ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে কুরআনের বাণীকে সামনে রেখে ইসলামিক দলগুলোর ঐক্যের প্রতিশ্রুতি নবীনগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত আমরা ক্ষমতায় গেলে যুবক ভাইদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো-খাইরুল হাসান কালীগঞ্জে জামায়াতের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে সার ও বী জ বিতরণ কুলাউড়ায় ভারতীয় ৩ লাখ টাকার সিগারেট জব্দ কুলাউড়ায় কৃষিজমি থেকে অ’বৈ’ধ’ভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে ১ লাখ টাকা জ’রি’মা’না পরীক্ষার হলে ফোন নিয়ে প্রবেশে শিক্ষার্থীকে আটক করায় শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা ওসমানীনগরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা,ভাঙচুর লুটপাট; মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ নবীনগরকে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই – নজু নবীনগরে কোরআন অবমাননার অভিযোগে বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রেস্তোরাঁয় প্রতিপক্ষের গুলিতে ১ জনের মৃত্যু

খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ প্রতিদিনের পোস্ট

print news
197

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। নিহত শিপন উপজেলা নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার ছেলে।

শনিবার রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে এ সংঘর্ষ হয় ৷ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাক নেয়ার পথে শিপনের মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ আরো ৩ জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন (২০), চরলাপাং গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে নুর আলম (১৮) এবং থোল্লাকান্দি গ্রামে বাসিন্দা এমরান মাস্টার (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নুরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাতের শত্রুতা চলছিল। এরই জের ধরে শনিবার রাতে শিপন বড়িকান্দি গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে রিফাত গুলিবর্ষণ করেন। এ সময় শিপন ও হোটেলের এক কর্মচারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়।

শিপনকে গুলি করার খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে তার বাবা মনেকের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় গণিশাহ মাজারের কাছে তালতলা গ্রামে গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। এতে এমরান মাস্টার গুলিবিদ্ধ হন। তিনি রিফাতের গোষ্ঠীর একজন সদস্য। এবং ঢাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই । তিনি শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন । তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে ৷ তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ ঘটনার পর এক পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনূর ইসলাম
ঘটনাস্থলে যান যান ৷

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শাহীনূর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। দীর্ঘদিন ধরে শিপন ও রিফাত বাহিনীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির টাকা পয়সা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। গুলিবিদ্ধ অপর দুইজনের অবস্থাও আশংকাজনক। অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের রেস্তোরাঁয় প্রতিপক্ষের গুলিতে ১ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১২:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
print news
197

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে শিপন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। নিহত শিপন উপজেলা নুরজাহানপুর গ্রামের মনেক মিয়ার ছেলে।

শনিবার রাতে উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার বাজারে এ সংঘর্ষ হয় ৷ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাক নেয়ার পথে শিপনের মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ আরো ৩ জনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন (২০), চরলাপাং গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে নুর আলম (১৮) এবং থোল্লাকান্দি গ্রামে বাসিন্দা এমরান মাস্টার (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নুরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাতের শত্রুতা চলছিল। এরই জের ধরে শনিবার রাতে শিপন বড়িকান্দি গনি শাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে রিফাত গুলিবর্ষণ করেন। এ সময় শিপন ও হোটেলের এক কর্মচারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠায়।

শিপনকে গুলি করার খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে তার বাবা মনেকের নেতৃত্বে বিক্ষুব্ধ লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় গণিশাহ মাজারের কাছে তালতলা গ্রামে গিয়ে স্থানীয় এমরান হোসেন মাস্টারের অফিসে হামলা চালায়। এতে এমরান মাস্টার গুলিবিদ্ধ হন। তিনি রিফাতের গোষ্ঠীর একজন সদস্য। এবং ঢাকায় কর্মরত পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) বিল্লাল হোসেনের ছোট ভাই । তিনি শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন । তার বাড়ি বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে ৷ তিনি গত উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এ ঘটনার পর এক পক্ষের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে রাতেই জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক ও নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনূর ইসলাম
ঘটনাস্থলে যান যান ৷

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ শাহীনূর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। দীর্ঘদিন ধরে শিপন ও রিফাত বাহিনীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির টাকা পয়সা ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। গুলিবিদ্ধ অপর দুইজনের অবস্থাও আশংকাজনক। অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।