ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে ছুড়িকাঘাতে বৃদ্ধাকে হত্যা, ঘাতক আটক শ্রীমঙ্গলে জ্বালানি তেল মজুদে দুই ব্যক্তিকে ৩০হাজার টাকা জরিমানা আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষে কালীগঞ্জে ৬০ যুবক-যুবতীকে বিনামূল্য প্রশিক্ষণ প্রদান কুলাউড়ায় পরীক্ষা চলাকালীন ছাদে ধস, রক্ষা পেল শিক্ষার্থীরা ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ৩৫০ মুরগির মৃত্যু গাজীপুরের কালীগঞ্জে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন খলিলপুর ও মনুমূখ ইউনিয়নে”ওপেন হাউজ ডে”অনুষ্ঠিত জেলের জালে আটকা অজগর সাপ উদ্ধার চা শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ভাতা ৪৬৬৮ জন শ্রমিককে সৌমিত্র দেব কবি ও সাংবাদিকদের উজ্জ্বল আলো ছড়িয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

“ডা. সাবরিনার দুবার জন্ম, স্বামীও দুজন”

রিপু
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
৬৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || ডা. সাবরিনার দুবার জন্ম, স্বামীও দুজন|

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ডা. সাবরিনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে এনআইডি জালিয়াতির মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক রিপন উদ্দিন গত সপ্তাহে এ চার্জশিট দাখিল করেছেন। আজ শনিবার বিষয়টি জানা যায়। আগামী ২২ ডিসেম্বর চার্জশিটের বিষয়ে আদালতে শুনানি হবে।

চার্জশিটে বলা হয়, ১৯৭৬ সালের ২ ডিসেম্বর ডা. সাবরিনার সঠিক জন্ম তারিখ। তিনি ২০১৬ সালে দ্বিতীয় এনআইডিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম তারিখ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দেন। তিনি ১৯৯১ সালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০০০ সালে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৩ সালে জন্ম তারিখ ধরলে তিনি মাত্র আট বছর বয়সে এসএসসি ও ১৭ বছরে এমবিবিএস পাস করেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বয়স কমিয়ে জালিয়াতির উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় টিআইএন নম্বর পেয়েছেন এবং প্রতারণামূলকভাবে দ্বিতীয় এনআইডি খাটি দলিল হিসেবে তার অফিসে এইচআরআইএস-এ ব্যবহার করে পিআরএলের সময় বৃদ্ধি করায় পেনাল কোডের ৪৬৫/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অপরাধ করেছে।

২০২০ সালের ৩০ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বর্তমান সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেওয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী। এ মামলায় ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর জামিন পান সাবরিনা।

তবে গত ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট আসামিকে পৃথক তিন ধারায় ১১ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট

এই নিউজটি শেয়ার করুন

“ডা. সাবরিনার দুবার জন্ম, স্বামীও দুজন”

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২
৬৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিদিনের পোস্ট || ডা. সাবরিনার দুবার জন্ম, স্বামীও দুজন|

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় ১১ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ডা. সাবরিনা চৌধুরীর বিরুদ্ধে এনআইডি জালিয়াতির মামলায় চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক রিপন উদ্দিন গত সপ্তাহে এ চার্জশিট দাখিল করেছেন। আজ শনিবার বিষয়টি জানা যায়। আগামী ২২ ডিসেম্বর চার্জশিটের বিষয়ে আদালতে শুনানি হবে।

চার্জশিটে বলা হয়, ১৯৭৬ সালের ২ ডিসেম্বর ডা. সাবরিনার সঠিক জন্ম তারিখ। তিনি ২০১৬ সালে দ্বিতীয় এনআইডিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর জন্ম তারিখ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দেন। তিনি ১৯৯১ সালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০০০ সালে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ১৯৮৩ সালে জন্ম তারিখ ধরলে তিনি মাত্র আট বছর বয়সে এসএসসি ও ১৭ বছরে এমবিবিএস পাস করেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বয়স কমিয়ে জালিয়াতির উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় টিআইএন নম্বর পেয়েছেন এবং প্রতারণামূলকভাবে দ্বিতীয় এনআইডি খাটি দলিল হিসেবে তার অফিসে এইচআরআইএস-এ ব্যবহার করে পিআরএলের সময় বৃদ্ধি করায় পেনাল কোডের ৪৬৫/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অপরাধ করেছে।

২০২০ সালের ৩০ আগস্ট ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বর্তমান সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরিনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেওয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী। এ মামলায় ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর জামিন পান সাবরিনা।

তবে গত ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের শীর্ষ কর্মকর্তা ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট আসামিকে পৃথক তিন ধারায় ১১ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । রিপু /প্রতিদিনের পোস্ট