নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || এক ঈশানের রানও করতে পারল না বাংলাদেশের ১১ জন|

ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। এরপর রোহিত শর্মা, বীরেন্দর শেবাগ, ফখর জামান, ক্রিস গেইল ও মার্টিন গাপটিলের ব্যাট থেকেও আসে ওয়ানডে দ্বিশতক।

আজ সে দলে নাম লেখালেন ভারতের ঈশান কিষানও। ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজের প্রথম শতকটাকেই দ্বিশতকে রূপ দিয়েছেন এই বাঁহাতি। দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডে গেইলকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছেন কিষান।

তবু ইনিংস শেষে কিষান আক্ষেপ করছেন আরও কিছু রান করতে না পারায়। আরও কিছুক্ষণ ব্যাটিং করলে নাকি ১৩১ বলে ২১০ রানের ইনিংসটিকে ৩০০ রানেও নিতে পারতেন তিনি!

ইনিংসের ফাঁকে টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিষান বলেছেন, ‘আমি যখন আউট হই, তখন আরও ১৫ ওভার বাকি। নইলে আমি হয়তো ৩০০ রানই করতে পারতাম।’ এই অতৃপ্ত থাকলেও নিজের নামটা ওয়ানডে ক্রিকেটের দ্বিশত করা ব্যাটসম্যানদের পাশে দেখে গর্ববোধই করছেন তিনি, ‘উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য খুবই ভালো। আমার ভাবনা একদম পরিষ্কার-যদি মারার মতো জায়গায় বল পাই, তাহলে মারব। আমার সৌভাগ্য, কিংবদন্তির নামের সঙ্গে নিজের নাম শুনছি।’

কিষানের দ্বিশতক পাওয়ার মুহূর্তে ক্রিজে ছিলেন বিরাট কোহলি। দুজন মিলে ১৯০ বলে ২৯০ রানের ম্যারাথন জুটি গড়েছেন। কোহলির সঙ্গে ব্যাটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে কিষান বলেছেন, ‘কোহলির সঙ্গে ব্যাটিং করাটা দারুণ। তার ক্রিকেট–জ্ঞান অসাধারণ। যখন আমি ৯০ রানে খেলছিলাম, তখন তিনি আমাকে শান্ত রেখেছেন। যেহেতু আমার প্রথম সেঞ্চুরি হতে যাচ্ছে, আমি ছক্কা মেরেই সেঞ্চুরি করতে চেয়েছিলাম।’

এদিকে ওয়ানডেতে ভারতের সবচেয়ে বড় জয় শেষ জুটিতে ঠেকিয়ে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহেমদ। একই সঙ্গে এড়ালেন এই সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হারও। তবে শেষ পর্যন্ত বড় হার এড়াতে পারল না টাইগাররা।

৪০৯ রানের লক্ষ্য, বাংলাদেশ চাপে ছিল প্রথম ইনিংস শেষেই। সেটিই সামলাতে পারেনি তারা। ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো উইকেটে ২০০ রানের আগেভাগেই থেমে যাওয়া ধাক্কা দিতে পারে ব্যাটিংয়ের আত্মবিশ্বাসে। আপাতত আলোচনা চলছে সেই বিষয় নিয়েই। এক ঈশান কিশানের রানই করতে পারল না বাংলাদেশের ১১ জন ব্যাটসম্যান।

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার আকাশ চোপড়া তো টুইট করে বলেই দিয়েছেন, বাংলাদেশকে ২৮ রানে হারাল ঈশান কিশান।

লক্ষ্য তাড়ায় সাকিব আর হাসান সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন। ২৯ রান করেন লিটন দাস। ইয়াসির আলী রাব্বি ২৫ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আউট হন ২০ রান করে। শেষ দিকে তাসকিন আর মোস্তাফিজের দৃঢ়তা পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছিলো শুধু। তাসকিন অপরাজিত থাকেন ১৭ রানে। ২টি ছক্কা মারেন তিনি। ১৩ রান করে আউট হন মোস্তাফিজ।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট