ঢাকা , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে প্রশাসক-চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি খনন জরিমানা ২ লাখ টাকা নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জে এলপি গ্যাস প্লান্টে সেনা অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ মৌলভীবাজারের যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুরে গ্যাস সিলেন্ডার মজুদ জরিমানা ১ লাখ ৫০ হাজার কমলগঞ্জে প্রবাসীর অর্থায়নে ও এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে কাঁচা সড়ক সংস্কার মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতা নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট সেবা দিচ্ছে থিমবিক্রয় ডটকম সংগঠনের জন্য ওয়েবসাইট সেবা দিচ্ছে থিমবিক্রয় ডটকম

মৌলভীবাজার সাবেক জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার 

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২৪০ বার পড়া হয়েছে
২১৭

মৌলভীবাজার সাবেক জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বকশের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হযেছে।

সোমবার (৪ঠা জানুয়ারি) বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত ২২শে আগষ্ট ২০২৫ইং দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বকশের দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।

উল্লেখ্য: রাজনৈতিক জীবনে মতিন বকশ মৌলভীবাজার থানা শাখার যুবদল সভাপতি ১৯৮৮ সালে,

জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ১৯৯৬সালে। সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবদল ২০০১ সালে,

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবদল ২০১১ সালে তা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বে থেকে সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি ২০১৯ সালে অধিষ্ঠিত হয়। সদ্য পতিত সরকারের পট পরিবর্তন পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক জীবনে;

প্রথম কারাবাস ১৯৯৮ সালের হরতাল চলাকালে পিকেটিং থেকে গ্রেপ্তার হয় পরে ২০১১সালে বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করা সময়ে হরতাল আহ্বান করলে ২৫শে নভেম্বর ২০১১ সালে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে পুলিশ এসলট মামলায় গ্রেপ্তার, ২০১৭ সালে কোট ওয়ারেন্টে কারাগারে যান। বিভাগীয় নেতাদের মামলায় ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় সোস্যাল মিডিয়ায় লেখালেখির জন্য গ্রেপ্তার হয়ে নির্বাহী আদেশে রাজবন্দী হিসাবে কারাবরণ থেকে মুক্তি পান। পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার স্থান থেকে বিচার শালিসি ও মহান পেশা সাংবাদিকতা শিক্ষার সাথে জড়িত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে সর্বদা সচেষ্ট ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার সাবেক জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার 

প্রকাশের সময় : ০৪:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
২১৭

মৌলভীবাজার সাবেক জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বকশের দলের প্রাথমিক সদস্যপদ সহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হযেছে।

সোমবার (৪ঠা জানুয়ারি) বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত ২২শে আগষ্ট ২০২৫ইং দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বকশের দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদের স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।

উল্লেখ্য: রাজনৈতিক জীবনে মতিন বকশ মৌলভীবাজার থানা শাখার যুবদল সভাপতি ১৯৮৮ সালে,

জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ১৯৯৬সালে। সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবদল ২০০১ সালে,

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবদল ২০১১ সালে তা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বে থেকে সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি ২০১৯ সালে অধিষ্ঠিত হয়। সদ্য পতিত সরকারের পট পরিবর্তন পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক জীবনে;

প্রথম কারাবাস ১৯৯৮ সালের হরতাল চলাকালে পিকেটিং থেকে গ্রেপ্তার হয় পরে ২০১১সালে বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করা সময়ে হরতাল আহ্বান করলে ২৫শে নভেম্বর ২০১১ সালে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে পুলিশ এসলট মামলায় গ্রেপ্তার, ২০১৭ সালে কোট ওয়ারেন্টে কারাগারে যান। বিভাগীয় নেতাদের মামলায় ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় সোস্যাল মিডিয়ায় লেখালেখির জন্য গ্রেপ্তার হয়ে নির্বাহী আদেশে রাজবন্দী হিসাবে কারাবরণ থেকে মুক্তি পান। পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার স্থান থেকে বিচার শালিসি ও মহান পেশা সাংবাদিকতা শিক্ষার সাথে জড়িত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে সর্বদা সচেষ্ট ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়।