ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরে নাসের রহমানের ডিও গ্ৰামবাসীর ধাওয়ায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত আহত শ্রীমঙ্গলে সাঁড়াশি অভিযানে ৫জন চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে বর্ণিল সাজে উদযাপিত হলো ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ ডাকবাংলোকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪ তলা বিশিষ্ট করা হবে প্রশাসক-চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে কালীগঞ্জে অবৈধ মাটি খনন জরিমানা ২ লাখ টাকা নবীনগরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জে এলপি গ্যাস প্লান্টে সেনা অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর এপিএস পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ মৌলভীবাজারের যুবক গ্রেপ্তার

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ২০২৬ এর ভোটের খেলায় মৌলভীবাজারে এগিয়ে বিএনপি

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩২ বার পড়া হয়েছে
১৮৯

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ২০২৬ এর ভোটের খেলায় মৌলভীবাজারে এগিয়ে বিএনপি

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

২০২৬ সালের আসন্ন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলবীবাজার জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩১জন। যাচাই-বাচাই শেষে তাদের মধ্যে ২৬জনের মনোনয়ন বৈধ পাওয়া গেছে এবং ৫জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ নির্বাচনে ১২ই ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে এবার লড়াই বেশ জমজমাট হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এখানে মূলত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-র মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে নির্বাচন হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কে বিজয়ী হবে তা বলা সম্ভব নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি ও স্থানীয় আলোচনার ভিত্তিতে একটি ধারণা:
মৌলভীবাজারের আসনভিত্তিক প্রার্থী ও পরিস্থিতি:
১. মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা-জুড়ী):
বিএনপি: নাসির উদ্দিন আহমদ (মিঠু)। খুব তেজোদ্বীপ্তভাবে তিনি প্রচারণায় আছেন।
জামায়াতে ইসলামী: আমিনুল ইসলাম। অনুমান ২য় স্থানে আছেন।
এনসিপি: তামিম আহমদ। ৩য় স্থানে আছেন।
পরিস্থিতি: এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
২. মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
এই আসনটি আগের মতই অনঅনুমেয় যা নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এখানে অতীতে এম এম শাহীন বা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের মতো শক্তিশালী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এবারও এখানে স্বতন্ত্র বা ছোট দলের প্রার্থীরা বড় শক্তি হয়ে দাঁড়াতে পারেন।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনটি বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ও অপ্রত্যাশিত বা অনুমান না করার মত একটি আসন। আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, কুলাউড়া আসনে এবারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম নিচে দেওয়া হলো:-
১. প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী
বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল): এই আসনে দলটির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ও কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সওকত হোসেন। তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী অনেক নেতাকে পেছনে ফেলে দলীয় টিকিট পেয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামী: জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ার সন্তান হওয়ায় এখানে দলটির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে এখানে জামায়াত এককভাবে প্রার্থী দিতে পারে অথবা ২০ দলীয় জোটের সমীকরণে কাজ করতে পারে।
জাতীয় পার্টি (এরশাদ): সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন এই আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি স্বতন্ত্র অথবা জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও জাতীয় পার্টির এডভোকেট এ কে এম বদরুল ইসলাম মনোনয়ন প্রতিযোগীতায় ছিলেন।
২. স্বতন্ত্র ও অন্যান্য শক্তিশালী প্রার্থী
এম এম শাহীন: সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য এবং কুলাউড়ার জনপ্রিয় নেতা এম এম শাহীন এবারও স্বতন্ত্র অথবা ছোট কোনো জোটের (যেমন তৃণমূল বিএনপি) হয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয় আছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটি (NCP): ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সমর্থিত এই নতুন দলের পক্ষ থেকে তরুণ কোনো মুখকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা রয়েছে, যারা মূলত তরুণ ভোটারদের ওপর নির্ভর করছেন।
৩. প্রার্থীর সংখ্যা:
মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মৌলভীবাজার-২ আসনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৬ থেকে ৮ জন প্রার্থী (ছোট দল ও স্বতন্ত্রসহ)। এর মধ্যে মূল লড়াই হবে সওকত হোসেন (বিএনপি), নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন এবং এম এম শাহীন-এর মধ্যে।

কুলাউড়ার নির্বাচনী বিশেষত্ব:
এই আসনে গত কয়েক দশকে কোনো নির্দিষ্ট দলের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখা যায়নি। এখানে ভোটাররা প্রার্থীর চেয়ে ব্যক্তির জনপ্রিয়তা এবং এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে বেশি গুরুত্ব দেন।

৩. মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর):
বিএনপি: এম নাসের রহমান(সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পুত্র)। তাকে এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরিস্থিতি: নাসের রহমানের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং বিএনপির দলীয় ভোট ব্যাংকের কারণে এখানে তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

৪. মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ):
এনসিপি-NCP: প্রীতম দাশ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস: শেখ নূরে আলম হামিদী।

পরিস্থিতি: এ আসনে দীর্ঘ সময় ড. মো. আব্দুস শহীদ(আওয়ামী লীগ) বিজয়ী হলেও এবার পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। নতুন শক্তির উত্থান এখানে চমক দেখাতে পারে।

কে জিততে পারে:
সামগ্রিক বিচারে এবং বিভিন্ন জরিপ (যেমন: টাইম ম্যাগাজিন বা স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষণ) অনুযায়ী:
মৌলভীবাজারের আসনগুলোতে বিএনপি বর্তমানে সামনের সারির বা এগিয়ে থাকা শক্তি। বিশেষ করে ৩ নম্বর আসনে তাদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।
তরুণ ভোটার: নতুন ভোটার এবং শিক্ষার্থীদের ভোট যদি জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-র দিকে যায়, তবে বড় কোনো পরিবর্তনও ঘটে যেতে পারে।
ঐক্য: জামায়াত ও বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত সমঝোতা করে, তবে তারা অধিকাংশ আসনেই অনায়াসে জয়ী হতে পারে।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ২০২৬ এর ভোটের খেলায় মৌলভীবাজারে এগিয়ে বিএনপি

প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১৮৯

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ২০২৬ এর ভোটের খেলায় মৌলভীবাজারে এগিয়ে বিএনপি

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

২০২৬ সালের আসন্ন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলবীবাজার জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩১জন। যাচাই-বাচাই শেষে তাদের মধ্যে ২৬জনের মনোনয়ন বৈধ পাওয়া গেছে এবং ৫জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ নির্বাচনে ১২ই ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে এবার লড়াই বেশ জমজমাট হতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এখানে মূলত বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নতুন দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-র মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে নির্বাচন হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে কে বিজয়ী হবে তা বলা সম্ভব নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি ও স্থানীয় আলোচনার ভিত্তিতে একটি ধারণা:
মৌলভীবাজারের আসনভিত্তিক প্রার্থী ও পরিস্থিতি:
১. মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা-জুড়ী):
বিএনপি: নাসির উদ্দিন আহমদ (মিঠু)। খুব তেজোদ্বীপ্তভাবে তিনি প্রচারণায় আছেন।
জামায়াতে ইসলামী: আমিনুল ইসলাম। অনুমান ২য় স্থানে আছেন।
এনসিপি: তামিম আহমদ। ৩য় স্থানে আছেন।
পরিস্থিতি: এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
২. মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া):
এই আসনটি আগের মতই অনঅনুমেয় যা নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এখানে অতীতে এম এম শাহীন বা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদের মতো শক্তিশালী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এবারও এখানে স্বতন্ত্র বা ছোট দলের প্রার্থীরা বড় শক্তি হয়ে দাঁড়াতে পারেন।
মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনটি বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ও অপ্রত্যাশিত বা অনুমান না করার মত একটি আসন। আজ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, কুলাউড়া আসনে এবারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম নিচে দেওয়া হলো:-
১. প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী
বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল): এই আসনে দলটির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ও কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সওকত হোসেন। তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী অনেক নেতাকে পেছনে ফেলে দলীয় টিকিট পেয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামী: জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কুলাউড়ার সন্তান হওয়ায় এখানে দলটির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে এখানে জামায়াত এককভাবে প্রার্থী দিতে পারে অথবা ২০ দলীয় জোটের সমীকরণে কাজ করতে পারে।
জাতীয় পার্টি (এরশাদ): সাবেক সংসদ সদস্য নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন এই আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি স্বতন্ত্র অথবা জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও জাতীয় পার্টির এডভোকেট এ কে এম বদরুল ইসলাম মনোনয়ন প্রতিযোগীতায় ছিলেন।
২. স্বতন্ত্র ও অন্যান্য শক্তিশালী প্রার্থী
এম এম শাহীন: সাবেক দুইবারের সংসদ সদস্য এবং কুলাউড়ার জনপ্রিয় নেতা এম এম শাহীন এবারও স্বতন্ত্র অথবা ছোট কোনো জোটের (যেমন তৃণমূল বিএনপি) হয়ে ভোটের মাঠে সক্রিয় আছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটি (NCP): ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সমর্থিত এই নতুন দলের পক্ষ থেকে তরুণ কোনো মুখকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা রয়েছে, যারা মূলত তরুণ ভোটারদের ওপর নির্ভর করছেন।
৩. প্রার্থীর সংখ্যা:
মৌলভীবাজার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মৌলভীবাজার-২ আসনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ৬ থেকে ৮ জন প্রার্থী (ছোট দল ও স্বতন্ত্রসহ)। এর মধ্যে মূল লড়াই হবে সওকত হোসেন (বিএনপি), নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন এবং এম এম শাহীন-এর মধ্যে।

কুলাউড়ার নির্বাচনী বিশেষত্ব:
এই আসনে গত কয়েক দশকে কোনো নির্দিষ্ট দলের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখা যায়নি। এখানে ভোটাররা প্রার্থীর চেয়ে ব্যক্তির জনপ্রিয়তা এবং এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে বেশি গুরুত্ব দেন।

৩. মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর):
বিএনপি: এম নাসের রহমান(সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের পুত্র)। তাকে এই আসনের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরিস্থিতি: নাসের রহমানের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং বিএনপির দলীয় ভোট ব্যাংকের কারণে এখানে তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

৪. মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ):
এনসিপি-NCP: প্রীতম দাশ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস: শেখ নূরে আলম হামিদী।

পরিস্থিতি: এ আসনে দীর্ঘ সময় ড. মো. আব্দুস শহীদ(আওয়ামী লীগ) বিজয়ী হলেও এবার পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। নতুন শক্তির উত্থান এখানে চমক দেখাতে পারে।

কে জিততে পারে:
সামগ্রিক বিচারে এবং বিভিন্ন জরিপ (যেমন: টাইম ম্যাগাজিন বা স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষণ) অনুযায়ী:
মৌলভীবাজারের আসনগুলোতে বিএনপি বর্তমানে সামনের সারির বা এগিয়ে থাকা শক্তি। বিশেষ করে ৩ নম্বর আসনে তাদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল।
তরুণ ভোটার: নতুন ভোটার এবং শিক্ষার্থীদের ভোট যদি জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-র দিকে যায়, তবে বড় কোনো পরিবর্তনও ঘটে যেতে পারে।
ঐক্য: জামায়াত ও বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত সমঝোতা করে, তবে তারা অধিকাংশ আসনেই অনায়াসে জয়ী হতে পারে।