প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রতিবাদপত্রে প্রতিবেদনটিকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই।
চলতি বছরের গত ৩রা জুন প্রতিদিনের পোস্ট ‘শ্রীমঙ্গলে সরকারি ছড়া ভড়াট করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে মোঃ জয়নাল মিয়া। প্রতিবাদপত্রে প্রতিবেদনটিকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘আমি আমার খরিদা সূত্রে মালিকানা জমির ওপর বাড়ি সংরক্ষিত। কোনোভাবেই এটি সরকারি ছড়ার জমি নয়। এ ছাড়া জমির খরিদা সূত্রে রেজিষ্ট্রারকৃত দলিল এর অনুলিপি উপস্থাপন করেছি। শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখান সড়ক, শাপলা বাগ এলাকার দাগ নং ৪৮৬৪ কৃষি ৫(খ)সাইল চার শতক সাতষট্টি সহস্রআংশ, মৌজা রুপসপুর শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
প্রতিবাদপত্রে আরও দাবি করা হয় আমার অর্থ দ্বারা বিভিন্ন সময়ে খরিদা সূত্রে সরকারি বিধিমোতাবেক রেজিষ্ট্রারকৃত জমিতে সকল কিছু মেনে আমি বাড়ি নির্মাণ করি। এখানে সরকারি কোন ছড়ার জমি আমি দখলে নেইনি। বরং আশপাশের একটি কুচক্রী মহল এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়, ‘আমরা সুস্পষ্টভাবে প্রমান করার জন্য জমির মালিকানা হবার সূত্রে দাগ খতিয়ান রেকর্ডভুক্ত সহ সকল কাগজপত্র উপস্থাপন করিলাম।
প্রতিবেদকের বক্তব্য:
প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই। নিয়মনীতি মেনে এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ করি।’ অভিযোগ এর তথ্যদি ও বক্তব্য আকারে প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছ। সে খবর তখন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার হয়। এ ছাড়া আমরা ও আমি প্রতিবেদক হিসেবে কখনোই দাবি করিনি জয়নাল মিয়া ছড়ার জমি অবৈধ দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করেন। আমরা জয়নাল মিয়ার বক্তব্যের মাধ্যমে প্রতিবেদনে বলেছি, জয়নাল মিয়া ছড়ার জমি অবৈধ দখলের অভিযোগ সূত্রে, এখানে প্রতিবেদক এর নিজস্ব কোন বক্তব্য নহে। সরকারি ছড়া হয়ে থাকলে প্রশাসন অবহিত আছেন সরেজমিন পরিদর্শন করে ছড়ার জমি কি না তা কতৃপক্ষ চিহ্নিত করবেন।