কাঁ’দতে কাঁ’দতে থানায় গিয়ে শ্বশুরের বি’রুদ্ধে যা বললেন পুত্রবধূ
- প্রকাশের সময় : ০১:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২
- / ৪৪৬ বার পড়া হয়েছে
ডেস্ক নিউজ, প্রতিদিনের পোস্ট || কাঁ’দতে কাঁ’দতে থানায় গিয়ে শ্বশুরের বি’রুদ্ধে যা বললেন পুত্রবধূ।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পুত্রবধূ’কে ধ”র্ষ”ণের অ’ভিযোগে তার শ্বশুর লিটন মিয়াকে (৪৮) আ”টক করেছে পুলিশ। শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আট’ক করা হয়।
আ’টক লি’টন মিয়া ওই এলাকার সিরাজ মিয়ার ছেলে। শনিবার বিকেলে প্রতিদিনের পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জ’ন চাকমা।
তিনি জানান, শনিবার বেলা ১২টার দিকে চৌদ্দগ্রাম থানায় আ’টক লিটনের পুত্রবধূ বা’দী হয়ে ধ”র্ষ”ণের অভি’যোগে মাম”লা দায়ের করেন। ওই নারী মা”মলায় উল্লেখ করেন,
গত শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ওই গৃ’হবধূর শা”শুড়ি বে’ড়াতে যান। বাড়িতে তখন ওই গৃহবধূ আর তার শ্বশুর ছিলেন শুধু। রাতে সেই সুযোগে পুত্রবধূর থাকার কক্ষে ঢু’কে পড়েন শ্বশুর লিটন।
এসময় তাকে কয়েকবার ধ”র্ষ”ণ করা হয়। পরদিন পুলিশের কাছে কাঁ”দতে কাঁ”দতে অভি’যোগ দিতে আসেন ওই নারী। ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় অ’ভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত লিটনকে আ”টক করা হয়েছে।
ভু”ক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল আ”টক লিটনকে কারাগারে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে রাতভর বৃষ্টি, ৩৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত
ঝূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে রাতভর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। বিরামহীন বৃষ্টি আর ঝড়ের সময় এগিয়ে আসায় উপকূলবাসীর উদ্বেগ বেড়েছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি ও বাতাসের গতি বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তবে সিত্রাং মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। শনিবার বিকেলে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তুতি সভায় বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি উপলক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, আমরা ৩৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছি। নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আশ্রয়ণকেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ২৯৮ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন দেখা দিলেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এদিকে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে সাবধান থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মোংলার স্টাফ অফিসার (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মহিউদ্দিন জামান।
তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগর ও বিভিন্ন নদ-নদীতে থাকা নৌযানগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের উপকূলে ঝুঁকির মধ্যে থাকা বাসিন্দাদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে। যদি ঘূর্ণিঝড় আমাদের এলাকায় আঘাত হানে, তাহলে তাদের আশ্রয়কেন্দ্র অথবা কোস্টগার্ডের বেজ ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি (ক্রমিক নম্বর-৭) এর মাধ্যমে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৭০৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২৫ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০০ কিমি দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি রিও ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
অমাবশ্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।






















