হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাটখাল এলাকায় গোসলরত নারীদের গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক আহতের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের কাটখাল গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কাটখাল গ্রামের একটি রাস্তার পাশের পুকুরে পুকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী লুৎফুর রহমানের পক্ষের কয়েকজন নারী গোসল করছিলেন। এ সময় স্থানীয় এরাজত মিয়ার পক্ষের দুই ছেলে গোসলরত নারীদের গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
এরই জেরে রোববার দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হন। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দও ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গোসলরত নারীদের গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।