ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ইউএনও ফেরদৌস আরা গাজীপুরের আড়াইশো বছরের ঐতিহ্য বিনিরাইলের মাছের মেলা মান্দায় রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর নেই “কেয়ামতের আগে দা’জ্জা’ল জান্নাতের টিকেট বিক্রি করবে”শাহ্ মোজাদ্দেদী আল আবেদী “গণতন্ত্রের জন্য, সুষ্ঠু ভোটের জন্য লড়াই করেছেন বেগম জিয়া” ফজলুল হক মিলন নবীনগরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ঘুষ কাণ্ডে দুই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত বিনা অপরাধে কোনো দলের কাউকে গ্রেপ্তার করা যাবে না : এডভোকেট মান্নান
৩ দিনের মধ্যে ওয়েবসাইট না থাকার কারণ ব্যাখা চেয়েছে মাউশি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট দিচ্ছে খন্দকার আইটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে
369

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি সহ যাদের ওয়েবসাইটের তথ্য এখনো হালনাগাদ করা হয়নি তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য দ্রুত হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবসাইট না থাকার কারণ এবং ওয়েবসাইট তৈরির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা তা ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইমেইলে (dd.hrm.dshe@gmail.com) এ ব্যাখ্যা দিতে প্রধান শিক্ষকদের প্রতি কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠি অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৪-২৫ অনুযায়ী অধিদপ্তরের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে হালনাগাদকৃত সেবা প্রতিশ্রুতি ওয়েবসাইটে আপলোড ও প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করেনি। এ পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে মাউশি অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করেছে। একই সঙ্গে ওয়েবসাইট তৈরিতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সরকারি সেবাকে আরও সহজ ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওয়েবসাইট না থাকায় নাগরিকরা প্রয়োজনীয় তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রুপান্তরের অংশ হিসেবে খন্দকার আইটি দিচ্ছে মাউশি-র নির্দেশনা অনুযায়ী edu.bd ডোমেইন ও হোস্টিং সহ পুর্নাঙ্গ স্কুল ও কলেজ ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট। কোনোরকম প্রযুক্তি দক্ষতা ও পূর্ব অভিজ্ঞতা
ছাড়াই খুব সহজেই এই ওয়েবসাইট পরিচালনা করা যায়।

এই ওয়েবসাইটের মধ্যে রয়েছে ১. প্রতিষ্ঠান পরিচিতি। ২.পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি। ৩. শ্রেণি ও লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষার্থীর তথ্য। ৪. শ্রেণিভিত্তিক অনুমোদিত শাখার তথ্য। ৫. পাঠদানসংক্রান্ত তথ্য (শিক্ষকদের নামসহ পূর্ণাঙ্গ রুটিন, পাঠ্যসূচি, বিবিধ নোটিশ ইত্যাদি)। ৬. এমপিও। ৭. প্রতিষ্ঠানের ফোন বা মোবাইল নম্বরসহ যোগাযোগের ঠিকানা। ৮. তথ্যসেবা কেন্দ্রের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর। ৯. অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তার ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর। ১০. প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ সব শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য। ১১. ব্যবস্থাপনা কমিটির তথ্য। এছাড়াও রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী,অভিভাবকদের আলাদা লগইন করার সুযোগ। ক্লাস রুটিন, রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট, আইডি কার্ড, এডমিট কার্ড প্রিন্ট করা সহ অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের নিকট অনুপস্থিতির মেসেজ, ফি ও বেতন কালেকশন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দৈনিক হাজিরার ফিঙ্গারপ্রিন্ট সহ আরো সুবিধা।

খন্দকার আইটি এর কর্ণধার খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাজ যেমন সহজ হবে তেমনি মোবাইল রেসপনসিভ হওয়ায় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ ও যোগাযোগ আরো কার্যকর হবে। ওয়েবসাইটঃ www.khandakarit.com মোবাইলঃ 01711-872335, 09639127221 ইমেইলঃ support@khandakarit.com

এই নিউজটি শেয়ার করুন

৩ দিনের মধ্যে ওয়েবসাইট না থাকার কারণ ব্যাখা চেয়েছে মাউশি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইট দিচ্ছে খন্দকার আইটি

প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
369

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি সহ যাদের ওয়েবসাইটের তথ্য এখনো হালনাগাদ করা হয়নি তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য দ্রুত হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবসাইট না থাকার কারণ এবং ওয়েবসাইট তৈরির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা তা ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইমেইলে (dd.hrm.dshe@gmail.com) এ ব্যাখ্যা দিতে প্রধান শিক্ষকদের প্রতি কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠি অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৪-২৫ অনুযায়ী অধিদপ্তরের আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে হালনাগাদকৃত সেবা প্রতিশ্রুতি ওয়েবসাইটে আপলোড ও প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করেনি। এ পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে মাউশি অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করেছে। একই সঙ্গে ওয়েবসাইট তৈরিতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সরকারি সেবাকে আরও সহজ ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ওয়েবসাইট না থাকায় নাগরিকরা প্রয়োজনীয় তথ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রুপান্তরের অংশ হিসেবে খন্দকার আইটি দিচ্ছে মাউশি-র নির্দেশনা অনুযায়ী edu.bd ডোমেইন ও হোস্টিং সহ পুর্নাঙ্গ স্কুল ও কলেজ ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট। কোনোরকম প্রযুক্তি দক্ষতা ও পূর্ব অভিজ্ঞতা
ছাড়াই খুব সহজেই এই ওয়েবসাইট পরিচালনা করা যায়।

এই ওয়েবসাইটের মধ্যে রয়েছে ১. প্রতিষ্ঠান পরিচিতি। ২.পাঠদানের অনুমতি ও স্বীকৃতি। ৩. শ্রেণি ও লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষার্থীর তথ্য। ৪. শ্রেণিভিত্তিক অনুমোদিত শাখার তথ্য। ৫. পাঠদানসংক্রান্ত তথ্য (শিক্ষকদের নামসহ পূর্ণাঙ্গ রুটিন, পাঠ্যসূচি, বিবিধ নোটিশ ইত্যাদি)। ৬. এমপিও। ৭. প্রতিষ্ঠানের ফোন বা মোবাইল নম্বরসহ যোগাযোগের ঠিকানা। ৮. তথ্যসেবা কেন্দ্রের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর। ৯. অভিযোগ নিষ্পত্তি কর্মকর্তার ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর। ১০. প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ সব শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য। ১১. ব্যবস্থাপনা কমিটির তথ্য। এছাড়াও রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী,অভিভাবকদের আলাদা লগইন করার সুযোগ। ক্লাস রুটিন, রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট, আইডি কার্ড, এডমিট কার্ড প্রিন্ট করা সহ অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের নিকট অনুপস্থিতির মেসেজ, ফি ও বেতন কালেকশন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দৈনিক হাজিরার ফিঙ্গারপ্রিন্ট সহ আরো সুবিধা।

খন্দকার আইটি এর কর্ণধার খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাজ যেমন সহজ হবে তেমনি মোবাইল রেসপনসিভ হওয়ায় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ ও যোগাযোগ আরো কার্যকর হবে। ওয়েবসাইটঃ www.khandakarit.com মোবাইলঃ 01711-872335, 09639127221 ইমেইলঃ support@khandakarit.com