ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জ পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে পরামর্শকরন সভা-২ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ

নবীনগরে দখল-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
২০৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি এবং তার ভাই যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আতিক সরকার এবং জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ মিজানুর রহমান মজনু সরকার বক্তব্য দেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।

তারা আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই এই চক্রটি বাঙ্গরা বাজারের সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ বাজারের খালি জায়গায় ১৩টি ঘর নির্মাণ এবং মুরগি বাজারের সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২১ এপ্রিল সকালে চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি ও তার ভাই শফিক পুনরায় সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণের চেষ্টা করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এ সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করে নবীনগর থানায় নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বাজার কমিটির সভাপতি শামীম আহমেদের দায়ের করা মামলায় চেয়ারম্যান রবি, তার ছোট ভাই রুবেল মিয়া (৩৮) এবং মামাতো ভাই পলাশ মিয়া (৩৬)-কে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় মিছিলটি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে দখল-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
২০৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি এবং তার ভাই যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সরকারি জায়গা দখল ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আতিক সরকার এবং জিনদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ মিজানুর রহমান মজনু সরকার বক্তব্য দেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে।

তারা আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই এই চক্রটি বাঙ্গরা বাজারের সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ বাজারের খালি জায়গায় ১৩টি ঘর নির্মাণ এবং মুরগি বাজারের সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২১ এপ্রিল সকালে চেয়ারম্যান রবিউল আউয়াল রবি ও তার ভাই শফিক পুনরায় সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণের চেষ্টা করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এ সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাদের উদ্ধার করে নবীনগর থানায় নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বাজার কমিটির সভাপতি শামীম আহমেদের দায়ের করা মামলায় চেয়ারম্যান রবি, তার ছোট ভাই রুবেল মিয়া (৩৮) এবং মামাতো ভাই পলাশ মিয়া (৩৬)-কে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় মিছিলটি বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়