ঢাকা
,
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দিনের আলোয় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্নালংকার ছিনতাই
শীঘ্রই শমসেরনগর বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ
ফজরের নামাজে এসে লাশ হলো মুসল্লি; আটক-১
ঝড়ে গাছ পড়ে সাড়ে ৫ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ; এখন স্বাভাবিক
গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক
শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম; সমন্বয়হীনতায় ঝূঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য
ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক মানের গেইট নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর
আন্তর্জাতিক মে দিবসে কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারী-যুবক আটক
এক হাতে রক্তের ব্যাগ অন্য হাতে কলমের ছোঁয়ায় এসএসসি পরীক্ষা
বাড়ি ছাড়া নবদম্পতি পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় বাড়িতে
প্রতিনিধির নাম
- প্রকাশের সময় : ০১:০০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩
- / ২৫২ বার পড়া হয়েছে
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
সমাজপতিদের বাঁধায় ঘর ছাড়া সেই নবদম্পতি অবশেষে বাড়ি ফিরেছেন।মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের চেষ্টায় ওই নবদম্পতিকে অবশেষে মেনে নিয়েছেন সমাজপতিরা।
বুধবার (২৯ মার্চ) বিকেলে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের একটি দল তাদের বাড়ি পৌঁছে দেয়। এর আগে ওই নবদম্পতি মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন। পুলিশ সুপার সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ছেলে মৎসজীবী পরিবারের হওয়ায় তাদেরকে ঘরে তুলতে পারছিলেন না। সেই বিয়েকে অস্বীকার করেন স্থানীয় সমাজপতি ও গ্রামের মোড়লরা।
জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আপার কাগাবালা ইউনিয়নের উত্তর কাগাবলা গ্রামের ইমন মিয়ার সাথে গত ১৯ মার্চ সাতবাক গ্রামের পলি আক্তারের বিয়ে হয়।ধর্মীয় বিধান মেনে চার লাখ টাকা কাবিন নির্ধারণ করে নিকাহনামা রেজিস্টারের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়।
বিয়ের কথা এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর বাধা হয়ে দাঁড়ান স্থানীয় মুরব্বিরা। তাদের দাবি, প্রথা অনুযায়ী মৎস্যজীবী পরিবারের সঙ্গে বাইরের কারো বিয়ে হয় না। গত ২৫ মার্চ পলি আক্তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে পোস্ট দেওয়ার পর আলোচনায় আসে বিষয়টি।
বাড়ি ফিরে নবদম্পতি পলি আক্তার ও ইমন মিয়া বলেন, সমাজপতিদের ভয়ে আমরা আত্মগোপনে ছিলাম। আমরা বাড়ি ফিরেছি। সমাজ আমাদেরকে মেনে নিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের কারণে আমরা নতুন জীবন ফিরে পেলাম।
আপার কাগাবলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা বলেন, নবদম্পতি তাদের বাড়ি ফিরেছেন। গ্রামের সব পক্ষকে নিয়ে মডেল থানায় বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়। সেখানে সবাই একমত হয়েছে, তাদের সংসারে কেউ বাঁধা দেবেন না। আমরা তাদের মেনে নিয়েছি।
মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, সমাজের সবাই তাদের মেনে নিয়েছেন। বিষয়টির একটি সুন্দর সমাধান হয়েছে। যার কারণে নবদম্পতি বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। পুলিশের একটি টিম তাদেরকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।
ট্যাগস :


















