ঢাকা , শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকের সঙ্গে এই কাজগুলো না করলে সম্পর্ক মধুর হয়

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক || প্রেমিকের সঙ্গে এই কাজগুলো না করলে সম্পর্ক মধুর হয়।

কোন সম্পর্কই শুধু ভালো অভিজ্ঞতা দেয় না। সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি থাকে, নির্ভরতা থাকে। পারস্পারিক বিশ্বাসের মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান হয়। বলা হয়, সঙ্গীর সঙ্গে মানিয়ে চলতে পারলেই টিকে থাকে প্রেম। বাড়ে সম্পর্কের বয়স। প্রগাঢ় হয় ভালবাসা। প্রেম বা বিয়ে টিকিয়ে রাখতে চিরাচরিত এই নিয়ম মেনে চলেন অনেকেই।

অনেক সময়ে পুরুষদের নানা স্বভাব যেমন বিরক্ত করে তোলে নারীদের, তেমনই নারীদের বেশ কিছু স্বভাবে বিরক্ত হয় পুরুষরা। যেমন-কোন একটি বিষয় নিয়ে অশান্তি করে যাওয়া কিছু ক্ষেত্রে রাগারাগির পর পুরুষ সঙ্গীরা মিটমাট করে নিতে চাইলেও নারীর রাগ বশে আনতে ব্যর্থ হন। যে বিষয়টি নিয়ে বিতণ্ডার সূত্রপাত, তা নিয়েই কথা বলে যেতে চান তারা। মহিলা সঙ্গীদের এই স্বভাবটি অস্বস্তিতে ফেলে পুরুষদের।

এক টানা কথা বলার জন্য অনুরোধ করে যাওয়া কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তায় থাকলে খুব বেশি কথা বলতে চান না পুরুষরা। এই নিয়ম সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও অনেকেই এমনটা করে থাকেন। মহিলা সঙ্গীটি কথা বলার জন্য ক্রমাগত জোর করে গেলে তা অনেক সময় পুরুষের অস্বস্তির ভয় করতে পারে।

প্রেম হবে রূপকথার মতো হয়ে থাকে। এমনটা অনেক নারী চান। আর সেই চাহিদার বোঝাই অনেক সময়ে এসে পড়ে পুরুষ সঙ্গীটির কাঁধে। আর তখনই সম্পর্কে তিক্ততা বাড়তে থাকে। সোজা কথা সোজা ভাবে না বলা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের পছন্দ বা অপছন্দের কথা সোজাসুজি বলতে চান না নারী। পরিবর্তে একাধিক ‘ইঙ্গিত’ দিতেই স্বচ্ছন্দ করেন তারা। কিন্তু সেই ইঙ্গিত বুঝে না উঠতে পারলেই চাপে পড়েন তাদের সঙ্গীরা। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বিতণ্ডা।​

এই নিউজটি শেয়ার করুন

প্রেমিকের সঙ্গে এই কাজগুলো না করলে সম্পর্ক মধুর হয়

প্রকাশের সময় : ০১:০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

লাইফস্টাইল ডেস্ক || প্রেমিকের সঙ্গে এই কাজগুলো না করলে সম্পর্ক মধুর হয়।

কোন সম্পর্কই শুধু ভালো অভিজ্ঞতা দেয় না। সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি থাকে, নির্ভরতা থাকে। পারস্পারিক বিশ্বাসের মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান হয়। বলা হয়, সঙ্গীর সঙ্গে মানিয়ে চলতে পারলেই টিকে থাকে প্রেম। বাড়ে সম্পর্কের বয়স। প্রগাঢ় হয় ভালবাসা। প্রেম বা বিয়ে টিকিয়ে রাখতে চিরাচরিত এই নিয়ম মেনে চলেন অনেকেই।

অনেক সময়ে পুরুষদের নানা স্বভাব যেমন বিরক্ত করে তোলে নারীদের, তেমনই নারীদের বেশ কিছু স্বভাবে বিরক্ত হয় পুরুষরা। যেমন-কোন একটি বিষয় নিয়ে অশান্তি করে যাওয়া কিছু ক্ষেত্রে রাগারাগির পর পুরুষ সঙ্গীরা মিটমাট করে নিতে চাইলেও নারীর রাগ বশে আনতে ব্যর্থ হন। যে বিষয়টি নিয়ে বিতণ্ডার সূত্রপাত, তা নিয়েই কথা বলে যেতে চান তারা। মহিলা সঙ্গীদের এই স্বভাবটি অস্বস্তিতে ফেলে পুরুষদের।

এক টানা কথা বলার জন্য অনুরোধ করে যাওয়া কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তায় থাকলে খুব বেশি কথা বলতে চান না পুরুষরা। এই নিয়ম সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না হলেও অনেকেই এমনটা করে থাকেন। মহিলা সঙ্গীটি কথা বলার জন্য ক্রমাগত জোর করে গেলে তা অনেক সময় পুরুষের অস্বস্তির ভয় করতে পারে।

প্রেম হবে রূপকথার মতো হয়ে থাকে। এমনটা অনেক নারী চান। আর সেই চাহিদার বোঝাই অনেক সময়ে এসে পড়ে পুরুষ সঙ্গীটির কাঁধে। আর তখনই সম্পর্কে তিক্ততা বাড়তে থাকে। সোজা কথা সোজা ভাবে না বলা অনেক ক্ষেত্রেই নিজেদের পছন্দ বা অপছন্দের কথা সোজাসুজি বলতে চান না নারী। পরিবর্তে একাধিক ‘ইঙ্গিত’ দিতেই স্বচ্ছন্দ করেন তারা। কিন্তু সেই ইঙ্গিত বুঝে না উঠতে পারলেই চাপে পড়েন তাদের সঙ্গীরা। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বিতণ্ডা।​