়ে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হয় আলম ও রাসেলের কাছে। তাদের একটি ফোন বন্ধ ও অন্য ফোন থেকে রং নাম্বারে ফোন করা হয়েছে বলে কেটে দেওয়া হয়।

রামদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলল উদ্দিন বলেন, ছেলে পক্ষ থেকে আমি ঘটনাটি শুনেছি। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমার ইউনিয়নে কাম্য নয়।

এ ব্যাপারে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, গতকাল একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“কুলিয়ারচরে মিথ্যা অভিযোগে মেছবাহ উদ্দিন নামের এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পা ও মুখ ভেঙ্গে দেয় প্রতিপক্ষ!”

প্রকাশের সময় : ০১:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

গত সোমবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামের মৃত মুর্শিদ মিয়ার ছেলে মেছবাহ উদ্দিন (২০) কে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

বর্তমানে সে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালেন বেডে যন্ত্রনায় কাৎরাচ্ছেন। গত ৩১ জানুয়ারী কুলিয়ারচর থানায় এ ঘটনায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়।

জানা যায়, একই গ্রামের কাজল মিয়ার মেয়ে সোহানা (১৮) এর সাথে প্রেম ঘটিত কারণে দ্বন্দ হয় তাদের মধ্যে। ওই দ্বন্দের জের ধরে ৩০ জানুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাগপাড়া মুন্সি বাড়ির সামনে ৩ রাস্তার মোড়ে একটি জমিতে মেছবাহ উদ্দিনকে নিয়ে মেয়ের বাবা কাজল মিয়া (৪৬), মেয়ের ভাই আলম (২০), ও বাগপাড়া আব্দুল হামিদের ছেলর রাসেল (২০) লোহার রড় সহ দেশীয় অস্ত্রাদী দিয়ে দুই পায়ে ও মুখে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত যখম করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে ভর্তী করে। বর্তমানে তার অবস্থা আসঙ্কাজনক রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

আহতের চাচা মোঃ ছানু মিয়া ও আব্দুল হান্নান জানান, আমার ভাতিজা যদি এমন কোন অন্যায় করেই থাকতো তাহলে তারা আমাদের বিচার দিতে পারতো। গ্রামে চেয়ারম্যান- মেম্বার আছে তাদের জানাতে পারতো। তা না করে কেন আমার ভাতিজার জীবন নষ্ট করে দিলো? ওদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

ঘটনার বিষয় নিয়ে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হয় আলম ও রাসেলের কাছে। তাদের একটি ফোন বন্ধ ও অন্য ফোন থেকে রং নাম্বারে ফোন করা হয়েছে বলে কেটে দেওয়া হয়।

রামদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলল উদ্দিন বলেন, ছেলে পক্ষ থেকে আমি ঘটনাটি শুনেছি। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা আমার ইউনিয়নে কাম্য নয়।

এ ব্যাপারে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, গতকাল একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।