ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ নজরুলের চেতনার আজ আরও বেশি প্রয়োজন-নাসের রহমান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

হাড়কাঁপানো শীতে ছিন্নমূল মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২৯০ বার পড়া হয়েছে
২৬৩

হাড়কাঁপানো শীতে ছিন্নমুল মানুষের পাশে উপজেলা প্রসাশন

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত কম্বল নিয়ে গভীর রাতে শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান। পৌষ মাসের তীব্র শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, বিশেষ করে চা-বাগান অধ্যুষিত ও দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষ যখন খড়কুটো জ্বালিয়ে কোনোমতে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন, ঠিক সেই সময় মানবিক সহায়তা নিয়ে হাজির হন ইউএনও।

 

বুধবার (৩১শে ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি কমলগঞ্জ পৌর এলাকার রেলওয়ে স্টেশন, বিভিন্ন বাজার ও ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুমন্ত অসহায় মানুষদের গায়ে নিজের হাতে কম্বল জড়িয়ে দেন। নীরব রাতের আঁধারে সরকারি এই উপহার পেয়ে অনেক শীতার্ত মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ কৃতজ্ঞতার ভাষা হারিয়ে ফেলেন, আবার কেউ চোঁখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই মানবিক উদ্যোগের সময় ইউএনও’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রকৃত অসহায়দের কাছেই কম্বল পৌঁছানো সম্ভব হয়। এ সময় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুজ্জামান আলম বলেন, ‘শীতের এই কঠিন সময়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এমন তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তার এই মানবিক উদ্যোগ দুস্থ মানুষের মাঝে আশার আলো জ্বালিয়েছে। সমাজের বিত্তবানরাও যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে কেউই আর শীতে এই পরিমাণ কষ্ট পাবে না। ’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেই রাতের আঁধারে এই ঝটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। যারা লোকলজ্জার ভয়ে দিনের বেলা সাহায্য নিতে পারেন না কিংবা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান—মূলত তারাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টার এই উপহার পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি শীতার্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

হাড়কাঁপানো শীতে ছিন্নমূল মানুষের পাশে উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের সময় : ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
২৬৩

হাড়কাঁপানো শীতে ছিন্নমুল মানুষের পাশে উপজেলা প্রসাশন

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত কম্বল নিয়ে গভীর রাতে শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান। পৌষ মাসের তীব্র শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, বিশেষ করে চা-বাগান অধ্যুষিত ও দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষ যখন খড়কুটো জ্বালিয়ে কোনোমতে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন, ঠিক সেই সময় মানবিক সহায়তা নিয়ে হাজির হন ইউএনও।

 

বুধবার (৩১শে ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি কমলগঞ্জ পৌর এলাকার রেলওয়ে স্টেশন, বিভিন্ন বাজার ও ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুমন্ত অসহায় মানুষদের গায়ে নিজের হাতে কম্বল জড়িয়ে দেন। নীরব রাতের আঁধারে সরকারি এই উপহার পেয়ে অনেক শীতার্ত মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কেউ কৃতজ্ঞতার ভাষা হারিয়ে ফেলেন, আবার কেউ চোঁখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই মানবিক উদ্যোগের সময় ইউএনও’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয় এবং প্রকৃত অসহায়দের কাছেই কম্বল পৌঁছানো সম্ভব হয়। এ সময় কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমেদুজ্জামান আলম বলেন, ‘শীতের এই কঠিন সময়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এমন তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। একজন সরকারি কর্মকর্তার এই মানবিক উদ্যোগ দুস্থ মানুষের মাঝে আশার আলো জ্বালিয়েছে। সমাজের বিত্তবানরাও যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে কেউই আর শীতে এই পরিমাণ কষ্ট পাবে না। ’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ‘তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেই রাতের আঁধারে এই ঝটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। যারা লোকলজ্জার ভয়ে দিনের বেলা সাহায্য নিতে পারেন না কিংবা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান—মূলত তারাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টার এই উপহার পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি শীতার্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।