ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত গঙ্গাচড়ায় সংবাদ দিগন্তের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন গঙ্গাচড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় কঠোর নির্দেশনা, মণ্ডপে সতর্ক পাহারার তাগিদ গঙ্গাচড়ায় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্ব ধামইরহাটে ফ্যামিলি কার্ড ব্যাস্তবায়নে অবহিতকরন প্রেস কনফারেন্স চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন বিশেষ অভিযান ধামইরহাটে নানা আয়োজনে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত  ঢাকা-রিয়াদ রুটে ১০ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৩৪৩১ যাত্রী স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন, শেষে আত্মসমর্পণ স্বামীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে লেবুবাগান থেকে ১৭টি ককটেল উদ্ধার

নবীনগরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ১১:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪
  • / 753 বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট, আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এবং উপজেলা কৃষি অফিসের যৌথ উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে ব্রিধান ৯৫ ধানের নমুনা শস্য কর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ইব্রাহিম ইউনিয়নে শতাধিক কৃষকের উপস্থিতিতে শস্য কর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এ ধান চাষে ফলন পাওয়া যায় বিঘা প্রতি ২২ মন। শস্য কর্তন শেষে আলোচনা সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান মো: সিরাজুল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শিলা প্রমানিক, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সালাউদ্দিন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিয়াতুল হুসনা।

নবীনগরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে কৃষি জমির পরিমাণ কমছে। সেটি মাথায় নিয়ে অতিরিক্ত খাদ্যের চাহিদা পূরণে আমাদেরকে উন্নত জাতের ধান চাষ করে খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। আগাম জাতের ব্রি ৯৫ জাত অন্যান্য জাতের চেয়ে অধিক ফলনশীল।

এছাড়াও ব্রি ৯৫ ধানের সাথে অন্যান্য জাতের ধানের পার্থক্য হলো ওইসব ধানের যেখানে রোপন শুরু থেকে কর্তনের সময় লাগে ১৪০ থেকে ১৫০ দিন সেখানে এই ধানের লাগে মাত্র ১২০ দিন। এর ফলে অন্য ধানের চেয়ে প্রায় ১ মাস আগেই এই ধান কেটে কৃষকের উক্ত জমিতে সহজেই শীতকালীন ফসল আলু, সরিষা, মাষকালাইসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য আবাদ করে অধিক লাভবান হতে পারবে। ব্রি ৯৫ ধান গাছের উচ্চতা ৪ ফুট শক্ত কান্ড বা ডাঁটা হয়ে থাকে। ফলে বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না। রোগ বালাইও কম হয়। শতকরা ২০ ভাগ কম সারে এই ধান চাষ করা হয়। সোনালী রংয়ের ধান হয় মাঝারি চিকন। এই জাতের ধানের চালের ভাত হয় হালকা সুগন্ধীযুক্ত।

ট্যাগস :

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ১১:০০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট, আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এবং উপজেলা কৃষি অফিসের যৌথ উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে ব্রিধান ৯৫ ধানের নমুনা শস্য কর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ইব্রাহিম ইউনিয়নে শতাধিক কৃষকের উপস্থিতিতে শস্য কর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এ ধান চাষে ফলন পাওয়া যায় বিঘা প্রতি ২২ মন। শস্য কর্তন শেষে আলোচনা সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান মো: সিরাজুল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শিলা প্রমানিক, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সালাউদ্দিন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোছাঃ তানজিয়াতুল হুসনা।

নবীনগরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

এ সময় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে কৃষি জমির পরিমাণ কমছে। সেটি মাথায় নিয়ে অতিরিক্ত খাদ্যের চাহিদা পূরণে আমাদেরকে উন্নত জাতের ধান চাষ করে খাদ্যের উৎপাদন বাড়াতে হবে। আগাম জাতের ব্রি ৯৫ জাত অন্যান্য জাতের চেয়ে অধিক ফলনশীল।

এছাড়াও ব্রি ৯৫ ধানের সাথে অন্যান্য জাতের ধানের পার্থক্য হলো ওইসব ধানের যেখানে রোপন শুরু থেকে কর্তনের সময় লাগে ১৪০ থেকে ১৫০ দিন সেখানে এই ধানের লাগে মাত্র ১২০ দিন। এর ফলে অন্য ধানের চেয়ে প্রায় ১ মাস আগেই এই ধান কেটে কৃষকের উক্ত জমিতে সহজেই শীতকালীন ফসল আলু, সরিষা, মাষকালাইসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য আবাদ করে অধিক লাভবান হতে পারবে। ব্রি ৯৫ ধান গাছের উচ্চতা ৪ ফুট শক্ত কান্ড বা ডাঁটা হয়ে থাকে। ফলে বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না। রোগ বালাইও কম হয়। শতকরা ২০ ভাগ কম সারে এই ধান চাষ করা হয়। সোনালী রংয়ের ধান হয় মাঝারি চিকন। এই জাতের ধানের চালের ভাত হয় হালকা সুগন্ধীযুক্ত।