ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশ উদাচী শিল্পীগোষ্ঠী বেলাব থানা শাখার আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত ওয়েবসাইট তৈরিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে খন্দকার আইটি বেড়াতে এসে প্রবাসে ফেরা হলো না ফাহমিদার পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত বাসকপ নবীনগর শাখার উদ্যোগে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে মৃত ব্যক্তিদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রয়াত সাংবাদিকদের স্বরণে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হাল্টপ্রাইজ বোস্টন সামিটে যাবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় বেলাবতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রহিমা বেগম মুয়ুরী আলফাডাঙ্গায় রমজান মাস উপলক্ষে সুলভমূল্যে ডিম,দুধ ও মাংস বিক্রি: মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী

“সাতদিনের আলটিমেটাম মেয়র আতিকের”

রিপু
  • প্রকাশের সময় : ০২:১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || সাতদিনের আলটিমেটাম মেয়র আতিকের|

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকার প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানকে জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার রাখতে হবে।

সবাইকে সাতদিন সময় দিচ্ছি। এ সময়ের পর আমি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাবেন। কোথাও মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত মামলা দেওয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও মামলা হবে।

সোমবার রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘কিউলেক্স মশার প্রকোপ-নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মেয়র আতিক এসব কথা বলেন।

এতে সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যসব সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় ডিএনসিসি মেয়র আতিক আরও বলেন, সরেজমিনে দেখেছি-বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী খাল, জলাশয় ও ডোবাগুলো কচুরিপানায় ভরা। সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষসহ অন্যসব সংস্থার অধীন জলাশয়গুলো মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সেখানকার কচুরিপানা পরিষ্কার না করলে সিটি করপোরেশন থেকে যতই মশার ওষুধ দেই না কেন মশা নিধন করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজেদের খাল, জলাশয় ও ডোবা পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সব দায়িত্ব নিতে হবে।

এ সময় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগকে সব সংস্থা ও হাউজিং সোসাইটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ১ জানুয়ারি থেকে এক বছরের কর্মপরিকল্পনা করে তিনি ক্যালেন্ডার প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, শুধু কিউলেক্স মশা নয়। এডিস মশাও রয়েছে। আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম ও অভিযান চলছে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিক বলেন, দুই ভবনের মাঝখানে খালি জায়গায় অনেকে ময়লা ফেলেন। দয়া করে এটি বন্ধ করুন। স্থানীয় জনগণ ও হাউজিং সোসাইটির উদ্যোগে এগুলো বন্ধে কাজ করুন। অনেক হাউজিং সোসাইটি মশার ওষুধ ছিটানোর মেশিন কিনেছেন। আমরা সেসব সোসাইটিকে ডিএনসিসি থেকে বিনামূল্যে মশার ওষুধ সরবরাহ করব।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও অন্যসব ভবনের পয়ঃবর্জ্য উন্মুক্ত ড্রেন দিয়ে শহরের খাল ও জলাশয় দূষণ করছে। গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বাড়িধারা এলাকায় সমীক্ষা করা হয়েছে। আগামী ৪ জানুয়ারি এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উন্মুক্ত ড্রেনে সংযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই জানেন কেন এবং কোথায় মশার জন্ম হয়। কিন্তু মশা নিয়ন্ত্রণে তারা সম্পৃক্ত হচ্ছে না। সচেতনতার পাশাপাশি মানুষকে সম্পৃক্ত হতে হবে। একা কারও পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্র্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ডিএনসিসির মশক নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট

এই নিউজটি শেয়ার করুন

x

“সাতদিনের আলটিমেটাম মেয়র আতিকের”

প্রকাশের সময় : ০২:১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || সাতদিনের আলটিমেটাম মেয়র আতিকের|

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকার প্রতিটি জায়গা হয় ব্যক্তি মালিকানাধীন অথবা কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের অধীন। অতএব মালিক বা প্রতিষ্ঠানকে জায়গা ও জলাশয় পরিষ্কার রাখতে হবে।

সবাইকে সাতদিন সময় দিচ্ছি। এ সময়ের পর আমি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালাবেন। কোথাও মশার প্রজননক্ষেত্র পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত মামলা দেওয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও মামলা হবে।

সোমবার রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘কিউলেক্স মশার প্রকোপ-নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ সম্পর্কে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মেয়র আতিক এসব কথা বলেন।

এতে সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য বিভাগসহ অন্যসব সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকার বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় ডিএনসিসি মেয়র আতিক আরও বলেন, সরেজমিনে দেখেছি-বিমানবন্দরের পার্শ্ববর্তী খাল, জলাশয় ও ডোবাগুলো কচুরিপানায় ভরা। সিভিল অ্যাভিয়েশন, রাজউক, গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষসহ অন্যসব সংস্থার অধীন জলাশয়গুলো মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সেখানকার কচুরিপানা পরিষ্কার না করলে সিটি করপোরেশন থেকে যতই মশার ওষুধ দেই না কেন মশা নিধন করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজেদের খাল, জলাশয় ও ডোবা পরিষ্কার করতে হবে। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সব দায়িত্ব নিতে হবে।

এ সময় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগকে সব সংস্থা ও হাউজিং সোসাইটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ১ জানুয়ারি থেকে এক বছরের কর্মপরিকল্পনা করে তিনি ক্যালেন্ডার প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, শুধু কিউলেক্স মশা নয়। এডিস মশাও রয়েছে। আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম ও অভিযান চলছে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিক বলেন, দুই ভবনের মাঝখানে খালি জায়গায় অনেকে ময়লা ফেলেন। দয়া করে এটি বন্ধ করুন। স্থানীয় জনগণ ও হাউজিং সোসাইটির উদ্যোগে এগুলো বন্ধে কাজ করুন। অনেক হাউজিং সোসাইটি মশার ওষুধ ছিটানোর মেশিন কিনেছেন। আমরা সেসব সোসাইটিকে ডিএনসিসি থেকে বিনামূল্যে মশার ওষুধ সরবরাহ করব।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও অন্যসব ভবনের পয়ঃবর্জ্য উন্মুক্ত ড্রেন দিয়ে শহরের খাল ও জলাশয় দূষণ করছে। গুলশান, বনানী, নিকেতন ও বাড়িধারা এলাকায় সমীক্ষা করা হয়েছে। আগামী ৪ জানুয়ারি এসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উন্মুক্ত ড্রেনে সংযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন। সবাই জানেন কেন এবং কোথায় মশার জন্ম হয়। কিন্তু মশা নিয়ন্ত্রণে তারা সম্পৃক্ত হচ্ছে না। সচেতনতার পাশাপাশি মানুষকে সম্পৃক্ত হতে হবে। একা কারও পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্র্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ডিএনসিসির মশক নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেওয়ান আবদুল মান্নান, ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট