ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিবেদক: বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি দেশটি। প্রিয় দলের এই সাফল্যের মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখলেন সমর্থকেরা।

খেলা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাঁরা ফোটালেন আতশবাজি, সঙ্গে নেচে নেচে ‘ব্রাজিল, ব্রাজিল’ স্লোগানে তাঁরা উদ্‌যাপন করলেন বিজয়।

ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার খেলা শুরু হয় সোমবার রাত ১০টায়। শেষ হয় রাত ১২টার মিনিট সাতেক আগে। ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের ৮৩ মিনিটে বল সুইসদের জালে পাঠান ব্রাজিলের মাঝমাঠের খেলোয়াড় কাসেমিরো।

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদের সৌজন্যে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহযোগিতায় এবারের বিশ্বকাপের সব খেলা দেখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় দুটি ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মাঠে একটি ডিজিটাল স্ক্রিন বসানো হয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও তার আশপাশেও আছে খেলা দেখার ব্যবস্থা। ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ দেখতে সোমবার রাতে ক্যাম্পাসের এসব স্থানে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়। তাঁদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা ছাড়াও ছিলেন ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা তরুণ-যুবকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সোমবার রাত ১২টার ৭ মিনিট আগে যখন রেফারির শেষ হুইসেল বেজে ওঠে, এর পরের প্রায় ১০ মিনিট টিএসসি এলাকায় ভুভুজেলা বাজাতে থাকেন ব্রাজিলের সমর্থকেরা। এর মধ্যেই সমর্থকদের একাংশ টিএসসিতে স্থাপিত ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে তুমুল নাচে মেতে ওঠেন। ব্রাজিল-সমর্থকদের আরেকটি অংশ রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নিয়ে প্রিয় দলের জয়ের আনন্দে ভুভুজেলা ও হর্ষধ্বনিতে মাতেন।

একপর্যায়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে অন্তত সাতটি আতশবাজি ফোটান ব্রাজিল-সমর্থকেরা। রোকেয়া হলের সামনে থেকেও দুটি আতশবাজি ফোটানো হয়। রাত সাড়ে ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময়ও টিএসসিতে এই উদ্‌যাপন চলছিল।

বিজয় উদ্‌যাপনে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিলয় বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের জয়টা প্রত্যাশিতই ছিল। বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্বেও ব্রাজিল জিতবে। আমার বিশ্বাস, এবার বিশ্বকাপ নেবে ব্রাজিল।’