ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ধর্ষণচেষ্টায় বাধা দেওয়ায় ভাগ্নের ওপর হামলা, কুপিয়ে জখম রাজবাড়ীতে নারী ব্যবসায়ীকে মারধর, লাথির দৃশ্য ভাইরাল নবীনগরে ভাসমান সবজি চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় চীনের মডেল নিতে চাই’ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে ঢাকা, প্রধান সড়কে নিষেধাজ্ঞা টাকা-সোনা নিয়ে স্ত্রী উধাও, প্রবাসী স্বামীর অভিযোগে নতুন মোড় আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৮ নারী-পুরুষকে আটক চিকিৎসায় অবহেলায় মৃত্যু’—মানিকগঞ্জে স্বজনদের অভিযোগ চিকিৎসা নিতে এসে নিথর দেহে ফিরলেন শিক্ষিকা, স্বামীর চোখে সেই ভয়াবহ মুহূর্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হিলি বন্দরে, বিপাকে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা

নবীনগরে ভাসমান সবজি চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 10 বার পড়া হয়েছে

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বর্ষাকালে জলাবদ্ধ ও পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বছরের ৪ থেকে ৫ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকা জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ সম্ভব না হলেও আধুনিক প্রযুক্তি কৃষকদের সামনে খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। পানিতে ডুবে থাকা জমিকে আর অনাবাদি না রেখে সেখানে উৎপাদনমুখী কৃষির সুযোগ তৈরি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ।

হাওর ও জলাভূমি অধ্যুষিত নবীনগর উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর কৃষিজমি বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধ থাকে। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব জমিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হলেও বর্ষাকালে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের জন্য এটি ছিল বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জলাবদ্ধ জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলার ইব্রাহিমপুর, নাটঘর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ, নবীনগর পূর্ব ও সাতমোড়া এলাকায় গত দুই বছর ধরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে সবজি আবাদ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চলমান ফ্রিপ এবং কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের দেওয়া হয়েছে সরকারি সহায়তা, পাশাপাশি দুই শতাধিক কৃষককে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে বাঁশের তৈরি কাঠামোর ওপর মাচা নির্মাণ করে সেখানে লতাজাতীয় বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়। লাউ, চালকুমড়া, শসা ও করলাসহ বিভিন্ন সবজি এই পদ্ধতিতে ভালো ফলন দেয়। বর্ষাকালে স্বাভাবিকভাবে যখন বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যায়, তখন ভাসমান পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি বাজারজাত করে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারেন। বর্ষা শেষ হলে ঐ কাঠামো দিয়ে পুনরায় জমিতে সবজি আবাদ করা যায়, এতে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় পরবর্তীতে অনেক কমে যায়।

স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতায়, এ পদ্ধতিতে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম। একই সঙ্গে আলাদা করে সেচের প্রয়োজন হয় না। ফলে জলাবদ্ধ ও পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে তুলনামূলক কম খরচে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে রাসায়নিক সার এবং বালাইনাশকের ব্যবহার কম হওয়াতে খেতেও দারুণ সুস্বাদু।

ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মধ্য পাড়া গ্রামের কৃষক ইসমাইল মিয়া জানান, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ কৃষি বিভাগের পরামর্শে দুই বছর ধরে আবাদ করছি, বছরে দুই তিন মাস সবজি আবাদ করার সুযোগ ছিলো না। আমাকে দেখে এলাকার আরো অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছে।

ইব্রাহিমপুর দক্ষিন পাড়া গ্রামের প্রবাস ফেরত সুজন এই বছর কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রথমবারের মতো আবাদ করেছেন ২৫ শতাংশ জমিতে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে লাউয়ের আবাদ। প্রথমে ইউটিউবে এই ধরনের আবাদ দেখে তিনি আগ্রহী হয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় চাষ শুরু করে ইতোমধ্যে কলমিশাক, শসা ও লাউ। এখন পর্যন্ত বিক্রি করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় করেছেন। তিনি বলেন, উৎপাদন ভালো হওয়া এবং রোগবালাই কম থাকায় এ পদ্ধতির প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের কৃষক এমরান ২০ শতক জমিতে লাউ ও চালকুমড়া চাষ করেছেন। তার কাছে বর্ষাকালে পানিতে ডুবে থাকা জমিতে সবজি উৎপাদন একসময় স্বপ্নের মতো মনে হলেও কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সেটি এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। তিনি ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে ১৫ শতাংশ জমিতে লাউয়ের আবাদ করেছেন, ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন। আরো দুই মাস লাউ উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানান।

নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন সময়ের আলো’কে বলেন, নবীনগরে প্রথমবারের মতো ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের হাতে-কলমে প্রযুক্তিটি শেখাতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদর্শনী স্থাপন, ভাসমান কাঠামো তৈরি, বীজ ও সার দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভাসমান পদ্ধতিতে চাষ নিরাপদ কৃষি উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। জলাবদ্ধ ও পরিত্যক্ত জমি ব্যবহার করে কম খরচে সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। বিশেষ করে লতাজাতীয় সবজির ফলনও এ পদ্ধতিতে ভালো হয়। ভবিষ্যতে নবীনগরের জলাবদ্ধ এলাকাগুলোতে এ প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

নবীনগরের জলাবদ্ধ জমিতে ভাসমান সবজি চাষ শুধু কৃষকদের বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করছে না, বরং বর্ষাকালে নিরাপদ সবজি উৎপাদন, পতিত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং স্থানীয় বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে ভাসমান পদ্ধতির এ চাষাবাদ নবীনগরের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার আরও বিস্তৃত করবে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে ভাসমান সবজি চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য

প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বর্ষাকালে জলাবদ্ধ ও পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বছরের ৪ থেকে ৫ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকা জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ সম্ভব না হলেও আধুনিক প্রযুক্তি কৃষকদের সামনে খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার। পানিতে ডুবে থাকা জমিকে আর অনাবাদি না রেখে সেখানে উৎপাদনমুখী কৃষির সুযোগ তৈরি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ।

হাওর ও জলাভূমি অধ্যুষিত নবীনগর উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার ৫০০ হেক্টর কৃষিজমি বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধ থাকে। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব জমিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হলেও বর্ষাকালে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ জমি অনাবাদি পড়ে থাকে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের জন্য এটি ছিল বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জলাবদ্ধ জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনতে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলার ইব্রাহিমপুর, নাটঘর, রছুল্লাবাদ, বড়িকান্দি, সলিমগঞ্জ, নবীনগর পূর্ব ও সাতমোড়া এলাকায় গত দুই বছর ধরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে সবজি আবাদ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে এ পদ্ধতিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চলমান ফ্রিপ এবং কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের দেওয়া হয়েছে সরকারি সহায়তা, পাশাপাশি দুই শতাধিক কৃষককে ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে বাঁশের তৈরি কাঠামোর ওপর মাচা নির্মাণ করে সেখানে লতাজাতীয় বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়। লাউ, চালকুমড়া, শসা ও করলাসহ বিভিন্ন সবজি এই পদ্ধতিতে ভালো ফলন দেয়। বর্ষাকালে স্বাভাবিকভাবে যখন বাজারে সবজির সরবরাহ কমে যায়, তখন ভাসমান পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজি বাজারজাত করে কৃষকরা বাড়তি আয় করতে পারেন। বর্ষা শেষ হলে ঐ কাঠামো দিয়ে পুনরায় জমিতে সবজি আবাদ করা যায়, এতে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় পরবর্তীতে অনেক কমে যায়।

স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতায়, এ পদ্ধতিতে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম। একই সঙ্গে আলাদা করে সেচের প্রয়োজন হয় না। ফলে জলাবদ্ধ ও পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে তুলনামূলক কম খরচে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে রাসায়নিক সার এবং বালাইনাশকের ব্যবহার কম হওয়াতে খেতেও দারুণ সুস্বাদু।

ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মধ্য পাড়া গ্রামের কৃষক ইসমাইল মিয়া জানান, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ কৃষি বিভাগের পরামর্শে দুই বছর ধরে আবাদ করছি, বছরে দুই তিন মাস সবজি আবাদ করার সুযোগ ছিলো না। আমাকে দেখে এলাকার আরো অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছে।

ইব্রাহিমপুর দক্ষিন পাড়া গ্রামের প্রবাস ফেরত সুজন এই বছর কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রথমবারের মতো আবাদ করেছেন ২৫ শতাংশ জমিতে ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে লাউয়ের আবাদ। প্রথমে ইউটিউবে এই ধরনের আবাদ দেখে তিনি আগ্রহী হয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় চাষ শুরু করে ইতোমধ্যে কলমিশাক, শসা ও লাউ। এখন পর্যন্ত বিক্রি করে প্রায় ৩০ হাজার টাকা আয় করেছেন। তিনি বলেন, উৎপাদন ভালো হওয়া এবং রোগবালাই কম থাকায় এ পদ্ধতির প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

রছুল্লাবাদ ইউনিয়নের কৃষক এমরান ২০ শতক জমিতে লাউ ও চালকুমড়া চাষ করেছেন। তার কাছে বর্ষাকালে পানিতে ডুবে থাকা জমিতে সবজি উৎপাদন একসময় স্বপ্নের মতো মনে হলেও কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সেটি এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। তিনি ভাসমান ডালি পদ্ধতিতে ১৫ শতাংশ জমিতে লাউয়ের আবাদ করেছেন, ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছেন। আরো দুই মাস লাউ উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানান।

নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন সময়ের আলো’কে বলেন, নবীনগরে প্রথমবারের মতো ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষকদের হাতে-কলমে প্রযুক্তিটি শেখাতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রদর্শনী স্থাপন, ভাসমান কাঠামো তৈরি, বীজ ও সার দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভাসমান পদ্ধতিতে চাষ নিরাপদ কৃষি উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। জলাবদ্ধ ও পরিত্যক্ত জমি ব্যবহার করে কম খরচে সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। বিশেষ করে লতাজাতীয় সবজির ফলনও এ পদ্ধতিতে ভালো হয়। ভবিষ্যতে নবীনগরের জলাবদ্ধ এলাকাগুলোতে এ প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

নবীনগরের জলাবদ্ধ জমিতে ভাসমান সবজি চাষ শুধু কৃষকদের বাড়তি আয়ের পথ তৈরি করছে না, বরং বর্ষাকালে নিরাপদ সবজি উৎপাদন, পতিত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং স্থানীয় বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে ভাসমান পদ্ধতির এ চাষাবাদ নবীনগরের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার আরও বিস্তৃত করবে।