ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দিল জনতা

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬৪৪ বার পড়া হয়েছে
৩৭৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের বাড়িখলা মধ্যপাড়া বহুমুখী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত যুবক নেশাগ্রস্ত ছিলেন ও দীর্ঘদিন ধরে অসঙ্গত আচরণ করে আসছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, বাড়িখলা গ্রামের খোকা মেম্বারের ছেলে বাইজিদ আহমেদ (৩০) দীর্ঘদিন যাবৎ কোরআনের ভুল আছে- এই রকম কথাবার্তা বলে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসায় ঢুকে আলমারিতে রাখা কয়েকটি কোরআন শরীফ টেনে বের করে আগুন ধরিয়ে দেয় সে। বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে আটক করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ঘটনায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করে । এ অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দিল জনতা

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
৩৭৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পবিত্র কোরআন শরীফে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের বাড়িখলা মধ্যপাড়া বহুমুখী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত যুবক নেশাগ্রস্ত ছিলেন ও দীর্ঘদিন ধরে অসঙ্গত আচরণ করে আসছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, বাড়িখলা গ্রামের খোকা মেম্বারের ছেলে বাইজিদ আহমেদ (৩০) দীর্ঘদিন যাবৎ কোরআনের ভুল আছে- এই রকম কথাবার্তা বলে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসায় ঢুকে আলমারিতে রাখা কয়েকটি কোরআন শরীফ টেনে বের করে আগুন ধরিয়ে দেয় সে। বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে আটক করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ঘটনায় স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করে । এ অবস্থায় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।