ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পার্টনার প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) দিনব্যাপী বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু, দেলোয়ার হোসেন সোহেল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, হোপ এর নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান কল্লোল, সাংবাদিক খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
কারিগরি সেশনে উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মুন্সী তোফায়েল হোসেন। কারিগরি আলোচনা করেন কৃষি প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুজন মিয়া, উপজেলা সমবায় অফিসার ইব্রাহিম খলিল।
পার্টনার কংগ্রেসে উপজেলার ৭০ জন কৃষক, ৩০ জন এনজিও কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রকল্পের ১০টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের ওপর স্বচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পের আওতায় নবীনগর উপজেলায় উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে আবাদি জমির পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার ফিল্ড স্কুল পরিচালনা করা হচ্ছে। মূলত আজকের এ সভায় অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘ মতবিনিময় করা হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পার্টনার ফিল্ড স্কুলের কৃষক, উদ্যোক্তা কৃষক, এনজিও প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মীসহ মোট ১০০ জন অংশগ্রহণ করেন।”
তিনি আরও জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় নবীনগর উপজেলায় উচ্চফলনশীল ধানের জাত সম্প্রসারণের মাধ্যমে আবাদি জমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ‘ফার্মার স্মার্ট কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষি সেবা সম্প্রসারণ, পরীক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদন নিশ্চিতকরণ, এগ্রি-ফুড উদ্যোগের মানোন্নয়ন ও সংখ্যা বৃদ্ধি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, নির্দিষ্ট কৃষিপণ্যের ভ্যালু চেইন সনাক্তকরণ ও কার্যকরকরণ এবং কৃষি তথ্য, বাজার বিশ্লেষণ ও মানোন্নয়নসহ কৃষি উন্নয়নে মোট ১০ ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।