ঢাকা , সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেষ বক্তৃতায় যা বলেছিলেন খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। রোববার ভোরে বাংলাদেশ সময় এ তথ্য জানানো হয়।

মৃত্যুর প্রায় ১১ দিন আগে তিনি সর্বশেষ জনসমক্ষে বক্তৃতা দেন। ওই বক্তব্যে তিনি প্রতিরোধমূলক অস্ত্রের গুরুত্ব জোর দিয়ে তুলে ধরেন। তার এই বক্তব্যের সময়ই জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান–এর মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছিল।

বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র যে কোনো দেশের জন্য অপরিহার্য। তার মতে, যে রাষ্ট্রের কাছে প্রতিরোধের সামর্থ্য নেই, তাকে শত্রুদের চাপের মুখে পড়তে হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন অকারণে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে—যা সম্পূর্ণভাবে ইরানি জাতির সিদ্ধান্তের বিষয়।

ওই ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর বার্তাও দেন তিনি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাবাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বললেও ইতিহাস প্রমাণ করে, সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনীও কখনো কখনো এমন আঘাত পেতে পারে, যার পর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয় না।

এই নিউজটি শেয়ার করুন

শেষ বক্তৃতায় যা বলেছিলেন খামেনি

প্রকাশের সময় : ১১:৫৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। রোববার ভোরে বাংলাদেশ সময় এ তথ্য জানানো হয়।

মৃত্যুর প্রায় ১১ দিন আগে তিনি সর্বশেষ জনসমক্ষে বক্তৃতা দেন। ওই বক্তব্যে তিনি প্রতিরোধমূলক অস্ত্রের গুরুত্ব জোর দিয়ে তুলে ধরেন। তার এই বক্তব্যের সময়ই জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান–এর মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছিল।

বক্তৃতায় তিনি বলেন, প্রতিরোধক্ষম অস্ত্র যে কোনো দেশের জন্য অপরিহার্য। তার মতে, যে রাষ্ট্রের কাছে প্রতিরোধের সামর্থ্য নেই, তাকে শত্রুদের চাপের মুখে পড়তে হয়। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটন অকারণে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে—যা সম্পূর্ণভাবে ইরানি জাতির সিদ্ধান্তের বিষয়।

ওই ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর বার্তাও দেন তিনি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের সেনাবাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বললেও ইতিহাস প্রমাণ করে, সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনীও কখনো কখনো এমন আঘাত পেতে পারে, যার পর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয় না।