ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিষধর সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩
  • / ৩৫১ বার পড়া হয়েছে
১০২

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের হিরামতি গ্রামে বিষধর সাপের কামড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিহতের বিশ্বস্ত আত্মীয় প্রদীপ সিংহের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে হিরামতি গ্রামের বাবুল সিংহের স্ত্রী ঝর্ণা সিংহা (২৭) গরুর খাবারের জন্য বাড়ীর গোয়াল ঘরের পাশ থেকে কচু কাটতে যান। কচু কাটার সময় ঝর্ণা সিংহার বাম হাতে বিষধর সাপে কামড় দেয়। সাপে কামড় মারার পর ঝর্ণা ঘরে এসে লোকজনকে সাপে কামড়ে দেয়ার কথা বললে পরিবারের লোকজন কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে চিকিৎসার জন্য দ্রুত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সাপেড় কামড়ের ইঞ্জেকশন দিয়েও ঝর্ণাকে জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও ফয়সল জ্জামান বলেন, ঝর্ণাকে হাসপাতালে আনার পর আমরা সাপের কামড়ের ইঞ্জেকশন পোষ করি। তবে এর পূর্বে সাপের বিষ ঝর্ণার পুরো শরীরে ছড়িয়ে যাওয়ার কারনে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে হাসপাতাল থেকে ঝর্ণাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছ হস্তান্তর করলেও পরিবারের সদস্যরা ঝর্ণার শরীর গরম থাকার কারনে তাকে সৎকার না করে শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে বসবাসকারী স্থানীয় এক ওজার (সাপুড়ে) কাছে নিয়ে যায়। সেখানে সন্ধ্যা ৬টায় দিকে ঝর্ণা মারা গেছে বললে তার আত্মীয়রা লাশ সৎকার করার উদ্যোগ নেয়া হয় বলে স্থানীয় সুত্রের বরাতে জানা গেছে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

বিষধর সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০২:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩
১০২

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের হিরামতি গ্রামে বিষধর সাপের কামড়ে এক গৃহবধুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
নিহতের বিশ্বস্ত আত্মীয় প্রদীপ সিংহের বরাত দিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে হিরামতি গ্রামের বাবুল সিংহের স্ত্রী ঝর্ণা সিংহা (২৭) গরুর খাবারের জন্য বাড়ীর গোয়াল ঘরের পাশ থেকে কচু কাটতে যান। কচু কাটার সময় ঝর্ণা সিংহার বাম হাতে বিষধর সাপে কামড় দেয়। সাপে কামড় মারার পর ঝর্ণা ঘরে এসে লোকজনকে সাপে কামড়ে দেয়ার কথা বললে পরিবারের লোকজন কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে চিকিৎসার জন্য দ্রুত মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সাপেড় কামড়ের ইঞ্জেকশন দিয়েও ঝর্ণাকে জীবন যুদ্ধে পরাজিত হতে হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও ফয়সল জ্জামান বলেন, ঝর্ণাকে হাসপাতালে আনার পর আমরা সাপের কামড়ের ইঞ্জেকশন পোষ করি। তবে এর পূর্বে সাপের বিষ ঝর্ণার পুরো শরীরে ছড়িয়ে যাওয়ার কারনে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে হাসপাতাল থেকে ঝর্ণাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছ হস্তান্তর করলেও পরিবারের সদস্যরা ঝর্ণার শরীর গরম থাকার কারনে তাকে সৎকার না করে শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে বসবাসকারী স্থানীয় এক ওজার (সাপুড়ে) কাছে নিয়ে যায়। সেখানে সন্ধ্যা ৬টায় দিকে ঝর্ণা মারা গেছে বললে তার আত্মীয়রা লাশ সৎকার করার উদ্যোগ নেয়া হয় বলে স্থানীয় সুত্রের বরাতে জানা গেছে।