ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চা শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ভাতা ৪৬৬৮ জন শ্রমিককে সৌমিত্র দেব কবি ও সাংবাদিকদের উজ্জ্বল আলো ছড়িয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরে নাসের রহমানের ডিও গ্ৰামবাসীর ধাওয়ায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত আহত শ্রীমঙ্গলে সাঁড়াশি অভিযানে ৫জন চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে বর্ণিল সাজে উদযাপিত হলো ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে প্রশাসক-চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি খনন জরিমানা ২ লাখ টাকা

নবীনগরে একজনের রহস্যজনক ‘মৃত্যু’

মো. আলমগীর হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
৭০

মো. আলমগীর হোসেন, নবীনগর: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কালিপদ দাস (৬৫) নামে এক দোকান কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে নবীনগর বড় বাজারের জনতা স্টোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কালিপদ দাস উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের মৃত হরিপদ দাসের ছেলে। তিনি নবীনগর বাজারের প্রণব কুমার রায়ের মালিকানাধীন জনতা স্টোর নামক দোকানে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দোকান মালিক ও পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নবীনগর বড় বাজারে জনতা স্টোর নামের একটি দোকানে কালিপদ দাস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাত্রিবেলা এই দোকানে থাকলেও প্রতি শুক্রবার সে গ্রামের বাড়িতে যেত। সকালে মৃত অবস্থায় তাকে দোকানের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়।

দোকান মালিক প্রণব কুমার রায়ের ছেলে পলাশ কুমার রায় প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮ টার দিকে দোকান খুলতে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোন সারা শব্দ না পেয়ে বাবাকে জানান। পরে ৯টার দিকে দোকানের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে খাটের উপর তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় তারা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে তার ভাতিজা সুনীল দাস প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, তার চাচা গত ৪০ বছর ধরে এই দোকানে কর্মরত আছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফোন করে জানায় বছরের শেষ ও নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে কাজের চাপ বেশি থাকায় সে শুক্রবার বাড়িতে যাবে না। সে সুস্থ অবস্থায় ছিল কোন ঔষধ সেবন করত না।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাস ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, নবীনগর বাজারের জনতা স্টোর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মনে হয়েছে স্ট্রোক করে হয়তো তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ও তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাস ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে নবীনগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে একজনের রহস্যজনক ‘মৃত্যু’

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
৭০

মো. আলমগীর হোসেন, নবীনগর: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কালিপদ দাস (৬৫) নামে এক দোকান কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে নবীনগর বড় বাজারের জনতা স্টোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কালিপদ দাস উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের মৃত হরিপদ দাসের ছেলে। তিনি নবীনগর বাজারের প্রণব কুমার রায়ের মালিকানাধীন জনতা স্টোর নামক দোকানে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দোকান মালিক ও পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নবীনগর বড় বাজারে জনতা স্টোর নামের একটি দোকানে কালিপদ দাস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাত্রিবেলা এই দোকানে থাকলেও প্রতি শুক্রবার সে গ্রামের বাড়িতে যেত। সকালে মৃত অবস্থায় তাকে দোকানের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয়।

দোকান মালিক প্রণব কুমার রায়ের ছেলে পলাশ কুমার রায় প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮ টার দিকে দোকান খুলতে অনেক ডাকাডাকি করলেও কোন সারা শব্দ না পেয়ে বাবাকে জানান। পরে ৯টার দিকে দোকানের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে খাটের উপর তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় তারা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে তার ভাতিজা সুনীল দাস প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, তার চাচা গত ৪০ বছর ধরে এই দোকানে কর্মরত আছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফোন করে জানায় বছরের শেষ ও নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে কাজের চাপ বেশি থাকায় সে শুক্রবার বাড়িতে যাবে না। সে সুস্থ অবস্থায় ছিল কোন ঔষধ সেবন করত না।

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ওসি (তদন্ত) সজল কান্তি দাস ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে প্রতিদিনের পোস্টকে জানান, নবীনগর বাজারের জনতা স্টোর থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মনে হয়েছে স্ট্রোক করে হয়তো তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় ও তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাস ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে নবীনগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।