ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, সংকট চরমে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিরে সেমিতে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড মৌলভীবাজারে নদ নদীর পানি কমতে শুরু করলেও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্তদের খোঁজ নিতে; জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারে বাড়ছে নদ নদীর পানি; বন্যার শঙ্কা “দেশের গরীব ও অসহায় সাধারণ মানুষ সুবিধা পাওয়া শুরু করেছে” এমপি ফজলুল হক মিলন “জুলাই সনদকে অস্বীকার করছে বিএনপি”এমপি নাহিদ ইসলাম খন্দকার মো. আলমগীর হোসেন-এর জন্মদিন আজ নজরুলের চেতনার আজ আরও বেশি প্রয়োজন-নাসের রহমান আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৫ সদস্য অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

নবীনগরে রাস্তার কাজ শেষ না হতেই উচ্ছেদ করা দুইপাশ পূনরায় দখল, যানজটে অতিষ্ঠ জনসাধারণ

মোঃ আলমগীর খন্দকার, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০১:২০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে
১০৩

মোঃ আলমগীর খন্দকার, প্রতিদিনের পোস্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়কের রাস্তা প্রসস্থকরনের কাজ শেষ হতে না হতেই বাঙ্গরা বাজার নামক স্থানের দুইপাশে শতাধিক ছোট ছোট ছাপড়া ও ভাসমান দোকান স্থাপন করায় প্রতিনিয়ত তীব্র যানযট সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিষন্ন হয়ে পড়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,পূর্বের দখলদাররা তাদের উচ্ছেদ করে দেয়া জায়গায় পূনরায় দখল করার কৌশল হিসেবে বাঁশ আর কাপড় দিয়ে ছোট ছোট ছাপড়া করে মিষ্টির দোকান সহ নানা ধরনের দোকান বসিয়েছে। এতে করে রাস্তার দুইপাশ দখল সহ হ্রদ খালটিও দখলের কবলে পড়েছে। এসব দোকানে মালমাল ক্রয় করতে আসা ক্রেতারা মূল সড়কের উপর দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করায় নবীনগর টু চট্টগ্রাম ও নবীনগর টু ঢাকাগামী শত শত যানবাহনের তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয় এতে করে যাত্রী সাধারণকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য এখানে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট করা মালিক পক্ষ থেকে উচ্ছেদ ঠেকাতে একটি প্রভাবশালী চক্র বার্ষিক কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্য করে আসছিল, এবিষয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর সরকারিভাবে সকল অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

এবিষয়ে সড়কের ও হ্রদ খাল দখল করা বিকাশের দোকানি তাপস, ফল দোকানি মোঃ বাছির, পান দোকানি আবুল কালাম, মিষ্টি দোকানি বীর চন্দ্র জানান, উচ্ছেদের পূর্বে তাদের দোকান ছিল তাই পূনরায় তারা জীবিকার তাগিদে দোকান দিয়েছে, এখন আর ভাড়া দিতে হচ্ছে না। তবে তারা অপেক্ষায় আছে একটি অদৃশ্য শক্তি থেকে আদেশ আসলে স্থায়ী স্থাপনা করে দোকানপাট করবে। আর সরকার উচ্ছেদ করে দিলে চলে যাবে।

উচ্ছেদ করার পরও রাস্তার কাজ শেষ হতে না হতেই পূনরায় দখল হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, রাস্তার পশ্চিম পাশে এখনও আমাদের ব্লক বসানোর কাজ শেষ হয়নি, আমরা ব্লক বসানো শুরু করলে এমনিতেই সবাইকে চলে যেতে হবে।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে রাস্তার কাজ শেষ না হতেই উচ্ছেদ করা দুইপাশ পূনরায় দখল, যানজটে অতিষ্ঠ জনসাধারণ

প্রকাশের সময় : ০১:২০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
১০৩

মোঃ আলমগীর খন্দকার, প্রতিদিনের পোস্ট: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়কের রাস্তা প্রসস্থকরনের কাজ শেষ হতে না হতেই বাঙ্গরা বাজার নামক স্থানের দুইপাশে শতাধিক ছোট ছোট ছাপড়া ও ভাসমান দোকান স্থাপন করায় প্রতিনিয়ত তীব্র যানযট সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিষন্ন হয়ে পড়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,পূর্বের দখলদাররা তাদের উচ্ছেদ করে দেয়া জায়গায় পূনরায় দখল করার কৌশল হিসেবে বাঁশ আর কাপড় দিয়ে ছোট ছোট ছাপড়া করে মিষ্টির দোকান সহ নানা ধরনের দোকান বসিয়েছে। এতে করে রাস্তার দুইপাশ দখল সহ হ্রদ খালটিও দখলের কবলে পড়েছে। এসব দোকানে মালমাল ক্রয় করতে আসা ক্রেতারা মূল সড়কের উপর দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করায় নবীনগর টু চট্টগ্রাম ও নবীনগর টু ঢাকাগামী শত শত যানবাহনের তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয় এতে করে যাত্রী সাধারণকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য এখানে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানপাট করা মালিক পক্ষ থেকে উচ্ছেদ ঠেকাতে একটি প্রভাবশালী চক্র বার্ষিক কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্য করে আসছিল, এবিষয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর সরকারিভাবে সকল অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

এবিষয়ে সড়কের ও হ্রদ খাল দখল করা বিকাশের দোকানি তাপস, ফল দোকানি মোঃ বাছির, পান দোকানি আবুল কালাম, মিষ্টি দোকানি বীর চন্দ্র জানান, উচ্ছেদের পূর্বে তাদের দোকান ছিল তাই পূনরায় তারা জীবিকার তাগিদে দোকান দিয়েছে, এখন আর ভাড়া দিতে হচ্ছে না। তবে তারা অপেক্ষায় আছে একটি অদৃশ্য শক্তি থেকে আদেশ আসলে স্থায়ী স্থাপনা করে দোকানপাট করবে। আর সরকার উচ্ছেদ করে দিলে চলে যাবে।

উচ্ছেদ করার পরও রাস্তার কাজ শেষ হতে না হতেই পূনরায় দখল হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, রাস্তার পশ্চিম পাশে এখনও আমাদের ব্লক বসানোর কাজ শেষ হয়নি, আমরা ব্লক বসানো শুরু করলে এমনিতেই সবাইকে চলে যেতে হবে।