তানভীর আহমেদ, প্রতিদিনের পোস্ট: বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকার আমলে সারা দেশে নির্যাতিত ও নিপীড়িত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ৬ নবেম্বর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় নরসিংদী জেলা থেকে একমাত্র নির্যাতিত নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন মনোহরদী উপজেলা খিদিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদাত হোসেন বাবুল।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এলাকায় আসলে খিদিরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। গত সোমবার দরগাহ বাজারে শাহাদাত হোসেন বাবুলের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন রাব্বি, ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান আকাশ, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বাশির উদ্দিন, যুবলীগ নেতা মোঃ শাহজালাল, বাদল মিয়া ও ফজলু মিয়া, ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান কিরণ, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আবদুল খালেক বেপারী প্রমুখ।

জানা যায়, মো. শাহাদাত হোসেন বাবুল ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি ২০০৫ থেকে ২০১৩ ইং পর্যন্ত খিদিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ থেকে ২০২২ ইং পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। চলতি বছরের মে মাস থেকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

শাহাদত হোসেন বাবুল ২০০১ চারদলীয় জোটের নির্বাচনীয় সহিংসতায় তৎকালীন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নুরুদ্দিন খানের নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে শেখের বাজারে মারাত্মকভাবে আহত হয়। ২০১৩ সালে ২ ডিসেম্বর বিএনপি-জামায়াত শিবিরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে ডোমনমারা দরগাহ বাজারে আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। তাছাড়া ২০০১ সালের পর জিয়া স্মৃতি সংসদ ভাংচুর, হত্যা ও ডাকাতির মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়েছিল। তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে জরিমানা আদায় করা হয়েছিল।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সারা/প্রতিদিনের পোস্ট