ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপি মিথ্যাচারের দল, মিথ্যাচারই তাদের মূল সম্পদ: রংপুরে মির্জা আজম

মোঃ আবু তালেব, প্রতিদিনের পোস্ট.কম
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • / ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি মিথ্যাচারের দল, মিথ্যাচারই তাদের মূল সম্পদ। আওয়ামী লীগ যখন দেশের উন্নয়নের মধ্য দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশের পথে তখন বিএনপির নেতাকর্মীরা উন্নয়ন দেখতে পায় না। মির্জা ফখরুলেরা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছে । দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা আজগুবি তথ্য পরিবেশনে ব্যস্ত। তারা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা মত অবস্থায় দেখতে চায়।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রংপুর মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রংপুর টাউন হল পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন এসব কথা।

তিনি বলেন, বিএনপি মিডিয়ার সামনে এমনভাবে মিথ্যা কথা বলে, যেন সত্য বলছেন কিন্তু তাদের সব কথাই মিথ্যা। মির্জা ফখরুল হলেন রাজাকারের সন্তান। তার বাবা ছিলেন পিচ কমিটির নেতা, স্বাধীনতার পর ভারতে লুকিয়ে ছিলেন। ১৯৭৫ সালের পর ফিরে আসে দেশে। সেই রাজাকারের সন্তান আজ বিএনপির নামক দলের মহাসচিব।

বিএনপি রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের দল। ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসা দল। তারা ক্ষমতায় আসলে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে। তাদের দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় জেলে। আর তার পুত্র হাওয়া ভবনের প্রণেতা রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে আছে দেশের বাহিরে। সে দেশের বাহিরে থেকে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে তখন খালেদা জিয়া বলছিলো বাংলাদেশ ভারত হয়ে যাবে, দেশের সর্বত্র মসজিদে উলু ধ্বনিহবে। অথচ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিশ্ব আদালতে মামলার মাধ্যমে মিয়ানমার কাছ থেকে বাংলাদেশের ভূখন্ডের সমপরিমাণ সমুদ্র সীমা জয় করেন। সরকারি অর্থায়নে সারাদেশে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করেন।

এই সরকার দেশীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে পদ্মা সেতু বানায়, মেট্রোরেল করে, কর্ণফুলি ট্যানেল নির্মাণ করে। করোনাকালীন সময়ে বিশ্বের নামি-দামী দেশ যখন দিশেহারা হয়ে ছিলো তখন বাংলাদেশ সবার আগে করোনার টিকার ব্যবস্থা করে, দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখে। সেই উন্নয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে ভালো লাগে না। বিএনপি আজকে গণতন্ত্রের কথা বলছেন অথচ তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে দল গঠন করে। স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়। আমাদের এখন সময় এসেছে রাজাকারের দল বিএনপিকে চূড়ান্তভাবে বয়কট করা।

বিএনপি আজকে ভোট চুরির কথা বলে অথচ তারাই মাগুড়ার নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট চুরি করে। তারা বলে তত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে এ দেশে আর নির্বাচন হবে না। আন্দোলন যতই করুক কাজে আসবে না। শেখ হাসিনা সরকার ও তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই তাদের নির্বাচন করতে হবে। এবার বিএনপি নির্বাচনে না আসলে তাদের দলের নেতাকর্মীরাই তাদের খবর করবে। তাই এখনও সময় আছে, নির্বাচনে আসেন। আপনাদের জনপ্রিয়তা থাকলে নির্বাচনে আসুন। জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।

শান্তি সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. সফুরা বেগম রুমি সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। উক্ত শান্তি সমাবেসে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন। সঞ্চালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাশেম ও জেলার যুগ্ম আহবায়ক মাজেদ আলী বাবুল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ছায়াদত হোসেন বকুল। শান্তি সমাবেশে রংপুর জেলা, মহানগর আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন উপজেলা , ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড থেকে আগত নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

x

বিএনপি মিথ্যাচারের দল, মিথ্যাচারই তাদের মূল সম্পদ: রংপুরে মির্জা আজম

প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিএনপি মিথ্যাচারের দল, মিথ্যাচারই তাদের মূল সম্পদ। আওয়ামী লীগ যখন দেশের উন্নয়নের মধ্য দিয়ে মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশের পথে তখন বিএনপির নেতাকর্মীরা উন্নয়ন দেখতে পায় না। মির্জা ফখরুলেরা শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছে । দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা আজগুবি তথ্য পরিবেশনে ব্যস্ত। তারা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা মত অবস্থায় দেখতে চায়।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রংপুর মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রংপুর টাউন হল পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন এসব কথা।

তিনি বলেন, বিএনপি মিডিয়ার সামনে এমনভাবে মিথ্যা কথা বলে, যেন সত্য বলছেন কিন্তু তাদের সব কথাই মিথ্যা। মির্জা ফখরুল হলেন রাজাকারের সন্তান। তার বাবা ছিলেন পিচ কমিটির নেতা, স্বাধীনতার পর ভারতে লুকিয়ে ছিলেন। ১৯৭৫ সালের পর ফিরে আসে দেশে। সেই রাজাকারের সন্তান আজ বিএনপির নামক দলের মহাসচিব।

বিএনপি রাজাকার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের দল। ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসা দল। তারা ক্ষমতায় আসলে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে। তাদের দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় জেলে। আর তার পুত্র হাওয়া ভবনের প্রণেতা রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে আছে দেশের বাহিরে। সে দেশের বাহিরে থেকে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে তখন খালেদা জিয়া বলছিলো বাংলাদেশ ভারত হয়ে যাবে, দেশের সর্বত্র মসজিদে উলু ধ্বনিহবে। অথচ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বিশ্ব আদালতে মামলার মাধ্যমে মিয়ানমার কাছ থেকে বাংলাদেশের ভূখন্ডের সমপরিমাণ সমুদ্র সীমা জয় করেন। সরকারি অর্থায়নে সারাদেশে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করেন।

এই সরকার দেশীয় আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে পদ্মা সেতু বানায়, মেট্রোরেল করে, কর্ণফুলি ট্যানেল নির্মাণ করে। করোনাকালীন সময়ে বিশ্বের নামি-দামী দেশ যখন দিশেহারা হয়ে ছিলো তখন বাংলাদেশ সবার আগে করোনার টিকার ব্যবস্থা করে, দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখে। সেই উন্নয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে ভালো লাগে না। বিএনপি আজকে গণতন্ত্রের কথা বলছেন অথচ তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে দল গঠন করে। স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়। আমাদের এখন সময় এসেছে রাজাকারের দল বিএনপিকে চূড়ান্তভাবে বয়কট করা।

বিএনপি আজকে ভোট চুরির কথা বলে অথচ তারাই মাগুড়ার নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট চুরি করে। তারা বলে তত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে এ দেশে আর নির্বাচন হবে না। আন্দোলন যতই করুক কাজে আসবে না। শেখ হাসিনা সরকার ও তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই তাদের নির্বাচন করতে হবে। এবার বিএনপি নির্বাচনে না আসলে তাদের দলের নেতাকর্মীরাই তাদের খবর করবে। তাই এখনও সময় আছে, নির্বাচনে আসেন। আপনাদের জনপ্রিয়তা থাকলে নির্বাচনে আসুন। জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।

শান্তি সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. সফুরা বেগম রুমি সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। উক্ত শান্তি সমাবেসে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আওয়ামী লীগের আহবায়ক ডা. দেলোয়ার হোসেন। সঞ্চালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাশেম ও জেলার যুগ্ম আহবায়ক মাজেদ আলী বাবুল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ছায়াদত হোসেন বকুল। শান্তি সমাবেশে রংপুর জেলা, মহানগর আওয়ামী লীগ সহ বিভিন্ন উপজেলা , ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড থেকে আগত নেতাকর্মীরা অংশ নেন।