ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরে নাসের রহমানের ডিও গ্ৰামবাসীর ধাওয়ায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত আহত শ্রীমঙ্গলে সাঁড়াশি অভিযানে ৫জন চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে বর্ণিল সাজে উদযাপিত হলো ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে প্রশাসক-চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি খনন জরিমানা ২ লাখ টাকা নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জে এলপি গ্যাস প্লান্টে সেনা অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ মৌলভীবাজারের যুবক গ্রেপ্তার

খামেনি হত্যার জবাবে কঠোর প্রতিশোধের অঙ্গীকার ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০৭ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

১৫৪

ইরানর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।

রোববার (১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে তেহরান খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করার পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি এবং আমরা তার জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে আমাদের মহান নেতার এই শাহাদাৎ বরণ প্রমাণ করে যে তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেম তাদের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছিল।

যাদের হাতে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন, তাদের এই জাতি ছাড়বে না। ইরান প্রতিশোধ নেবে এবং আইআরজিসি দেশি-বিদেশি যে কোনো ষড়যন্ত্রকে নির্মূল করতে বদ্ধ পরিকর।

গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে ইরান।

৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।

১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : আলজাজিরা

এই নিউজটি শেয়ার করুন

খামেনি হত্যার জবাবে কঠোর প্রতিশোধের অঙ্গীকার ইরানের

প্রকাশের সময় : ১১:৪১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
১৫৪

ইরানর সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।

রোববার (১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে তেহরান খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করার পর এক বিবৃতিতে আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা একজন মহান নেতাকে হারিয়েছি এবং আমরা তার জন্য শোকাহত। মানবতার সবচেয়ে নিষ্ঠুর সন্ত্রাসী ও জল্লাদদের হাতে আমাদের মহান নেতার এই শাহাদাৎ বরণ প্রমাণ করে যে তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেম তাদের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে উঠেছিল।

যাদের হাতে আমাদের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন, তাদের এই জাতি ছাড়বে না। ইরান প্রতিশোধ নেবে এবং আইআরজিসি দেশি-বিদেশি যে কোনো ষড়যন্ত্রকে নির্মূল করতে বদ্ধ পরিকর।

গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। তারপর গতকাল রাতেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান যে খামেনি নিহত হয়েছেন। তার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন।

রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে সরকারিভাবে খামেনি নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছে ইরান।

৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ক্ষমতাসীন শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সামরিক বিভাগ, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ-সহ দেশটির সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অত্যন্ত গভীর এবং সর্বব্যাপী। মূলত তার নির্দেশনাতেই ইরানের সরকার চলতো।

১৯৭৯ সালে ইরানের তৎকালীন শাহ (রাজা) মুহম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে হটিয়ে ইরানের জাতীয় ক্ষমতা দখল করে শিয়াপন্থি বিভিন্ন সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী, শাহবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং কমিউনিস্ট দলগুলো। সেই বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। বিপ্লবের পর তিনি হন ইরানের প্রথম সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

১৯৮৯ সালে বয়সজনিত অসুস্থতায় মারা যান খোমেনি। তার মৃত্যুর পর দেশটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সূত্র : আলজাজিরা