ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঝড়ে গাছ পড়ে সাড়ে ৫ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ; এখন স্বাভাবিক গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম; সমন্বয়হীনতায় ঝূঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক মানের গেইট নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর আন্তর্জাতিক মে দিবসে কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারী-যুবক আটক এক হাতে রক্তের ব্যাগ অন্য হাতে কলমের ছোঁয়ায় এসএসসি পরীক্ষা সিনড নেতৃবৃন্দের সিলেট জেলার খাসিয়া সম্প্রদায়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভা টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত;কৃষকের কপালে ভাঁজ শ্রীমঙ্গলে দা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা আসামি ছিনতাই
গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক, চলাচলে ঝুঁকি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে
১০

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক, চলাচলে ঝুঁকি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

প্রকাশের সময় : ০৮:৪০:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
১০

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।