নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা, কুলিয়ারচরে কাঁচামরিচের কেজি ৪০০
- প্রকাশের সময় : ১১:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৯ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে খুচরা বাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে হঠাৎ করে বাজারে কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।
উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে এবং ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ৪০০ টাকা দরে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে।
একই বাজারে এসেছেন গৃহিণী নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, সবজির দাম এত বেশি যে সংসারের বাজেটই ভেঙে গেছে। মাছ-মাংসের পর এখন সবজিও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কাঁচামরিচের মতো একটি পণ্য ৪০০ টাকা কেজি। আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে।
কাঁচাবাজার করতে আসা কজল মিয়া বলেন, এখন বাজারে এসে কী কিনব, আর কী বাদ দেব বুঝতে পারি না। কাঁচামরিচের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি পণ্য ৪০০ টাকা কেজি। প্রয়োজনের তুলনায় বাড়তি মূল্যের কারণে কম কিনতে হচ্ছে। এ ছাড়া অন্যান্য সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
লক্ষ্মীপুর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। টানা বৃষ্টিতে হঠাৎ পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এই বাজারের আরেক সবজি ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে মরিচ নষ্ট হচ্ছে। এতে সরবরাহ অনেকটাই কমে গেছে। তাই দাম বেড়ে গেছে।
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় ডুবে গেছে ফসলের খেত। এতে জোগান কমেছে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের। এতে করে দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের।
উপজেলার জাপরাবাদ বাজারেও ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র, সোহাগ নামে এক ক্রেতা জানান, তিনি ২০ টাকার কাঁচা মরিচ কিনতে চাইলে, বিক্রেতা বলেন ২০ টাকার মরিচ দেওয়া যায় না, নিলে ৪০ টাকার ১০০ গ্রাম নিতে হবে, তাই তিনি মরিচ কিনতে পারেননি।
এ ব্যাপারে কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসিন খন্দকার জানান, নিত্যপণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে আমাদের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি।


















