রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বাস উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রায় ৬ ঘণ্টার উদ্ধার অভিযান শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজের ক্রেনের সাহায্যে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বাসের ভেতর থেকে একে একে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকমবৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে বাসটির চালক আরমান খানও রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় কারণ অনুসন্ধানে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যটি পরিচালনা করছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব। উভয় কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফেরিতে ওঠার সময় অসাবধানতা বা নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।