ঢাকা , শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জীবনের শেষ ভোরেও সংবাদপত্র তুলে দিয়েছেন চৌধুরী

নবীনগর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
  • / ১০০ বার পড়া হয়েছে

জীবনের শেষ ভোরেও পাঠকের হাতে সংবাদপত্র  তুলে দিয়ে গেছেন সেই লোকমান হেকিম চৌধুরী (৭২)। তিনি দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে নবীনগরের পাঠকদের হাতে সংবাদপত্র তুলে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার কনিকাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

লোকমান হেকিম চৌধুরী নবীনগর লঞ্চ ঘাটে বসে দীর্ঘ প্রায় ৫৭ বছর ধরে কাকডাকা ভোরে, ঝড়-বৃষ্টি-তুফান উপেক্ষা করে যথা সময়ে নবীনগরের পাঠকদেরকে সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। সংবাদপত্র কেনার জন্য লঞ্চ ঘাটে ছুটে আসতো নানা শ্রেণির সংবাদ পাঠক। তিনি নবীনগর প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে চৌধুরী নামে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার নবীনগর উপজেলার একমাত্র সংবাদপত্র অ্যাজেন্ট ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলেও মারা যাওয়ার দিনও বিক্রি করেছেন পত্রিকা। আজ বাদ জুম্মা কনিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
লোকমান হেকিম চৌধুরীর মৃত্যু সংবাদে শোক প্রকাশ করেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম, নবীনগর পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন আহমেদ, নবীনগর প্রেসক্লাবসহ স্থানীয় সংবাদকর্মী, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

জীবনের শেষ ভোরেও সংবাদপত্র তুলে দিয়েছেন চৌধুরী

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

জীবনের শেষ ভোরেও পাঠকের হাতে সংবাদপত্র  তুলে দিয়ে গেছেন সেই লোকমান হেকিম চৌধুরী (৭২)। তিনি দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে নবীনগরের পাঠকদের হাতে সংবাদপত্র তুলে দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার কনিকাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

লোকমান হেকিম চৌধুরী নবীনগর লঞ্চ ঘাটে বসে দীর্ঘ প্রায় ৫৭ বছর ধরে কাকডাকা ভোরে, ঝড়-বৃষ্টি-তুফান উপেক্ষা করে যথা সময়ে নবীনগরের পাঠকদেরকে সংবাদপত্র পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। সংবাদপত্র কেনার জন্য লঞ্চ ঘাটে ছুটে আসতো নানা শ্রেণির সংবাদ পাঠক। তিনি নবীনগর প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে চৌধুরী নামে পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার নবীনগর উপজেলার একমাত্র সংবাদপত্র অ্যাজেন্ট ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলেও মারা যাওয়ার দিনও বিক্রি করেছেন পত্রিকা। আজ বাদ জুম্মা কনিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে চৌধুরী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
লোকমান হেকিম চৌধুরীর মৃত্যু সংবাদে শোক প্রকাশ করেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল, উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম, নবীনগর পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মাঈনউদ্দিন আহমেদ, নবীনগর প্রেসক্লাবসহ স্থানীয় সংবাদকর্মী, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।