১০৪ বছর বয়সেও রেহাই নেই, জোড়া খুনের মামলায় নূর মুহাম্মদ কারাগারে
- প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 14 বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জে জোড়া খুনের মামলায় সাজা কমিয়ে নুর মুহাম্মদকে (১০৪) ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর আগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল বিচারিক আদালত।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আত্মসমর্পণের পর নুর মুহাম্মদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাটি করেছিলেন দোকানের মালিক মো. ফেরদৌস। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জের পপুলার স্টোরে জুয়েলারি দোকান পরিচালনা করতেন শহীদ মিয়া, শামসুদ্দীন ও ফেরদৌস।
এই দোকানে ছিল আটজন কর্মী।
বাঁধনের ওপর হামলাকারীর গ্রামের বাড়িতে তালা, আত্মগোপনে পরিবার
২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাত ১টা পর্যন্ত ঈদের বিক্রি করে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও দোকানের সিন্দুকে ১১০ ভরি স্বর্ণ রেখে চলে যান তারা। তবে রাতে দোকানে ছিলেন মোশাররফ হোসেন ও আ. কবির। ওই রাতে দোকানে ঢুকে টাকা ও স্বর্ণ ডাকাতি করা হয়।
বাধা দিলে দোকানে থাকা মোশাররফ ও কবিরকে হত্যা করে টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতদল।
মামলার তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন কিশোরগঞ্জ থানার এসআই আনোয়ার হোসেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। পরে মামলাটি বিচারের জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ পাঠানো হয়। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর তৎকালীন বিচারক মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আসামি হাবিবুর রহমান হাবিব, শাহ আলম, মইন উদ্দিন ওরফে মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি আসামি জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। মামলার বিচার চলাকালে মারা যান আসামি হারিছ মিয়া। পরে ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট আসামি আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। আর আসামি নুর মোহাম্মদের ১০ বছরের সাজা হয়।
























