ঢাকা , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্ত্রীর বিদেশ যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ: সন্তানদের বিষ খাইয়ে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা বাবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবদলের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান। কালীগঞ্জে কালভার্ট নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ স্থানীয়দের গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে লংমার্চ, রংপুরে কঠোর বার্তা শফিকুর রহমানের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক দুই চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন-পৌরসভার বিশেষ অভিযান শিবগঞ্জে মশক নিধন দিবসে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ নিখোঁজের একদিন পর লালমাই পাহাড়ে অপ্রতিমের রক্তাক্ত লাশ প্রতিবেদন প্রকাশের পরই শুরু হলো সড়ক প্রশস্তকরণ কাজ

জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০২:০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / 91 বার পড়া হয়েছে

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারির গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের কাছে এজাহার জমা দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মামলার বাদী হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের। এজাহারে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জে সমাবেশ করতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্তে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় তারা পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলের পাশের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ।

এজাহার জমা দেওয়ার পর রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বললেন, ‘রাতের মধ্যে যদি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়, তা হলে আমরা ধরে নেব দেশে অন্তত কিছুটা হলেও আইনের শাসন রয়েছে। আর যদি গ্রেফতার না করা হয়, তা হলে আমরা ধরে নেব এটি একটি মাফিয়া সরকার।’

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা সোনালী ব্যাংকের হবিগঞ্জ প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

হামলার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছের অনুসারী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী বলে অভিযোগ করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমালোচনা করায় এ হামলা হয়েছে। এতে একজন কর্মীর একটি চোখ নষ্ট হয়েছে, জেলা এনসিপির নেতা মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিনের হাত ভেঙেছে এবং তিনি নিজেও আঙুলে আঘাত পেয়েছেন। হামলার পর বুধবার মৌলভীবাজারের নির্ধারিত দুটি পদযাত্রা স্থগিত করে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি। এতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময় : ০২:০২:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারির গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের কাছে এজাহার জমা দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। মামলার বাদী হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের। এজাহারে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান রিয়াদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হবিগঞ্জে সমাবেশ করতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ সীমান্তে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যায় তারা পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জে প্রবেশের চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলের পাশের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ।

এজাহার জমা দেওয়ার পর রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বললেন, ‘রাতের মধ্যে যদি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়, তা হলে আমরা ধরে নেব দেশে অন্তত কিছুটা হলেও আইনের শাসন রয়েছে। আর যদি গ্রেফতার না করা হয়, তা হলে আমরা ধরে নেব এটি একটি মাফিয়া সরকার।’

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পথসভা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার পথে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা সোনালী ব্যাংকের হবিগঞ্জ প্রধান শাখায় আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে পৌঁছে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

হামলার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছের অনুসারী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী বলে অভিযোগ করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমালোচনা করায় এ হামলা হয়েছে। এতে একজন কর্মীর একটি চোখ নষ্ট হয়েছে, জেলা এনসিপির নেতা মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিনের হাত ভেঙেছে এবং তিনি নিজেও আঙুলে আঘাত পেয়েছেন। হামলার পর বুধবার মৌলভীবাজারের নির্ধারিত দুটি পদযাত্রা স্থগিত করে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে এনসিপি। এতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।