ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“নতুন চ্যালেঞ্জে বিএনপি, ছাড় দেবে না আ.লীগ”

রিপু
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ৯৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || নতুন চ্যালেঞ্জে বিএনপি, ছাড় দেবে না আ.লীগ|

রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ১০ দফা দাবি আদায়ে আগামী দিনে দলটি আন্দোলন করবে। এছাড়া সমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয়ে অভিযান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ১৬ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি।

এদিকে বিএনপির সমাবেশ ও দশ দফার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নিজ নিজ পক্ষে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি সংঘাতময় ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করায় দলটিকে রাজপথে ছাড় না দিয়ে মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল। শনিবার রাজধানীর অলিগলিতে আ.লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের বিভিন্ন এলাকার নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের স্লোগানে এলাকা মুখরিত। কার্যালয়ের সামনেই নেতা-কর্মীদের জন্য রান্নার আয়োজন করা হচ্ছে।

তবে এর উল্টো চিত্র নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। কার্যালয়ের সামনে পুলিশ সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। এই সড়কে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষ চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। কার্যালয়ের আশপাশের অলিতে-গলিতেও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী সোহেল রানা বলেন, কার্যালয়ে এখন দুজন নিরাপত্তাকর্মী পালা করে দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন। তাঁরা বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। কার্যালয়ের সামনে একদল যুবককে লাঠি হাতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠিতে বাঁধা দলের পতাকা। কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের জন্য ডেকচিতে রান্নার আয়োজন করা হচ্ছে।

মুগদায় দুই মোটরসাইকেলে আগুন

বিএনপির সমাবেশ চলাকালীন অবস্থায় রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের সামনে ফুটওভার ব্রিজের পাশে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ওই ফুটওভার ব্রিজের নিচে মুগদা হাসপাতালের পাশে এ ঘটনা ঘটে

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা একটি তথ্য পাই কমলাপুরে মুগদা হাসপাতালের সামনে ওভার ব্রিজের নিচের দুই পাশে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়েছে। আমাদের ফায়ারসার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সবুজবাগ থানার ডিউটি অফিসার আজিমিন আক্তার সোনালীনিউজকে বলেন, মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি মুগদা হাসপাতালের সামনে ঘটেছে। এটি সবুজবাগ থানার মধ্যেই পরেছে।

১৩ ও ২৪ ডিসেম্বর সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেপ্তার সব নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে ১৩ ডিসেম্বর সারা দেশে গণমিছিল ও বিক্ষোভ এবং দাবি আদায়ে ২৪ ডিসেম্বর সারা দেশে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

শনিবার রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহীনির তৎপরতা

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে গতকাল শুক্রবার থেকে রাজধানীর প্রবেশপথ উত্তরার আবদুল্লাহপুর, কমলাপুর রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট, গাবতলী, পোস্তগোলা ব্রিজ, বাবুবাজার ব্রিজ, সদরঘাট, পূর্বাচল ৩০০ ফিট, কাঁচপুর ব্রিজসহ বেশকিছু পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর কঠোর নজরদারি দেখা গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে বসানো চেকপোস্টগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদেরও সক্রিয় দেখা গেছে। সেখানে তল্লাশি করা হচ্ছে সবাইকে। বাস থামিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কেন বা কী কাজে ঢাকায় এসেছেন— এমন নানা প্রশ্ন করা হয়েছে আগতদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানের তকমা লাগানো হলেও মূলত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একইসাথে সন্দেহভাজনদের আটকও করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা। তবে তাদের দাবি— ১৫ দিনের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

একই সঙ্গে ডিএমপির থানাগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। তিনজনকে একসাথে দেখলেই থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে নেয়া হচ্ছে থানাতে। এরপর তাদের ব্যবহূত মোবাইল চেক করে সন্দেহজনক কিছু পেলে আটক দেখানো হচ্ছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট

এই নিউজটি শেয়ার করুন

x

“নতুন চ্যালেঞ্জে বিএনপি, ছাড় দেবে না আ.লীগ”

প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || নতুন চ্যালেঞ্জে বিএনপি, ছাড় দেবে না আ.লীগ|

রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে ১০ দফা ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ১০ দফা দাবি আদায়ে আগামী দিনে দলটি আন্দোলন করবে। এছাড়া সমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, দলীয় কার্যালয়ে অভিযান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ১৬ বছর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি।

এদিকে বিএনপির সমাবেশ ও দশ দফার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নিজ নিজ পক্ষে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি সংঘাতময় ও সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করায় দলটিকে রাজপথে ছাড় না দিয়ে মোকাবিলার উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল। শনিবার রাজধানীর অলিগলিতে আ.লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের বিভিন্ন এলাকার নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের স্লোগানে এলাকা মুখরিত। কার্যালয়ের সামনেই নেতা-কর্মীদের জন্য রান্নার আয়োজন করা হচ্ছে।

তবে এর উল্টো চিত্র নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। কার্যালয়ের সামনে পুলিশ সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন। এই সড়কে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষ চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। কার্যালয়ের আশপাশের অলিতে-গলিতেও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী সোহেল রানা বলেন, কার্যালয়ে এখন দুজন নিরাপত্তাকর্মী পালা করে দায়িত্ব পালন করছেন।

আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন। তাঁরা বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন। কার্যালয়ের সামনে একদল যুবককে লাঠি হাতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠিতে বাঁধা দলের পতাকা। কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীদের জন্য ডেকচিতে রান্নার আয়োজন করা হচ্ছে।

মুগদায় দুই মোটরসাইকেলে আগুন

বিএনপির সমাবেশ চলাকালীন অবস্থায় রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের সামনে ফুটওভার ব্রিজের পাশে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, পরিত্যক্ত মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ওই ফুটওভার ব্রিজের নিচে মুগদা হাসপাতালের পাশে এ ঘটনা ঘটে

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরা একটি তথ্য পাই কমলাপুরে মুগদা হাসপাতালের সামনে ওভার ব্রিজের নিচের দুই পাশে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়েছে। আমাদের ফায়ারসার্ভিস টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সবুজবাগ থানার ডিউটি অফিসার আজিমিন আক্তার সোনালীনিউজকে বলেন, মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি মুগদা হাসপাতালের সামনে ঘটেছে। এটি সবুজবাগ থানার মধ্যেই পরেছে।

১৩ ও ২৪ ডিসেম্বর সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেপ্তার সব নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে ১৩ ডিসেম্বর সারা দেশে গণমিছিল ও বিক্ষোভ এবং দাবি আদায়ে ২৪ ডিসেম্বর সারা দেশে গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

শনিবার রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহীনির তৎপরতা

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে গতকাল শুক্রবার থেকে রাজধানীর প্রবেশপথ উত্তরার আবদুল্লাহপুর, কমলাপুর রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট, গাবতলী, পোস্তগোলা ব্রিজ, বাবুবাজার ব্রিজ, সদরঘাট, পূর্বাচল ৩০০ ফিট, কাঁচপুর ব্রিজসহ বেশকিছু পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর কঠোর নজরদারি দেখা গেছে।

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে বসানো চেকপোস্টগুলোতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যদেরও সক্রিয় দেখা গেছে। সেখানে তল্লাশি করা হচ্ছে সবাইকে। বাস থামিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কেন বা কী কাজে ঢাকায় এসেছেন— এমন নানা প্রশ্ন করা হয়েছে আগতদের।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানের তকমা লাগানো হলেও মূলত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একইসাথে সন্দেহভাজনদের আটকও করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা। তবে তাদের দাবি— ১৫ দিনের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

একই সঙ্গে ডিএমপির থানাগুলোতেও বাড়ানো হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। তিনজনকে একসাথে দেখলেই থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে নেয়া হচ্ছে থানাতে। এরপর তাদের ব্যবহূত মোবাইল চেক করে সন্দেহজনক কিছু পেলে আটক দেখানো হচ্ছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট