ঢাকা , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরে নাসের রহমানের ডিও গ্ৰামবাসীর ধাওয়ায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত আহত শ্রীমঙ্গলে সাঁড়াশি অভিযানে ৫জন চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে বর্ণিল সাজে উদযাপিত হলো ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে প্রশাসক-চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি খনন জরিমানা ২ লাখ টাকা নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জে এলপি গ্যাস প্লান্টে সেনা অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ মৌলভীবাজারের যুবক গ্রেপ্তার

নবীনগরে দ্বিমুখী বিতর্কে জাপা নেতা মৃধা

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩০৭ বার পড়া হয়েছে
৮১

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার নারাণপুরে আধ্যাত্মিক সাধক ছাওয়াল শাহের খেলাফতের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন মৃধার বিরুদ্ধে।

শুধু তা-ই নয়, তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়েও দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। এ নিয়ে সম্প্রতি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ছাওয়াল শাহের ছেলে জহিরুল আলম মিঠু।

অভিযোগে জানা যায়, ছাওয়াল শাহ জীবদ্দশায় কাউকে খেলাফত দিয়ে যাননি। অথচ মোসলেম উদ্দিন মৃধা নিজেকে খেলাফতপ্রাপ্ত দাবি করে পোস্টার-ব্যানার ছাপান। প্রতিবছর ৬ জানুয়ারি ওরসের নামে ভক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে তা আত্মসাৎ করছেন।

ছাওয়াল শাহের ছেলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার বাবা কারও হাতে খেলাফত দেননি। আমি উত্তরাধিকার সূত্রে গদিনিশিন। মৃধা ভুয়া দাবির মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।

খেলাফতের ভুয়া দাবির পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়েও উঠেছে বড় প্রশ্ন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ছামছুল আলম শাহন বলেন, মোসলেম উদ্দিন মৃধা আসলেই মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা আমাদের জানা নেই। তবে গেজেট প্রকাশের সময় অনৈতিকভাবে তার নাম ঢুকিয়ে তিনি বছরের পর বছর সরকারি ভাতা সহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। এটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অপমান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোসলেম উদ্দিন মৃধা দাবি করেন, আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রের অংশ।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রাজীব চৌধুরী বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা টাঙানো হয়েছে। যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে দ্বিমুখী বিতর্কে জাপা নেতা মৃধা

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৮১

নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার নারাণপুরে আধ্যাত্মিক সাধক ছাওয়াল শাহের খেলাফতের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন মৃধার বিরুদ্ধে।

শুধু তা-ই নয়, তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়েও দেখা দিয়েছে তীব্র বিতর্ক। এ নিয়ে সম্প্রতি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ছাওয়াল শাহের ছেলে জহিরুল আলম মিঠু।

অভিযোগে জানা যায়, ছাওয়াল শাহ জীবদ্দশায় কাউকে খেলাফত দিয়ে যাননি। অথচ মোসলেম উদ্দিন মৃধা নিজেকে খেলাফতপ্রাপ্ত দাবি করে পোস্টার-ব্যানার ছাপান। প্রতিবছর ৬ জানুয়ারি ওরসের নামে ভক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে তা আত্মসাৎ করছেন।

ছাওয়াল শাহের ছেলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার বাবা কারও হাতে খেলাফত দেননি। আমি উত্তরাধিকার সূত্রে গদিনিশিন। মৃধা ভুয়া দাবির মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।

খেলাফতের ভুয়া দাবির পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়েও উঠেছে বড় প্রশ্ন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ছামছুল আলম শাহন বলেন, মোসলেম উদ্দিন মৃধা আসলেই মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা আমাদের জানা নেই। তবে গেজেট প্রকাশের সময় অনৈতিকভাবে তার নাম ঢুকিয়ে তিনি বছরের পর বছর সরকারি ভাতা সহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। এটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অপমান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোসলেম উদ্দিন মৃধা দাবি করেন, আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রের অংশ।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রাজীব চৌধুরী বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা টাঙানো হয়েছে। যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।