ঢাকা , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজুর ডাকে কক্সবাজারে গিয়েছিল স্কুলছাত্রী তাজমিন নির্জন পথে নিয়ে তাজমিনকে ধর্ষণ, পরে হত্যা বান্ধবী ভালো নয়’, সন্দেহে ৬ মাস মেয়েকে স্কুলে পাঠাননি মা! আমতলী চৌরাস্তার দখল হওয়া ট্রাফিক পুলিশ বক্স ১৭ বছরেও উদ্ধার হয়নি, ঝুঁকিতে জনগন গংগাচড়ায় বড় মসজিদের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি রায়হান সিরাজী ‎ ধামইরহাটে নজরুল বর্ষে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান নরসিংদীর শিবপুরে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ প্রাইভেটকার জব্দ, আটক ১ মৌলভীবাজারে মাহফিলে কমলার হালি ৫০ হাজার, খেজুর কেজি ৩০ হাজার কালীগঞ্জে ক্যাফে শীতলক্ষ্যা ফুড পার্কের শুভ উদ্বোধন হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল
মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৩:২৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 113 বার পড়া হয়েছে

রংপুর নগরের কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছ থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলী।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি সোমবার বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এর আগে এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
‎
‎মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁদের আর রিমান্ডে নেওয়া হয়নি।
‎
‎পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়ম এবং কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করা মেয়ে অর্চনা চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদে গভীর রাতে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় এবং এতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
‎
‎স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
‎
‎এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না এবং হত্যার পুরো ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার কাজ করবে ডিবি।
‎

এই নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে চার খুনের তদন্তে ডিবি

প্রকাশের সময় : ০৩:২৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরের কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার মামলার তদন্তভার কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছ থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। অধিকতর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার লক্ষ্যে তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে মামলার নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিনাত আলী।
‎
‎রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি সোমবার বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে মামলার নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এর আগে এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
‎
‎মামলার আগের তদন্ত কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ কারণে তাঁদের আর রিমান্ডে নেওয়া হয়নি।
‎
‎পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ১১টার দিকে কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রীয়ম এবং কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করা মেয়ে অর্চনা চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির ছাদে গভীর রাতে ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় এবং এতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
‎
‎স্বজনরা জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্বজনদের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার রাতে পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
‎
‎এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এখন হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ, ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না এবং হত্যার পুরো ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার কাজ করবে ডিবি।
‎