তানভীর আহমেদ:- মনোহরদীর বড়চাপা গ্রামের মানুষ প্রথম হেলিকপ্টার দেখলেন।
এই প্রথম মাটিতে হেলিকপ্টার দেখলেন মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা গ্রামের মানুষ। ছেলেদের ইচ্ছাই মায়ের প্রতি এই ভালোবাসা।
গত ১৯ নবেম্বর পবিত্র উমরাহ পালন শেষে ঢাকায় ছোট ছেলের বাসায় পৌঁছান মা রহিমা রহমান। সেখান থেকে মাকে বাড়িতে আনা হয়েছে হেলিকপ্টার করে। এমন খবরে মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা এলাকায় প্রথম হেলিকপ্টার দেখতে ভিড় করে আশপাশের গ্রামের মানুষজন।
গতকাল শনিবার সকাল বেলা ১১ টায় বড়চাপা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এমন চিত্র দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, বড়চাপা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত লুৎফর রহমান হিরুর স্ত্রী রহিমা রহমান পবিত্র উমরাহ পালন শেষে গত ১৯ নভেম্বর শনিবার ঢাকায় ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ আল কাইয়ূমের বাসায় উঠেন। পরে গতকাল শনিবার বেলা ১১ টায় হেলিকপ্টারে মাকে নিয়ে বড়চাপা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামেন ছেলে হেরেম উল্যাহ আহসান, খায়রুল বাশার আঁখি, আব্দুল্লাহ আল কাইয়ূম।
হেলিকপ্টারে মাকে আনা হবে এমন খবর আগেই প্রচার না হলেও। হেলিকপ্টার দেখতে সহস্রাধিক মানুষ জড়ো হয় ওই এলাকায়। হেলিকপ্টার থেকে নেমে আসার পর মাকে নেওয়া হয় বাড়িতে। এমন দৃশ্য দেখতে সহস্রাধিক লোক ওই রাস্তায় জড়ো হয়।
রুমেল, ওসমান, রুহুল আমিন রতনসহ গ্রামবাসী প্রতিদিনের পোস্টকে বলেন, আমাদের অজপাড়া গাঁয়ে এই প্রথম হেলিকপ্টার এসে নামল। আমাদের সাবেক চেয়ারম্যান তাঁর মা’র স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে করে গ্রামে এসেছেন। হেলিকপ্টার ও চেয়ারম্যানের মাকে দেখতে এসেছি।
রহিমা রহমানের ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ আল কাইয়ূম বলেন, আমাদের স্বপ্ন ছিল মাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে গ্রামের বাড়িতে আসব। মায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকে চেষ্টা করেছি। এই স্বপ্ন পূরন করতে পেরে ভালো লাগছে।
রহিমা রহমান প্রতিদিনের পোস্টকে বলেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ছেলের জন্য দোয়া করি, সকলের কাছে আমার ছেলে মেয়েদের জন্য দোয়া চাই ।
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ /প্রতিদিনের পোস্ট