ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ উদাচী শিল্পীগোষ্ঠী বেলাব থানা শাখার আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত ওয়েবসাইট তৈরিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে খন্দকার আইটি বেড়াতে এসে প্রবাসে ফেরা হলো না ফাহমিদার পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত বাসকপ নবীনগর শাখার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে মৃত ব্যক্তিদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রয়াত সাংবাদিকদের স্বরণে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হাল্টপ্রাইজ বোস্টন সামিটে যাবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় বেলাবতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রহিমা বেগম মুয়ুরী আলফাডাঙ্গায় রমজান মাস উপলক্ষে সুলভমূল্যে ডিম,দুধ ও মাংস বিক্রি: মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট.কম
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩
  • / ৭৬ বার পড়া হয়েছে

ছবি: প্রতিদিনের পোস্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট.কম || ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গাংকুল পাড়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বিধুর দাসের ছেলে রতন দাস অভিযোগ করে বলেন, ৫০৩৬ দাগের ১১ শতাংশ বাড়ির জায়গার সাড়ে ৫ শতক ভিটা ভোগ দখলে আছি।

ভুক্তভোগী রতন দাস বলেন, আমি একজন সাধারণ মৎসজীবি, আমার জায়গা জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করছে।
পরে আমি এই বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে সম্বল দাসের ছেলে সৌরভ দাস, অমর দাসের ছেলে দেবু দাস, তাপস দাস, ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে পরিমল দাস, মোহান বাসি দাসের ছেলে অমর চন্দ্র দাস, সুরেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে সুনির্মল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। যার নম্বর ৩৩৫/২৩।

তারা আমার জায়গা জবর দখল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকায় আমি তাদের বিরুদ্ধে পি ১০১১/১৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ১৪৪/১৪৫ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। মহামান্য আদালত বিবাদির বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা জারি করার জন্য নাসির নগর থানাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু ১৪৪ ধারার পরেও বিবাদীগন ঘর নির্মাণ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এসময় সম্বল দাসের ছেলে সৌরভ দাস বলেন, আমাদেরকে প্রশাসন ও সালিশ কারকরা অনুমতি দেয় ঘর তোলার জন্য তাই ঘর নির্মাণ করছি। ভুক্তভোগী রতন দাস বলেন, আমি সৌরভ দাস ও তাদের পরিবারকে ঘর নির্মাণ না করার জন্য বাধা দিলে তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়ার ও ভয় দেখায়।

এছাড়া আমি নাসির নগর থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা শ্রীবাস দাসের দারস্থ হলে তিনি আমাকে অকথ্য গালাগাল করেন।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা ও মৎসজীবি সমির দাস (৫৭) বলেন, স্থানীয়ভাবে অনেক বার বসে শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছে পরিমল দাস ও তার ভাইয়ের ছেলে তারা কেউ মানে না। উল্টো রতনকে হুমকি ধামকি দেখায়। এখন ঘর নির্মাণ করতেছে পরিমলের ভাইয়ের ছেলেরা।

১৪৪ ধারা অমান্য করে ঘর নির্মাণ করতে পারে কি না এই বিষয়ে জানতে চাইলে, নাসির নগর থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা শ্রীবাস দাস বলেন, ওখানে নতুন ভাবে ঘর নির্মাণ করছেনা। পুরনো ঘর মেরামত করে থাকতে পারে। আর গালাগাল করার বিষয় টা সত্য নয়।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ /প্রতিদিনের পোস্ট

এই নিউজটি শেয়ার করুন

x

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১২:৪২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মার্চ ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট.কম || ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গাংকুল পাড়া এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বিধুর দাসের ছেলে রতন দাস অভিযোগ করে বলেন, ৫০৩৬ দাগের ১১ শতাংশ বাড়ির জায়গার সাড়ে ৫ শতক ভিটা ভোগ দখলে আছি।

ভুক্তভোগী রতন দাস বলেন, আমি একজন সাধারণ মৎসজীবি, আমার জায়গা জবর দখল করে ঘর নির্মাণ করছে।
পরে আমি এই বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে সম্বল দাসের ছেলে সৌরভ দাস, অমর দাসের ছেলে দেবু দাস, তাপস দাস, ধীরেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে পরিমল দাস, মোহান বাসি দাসের ছেলে অমর চন্দ্র দাস, সুরেন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে সুনির্মল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি। যার নম্বর ৩৩৫/২৩।

তারা আমার জায়গা জবর দখল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকায় আমি তাদের বিরুদ্ধে পি ১০১১/১৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ১৪৪/১৪৫ধারায় একটি মামলা দায়ের করি। মহামান্য আদালত বিবাদির বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা জারি করার জন্য নাসির নগর থানাকে নির্দেশ দেন। কিন্তু ১৪৪ ধারার পরেও বিবাদীগন ঘর নির্মাণ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এসময় সম্বল দাসের ছেলে সৌরভ দাস বলেন, আমাদেরকে প্রশাসন ও সালিশ কারকরা অনুমতি দেয় ঘর তোলার জন্য তাই ঘর নির্মাণ করছি। ভুক্তভোগী রতন দাস বলেন, আমি সৌরভ দাস ও তাদের পরিবারকে ঘর নির্মাণ না করার জন্য বাধা দিলে তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়ার ও ভয় দেখায়।

এছাড়া আমি নাসির নগর থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা শ্রীবাস দাসের দারস্থ হলে তিনি আমাকে অকথ্য গালাগাল করেন।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা ও মৎসজীবি সমির দাস (৫৭) বলেন, স্থানীয়ভাবে অনেক বার বসে শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছে পরিমল দাস ও তার ভাইয়ের ছেলে তারা কেউ মানে না। উল্টো রতনকে হুমকি ধামকি দেখায়। এখন ঘর নির্মাণ করতেছে পরিমলের ভাইয়ের ছেলেরা।

১৪৪ ধারা অমান্য করে ঘর নির্মাণ করতে পারে কি না এই বিষয়ে জানতে চাইলে, নাসির নগর থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা শ্রীবাস দাস বলেন, ওখানে নতুন ভাবে ঘর নির্মাণ করছেনা। পুরনো ঘর মেরামত করে থাকতে পারে। আর গালাগাল করার বিষয় টা সত্য নয়।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ /প্রতিদিনের পোস্ট