ঢাকা , শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিষিদ্ধ ঘোষিত হাইড্রোজ খাদ্যে ব্যবহারে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা কালীগঞ্জে অধিক মূল্যে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় ৫ ব্যবসায়ীকে ১৯০০০ টাকা জরিমান মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে লিখিত;মির্জা ফখরুল নিখোঁজের ১দিন পর রিপনের লাশ নদীর পাড় থেকে উদ্ধার কমলগঞ্জে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মিলনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন “কর্মরত ডাক্তার অনুপস্থিত”  মাধবদীর আলোচিত আমেনা হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন “সৎ পিতার হত্যার দায় স্বীকার” হাকালুকি হাওরে সূর্যমুখী চাষে কৃষকের স্বস্তি কালীগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি, জরিমানা ৩০ হাজার কালীগঞ্জের টঙ্গী-ঘোড়াশাল বাইপাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৪

“আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪০৯ বার পড়া হয়েছে
৪৪

সাতরং ডেস্ক।। “আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”।

বিয়ে হোক বা হুল্লোড়, ইংল্যান্ডের এই গ্রামে আনন্দ উদ্‌যাপনের জন্য আসেন সাধারণ মানুষ। লম্বা ছুটি কাটানোর ঠিকানা হিসেবেও অক্সনিডের জুড়ি নেই। কিন্তু এই গ্রামই সম্প্রতি ছেয়ে গিয়েছে নানা পোস্টার এবং সাইনবোর্ডে। যাতে বড় বড় করে লেখা, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়’।

বিয়েবাড়ির আয়োজনে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই স্থানীয়রাই গ্রামে আর অতিথি চান না। তারা গ্রামজুড়ে সাইনবোর্ড বসিয়ে আগামী দিনে যারা অক্সনিডে বিয়ে বা অন্য কোনো উৎসব উদ্‌যাপনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বার্তা দিয়েছেন। কোনো সাইনবোর্ডে স্পষ্ট লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘বর-কনে এবং বিয়েবাড়ির অতিথিরা অক্সনিডে আর স্বাগত নন।’ কোনো সাইনবোর্ডে আবার লেখা হয়েছে, ‘আর কোনো বিয়ে নয়, অনেক হয়েছে।’

ar biye noy news

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অক্সনিডে যারা আনন্দ করতে আসেন, তারা গ্রামটিকে নোংরা করে দিয়ে যান। সাজানো বাগানে যত্রতত্র নোংরা ফেলা থেকে শুরু করে প্রস্রাব করা, কিছুই বাদ থাকে না। তারা চলে গেলে গ্রাম বার বার পরিষ্কার করাতে হয়। এতে দৈনন্দিন জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

অক্সনিডে বিয়ে বা অন্যান্য আনন্দ উৎসব আয়োজনের রীতি অনেক পুরনো। ষোড়শ শতাব্দী থেকে সেখানে বিয়ের আসর বসছে। তবে প্রাচীন রীতি নিয়ে রীতিমতো তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। রাতবিরেতে তারস্বরে গানবাজনার কারণে তারা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না বলে জানিয়েছেন।

অক্সনিডে শতাব্দীপ্রাচীন একটি হলো রয়েছে, সেখানেই মূলত বিয়ের আসর বসে। এতো বছর ধরে সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু বিয়েবাড়ির আয়োজন করা হত। কিন্তু অতিমারি-পরবর্তী সময়ে অক্সনিডে যত খুশি বিয়ের সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। তারপর থেকেই স্থানীয়দের উপর ‘অত্যাচার’ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বার সেই বিয়েবাড়িগুলোর বিরুদ্ধেই একজোট হলো অক্সনিড।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২
৪৪

সাতরং ডেস্ক।। “আর একটাও বিয়ে নয়, হঠাৎ সাইনবোর্ডে ছেয়ে গেল কেন এই গ্রাম?”।

বিয়ে হোক বা হুল্লোড়, ইংল্যান্ডের এই গ্রামে আনন্দ উদ্‌যাপনের জন্য আসেন সাধারণ মানুষ। লম্বা ছুটি কাটানোর ঠিকানা হিসেবেও অক্সনিডের জুড়ি নেই। কিন্তু এই গ্রামই সম্প্রতি ছেয়ে গিয়েছে নানা পোস্টার এবং সাইনবোর্ডে। যাতে বড় বড় করে লেখা, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়’।

বিয়েবাড়ির আয়োজনে গ্রামের সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই স্থানীয়রাই গ্রামে আর অতিথি চান না। তারা গ্রামজুড়ে সাইনবোর্ড বসিয়ে আগামী দিনে যারা অক্সনিডে বিয়ে বা অন্য কোনো উৎসব উদ্‌যাপনের পরিকল্পনা করছেন, তাদের বার্তা দিয়েছেন। কোনো সাইনবোর্ডে স্পষ্ট লিখে দেওয়া হয়েছে, ‘বর-কনে এবং বিয়েবাড়ির অতিথিরা অক্সনিডে আর স্বাগত নন।’ কোনো সাইনবোর্ডে আবার লেখা হয়েছে, ‘আর কোনো বিয়ে নয়, অনেক হয়েছে।’

ar biye noy news

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, অক্সনিডে যারা আনন্দ করতে আসেন, তারা গ্রামটিকে নোংরা করে দিয়ে যান। সাজানো বাগানে যত্রতত্র নোংরা ফেলা থেকে শুরু করে প্রস্রাব করা, কিছুই বাদ থাকে না। তারা চলে গেলে গ্রাম বার বার পরিষ্কার করাতে হয়। এতে দৈনন্দিন জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

অক্সনিডে বিয়ে বা অন্যান্য আনন্দ উৎসব আয়োজনের রীতি অনেক পুরনো। ষোড়শ শতাব্দী থেকে সেখানে বিয়ের আসর বসছে। তবে প্রাচীন রীতি নিয়ে রীতিমতো তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। রাতবিরেতে তারস্বরে গানবাজনার কারণে তারা ভালো করে ঘুমাতে পারেন না বলে জানিয়েছেন।

অক্সনিডে শতাব্দীপ্রাচীন একটি হলো রয়েছে, সেখানেই মূলত বিয়ের আসর বসে। এতো বছর ধরে সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু বিয়েবাড়ির আয়োজন করা হত। কিন্তু অতিমারি-পরবর্তী সময়ে অক্সনিডে যত খুশি বিয়ের সবুজ সঙ্কেত দিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। তারপর থেকেই স্থানীয়দের উপর ‘অত্যাচার’ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বার সেই বিয়েবাড়িগুলোর বিরুদ্ধেই একজোট হলো অক্সনিড।