ঢাকা , শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিষিদ্ধ ঘোষিত হাইড্রোজ খাদ্যে ব্যবহারে জরিমানা ও প্রতিষ্ঠান সিলগালা কালীগঞ্জে অধিক মূল্যে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় ৫ ব্যবসায়ীকে ১৯০০০ টাকা জরিমান মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে লিখিত;মির্জা ফখরুল নিখোঁজের ১দিন পর রিপনের লাশ নদীর পাড় থেকে উদ্ধার কমলগঞ্জে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মিলনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন “কর্মরত ডাক্তার অনুপস্থিত”  মাধবদীর আলোচিত আমেনা হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন “সৎ পিতার হত্যার দায় স্বীকার” হাকালুকি হাওরে সূর্যমুখী চাষে কৃষকের স্বস্তি কালীগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় বিক্রি, জরিমানা ৩০ হাজার কালীগঞ্জের টঙ্গী-ঘোড়াশাল বাইপাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৪

নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলমের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

মোঃ আলমগীর খন্দকার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪
  • / ২৭১ বার পড়া হয়েছে

ছবি: প্রতিদিনের পোস্ট

৩৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলমের বিরুদ্ধে ৭ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা করায় মামলার বাদী আ:রহিমকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে ওই ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামের আবদুর রহিম মিয়া বলেন, গত ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান নূরে আলম এলাকার কয়েকজন মুরুব্বির উপস্থিততে আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হাওলাদ নেন। নির্বাচনের পর এক বছরে ৩ লক্ষ টাকা দিলেও বাকি ৭ লক্ষ টাকা দেম দিচ্ছি বলে গুড়াইতে থাকেন।পরে টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে গত ২ জুলাই মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারনার মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তিনি আরো বলেন, ২০২১ইং সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, পশ্চিম ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ নূরে আলম তার নির্বাচনী ব্যায়ের জন্য আমার কাছ থেকে এক সপ্তাহের কথা বলে দশ লাখ টাকা ধার নেয়। মামলা করার পর ওই চেয়ারম্যান আমাকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ভয় ভীতি, টাকা না দেওয়ার হুমকি ও বিভিন্নভাবে আমাকে ফাঁসিয়ে বিপদে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় আছি। টাকা ফেরত পাওয়া সহ চেয়ারম্যানের বিচার দাবি করছি। পরে বাদী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এঘটনায় ওই এলাকার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, আরিফুর রহমান সেন্টু মেম্বার (৪নং ওয়ার্ড), শেখ জামাল জয়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, হাজী আবদুর রহিম নূরে আলম চেয়ারম্যানকে আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখেই টাকা ধার দেয়। আবদুর রহিম মিয়াকে নিরীহ পেয়ে এখন টাকা দিতে অস্বীকার করছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্টু বিচারের দাবী জানাই।

এ ব্যাপারে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার নামে প্রতারণা মামলা করেছে, এখন আইনি প্রক্রিয়ায় যা হয় হবে।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলমের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪
৩৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলমের বিরুদ্ধে ৭ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা করায় মামলার বাদী আ:রহিমকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে ওই ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামের আবদুর রহিম মিয়া বলেন, গত ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান নূরে আলম এলাকার কয়েকজন মুরুব্বির উপস্থিততে আমার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা হাওলাদ নেন। নির্বাচনের পর এক বছরে ৩ লক্ষ টাকা দিলেও বাকি ৭ লক্ষ টাকা দেম দিচ্ছি বলে গুড়াইতে থাকেন।পরে টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে গত ২ জুলাই মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতারনার মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

তিনি আরো বলেন, ২০২১ইং সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, পশ্চিম ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ নূরে আলম তার নির্বাচনী ব্যায়ের জন্য আমার কাছ থেকে এক সপ্তাহের কথা বলে দশ লাখ টাকা ধার নেয়। মামলা করার পর ওই চেয়ারম্যান আমাকে বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ভয় ভীতি, টাকা না দেওয়ার হুমকি ও বিভিন্নভাবে আমাকে ফাঁসিয়ে বিপদে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। বর্তমানে আমি নিরাপত্তা হীনতায় আছি। টাকা ফেরত পাওয়া সহ চেয়ারম্যানের বিচার দাবি করছি। পরে বাদী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এঘটনায় ওই এলাকার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, আরিফুর রহমান সেন্টু মেম্বার (৪নং ওয়ার্ড), শেখ জামাল জয়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, হাজী আবদুর রহিম নূরে আলম চেয়ারম্যানকে আরো কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখেই টাকা ধার দেয়। আবদুর রহিম মিয়াকে নিরীহ পেয়ে এখন টাকা দিতে অস্বীকার করছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্টু বিচারের দাবী জানাই।

এ ব্যাপারে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার নামে প্রতারণা মামলা করেছে, এখন আইনি প্রক্রিয়ায় যা হয় হবে।