ঢাকা , সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নবীনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ।

গতকাল রবিবার (২৩ জুলাই) সকালে আসামিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে, পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে গত ২০ জুলাই দুপুরে প্রতিবেশী আবুল হোসেনের নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন হামলা ও লুটপাট চালায়। সে সময় হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পরে এ বিষয়ে আবদুল কুদ্দুস ৪ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

তবে অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, যে বাড়িতে ভাঙচুর হয়েছে, সেই বাড়ির জায়গার মালিক আমি। কুদ্দুস আমার জায়গায় জোর করে রাতের আঁধারে দেয়াল নির্মাণ করে ঘর তোলার চেষ্টা করেছিল। তাই আমি সেগুলো ভাঙচুর করে ফেলে দিয়েছি।

লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, ওই জায়গা নিয়ে আদালতে দুপক্ষেরই মামলা চলমান আছে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগটি শনিবার রাতে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান আসামির ছেলে এজাহারভুক্ত মেরাজুলকে সকালে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

Facebook Comments Box
জনপ্রিয়

নবীনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার ১

প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ।

গতকাল রবিবার (২৩ জুলাই) সকালে আসামিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে, পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে গত ২০ জুলাই দুপুরে প্রতিবেশী আবুল হোসেনের নেতৃত্বে সশস্ত্র লোকজন হামলা ও লুটপাট চালায়। সে সময় হামলাকারীরা বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পরে এ বিষয়ে আবদুল কুদ্দুস ৪ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

তবে অভিযুক্ত আবুল হোসেন বলেন, যে বাড়িতে ভাঙচুর হয়েছে, সেই বাড়ির জায়গার মালিক আমি। কুদ্দুস আমার জায়গায় জোর করে রাতের আঁধারে দেয়াল নির্মাণ করে ঘর তোলার চেষ্টা করেছিল। তাই আমি সেগুলো ভাঙচুর করে ফেলে দিয়েছি।

লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, ওই জায়গা নিয়ে আদালতে দুপক্ষেরই মামলা চলমান আছে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগটি শনিবার রাতে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান আসামির ছেলে এজাহারভুক্ত মেরাজুলকে সকালে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

Facebook Comments Box