ঢাকা , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে
১২

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের ১০নং নাজিরাবাদ ইউনিয়নের কমলাকলস এলাকার বাসিন্দা মো: লিটন বকস্ (পিতা: মো: ফিরোজ বকস্) বুধবার (৬ই মে) বিকাল ৫ টায় মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন যে, তার মৌরসী সম্পত্তির উপর নির্মিত ফিশারি ও গরুর ফার্মের ঘর এলাকার কিছু দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক ভেঙে ফেলেছে। বর্তমানে ওই সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও দুর্বৃত্তরা জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে এবং তাকে সপরিবারে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

তিনি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মামলা বিচারাধীন সম্পত্তিতে অনুপ্রবেশ, অবকাঠামো ধ্বংস (ফিশারি ও ফার্মের ঘর) এবং জমি দখলের চেষ্টা। পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জীবনের নিরাপত্তা এবং পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষায় আইনি সুরক্ষার দাবি ও জানিয়েছেন।
আমদের পিতা, চাচা এরশাদ বকস্, মনির বকস, মুকিদ বকস, ফিরোজ বকস ৪ জন ছিলেন। মৌরসী সুত্রে আমাদের গোবিন্দপুর মৌজার জে এল নং- ১৬১, এসএ খতিয়ান ৮, এসে দাগ নং- ৪৩০, এর ৪০.৬৩০ একর জমি ।
গত সেটেলমেন্ট জরিপ চলাকালীন ভুল ক্রমে বাংলাদেশ সরকারের মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হয়ে যায়।

যার তপশীল মৌজায় গোবিন্দপুর, জেএল নং ১৬২, এস,এ খতিয়ান নং ৮, আর এস খতিয়ান নং- ১. এস এ দাগ- ৪৩০
এব্যাপারে মৌলভীবাজার যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মৌলভীবাজার ল্যান্ড সার্ভে মামলা নং ২১০/২০১৪ চলমান।

এব্যাপারে মৌলভীবাজার যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মৌলভীবাজার শামছুল আরেফিন, আব্দুল হায়াত ফরহাদ, পিতা: লুৎফুর রহমান, মাহবুব বকস্ পিতা: এরশাদ বকস্ গং কয়েকজন এই মামলায় ২০ একর জমি মালিকানা দাবী করে আদালতে পক্ষ হন।

উল্লেখিত দাগ গুলোর মধ্যে শ্রীখাইল হাওর গবিন্দপুর ১৩.৫০ একর জমির মধ্যে দীর্ঘ ১৮/২০ বছর যাবৎ একটি ফিসারী ও গরুর ফার্ম পরিচালনা করে আসছি।
এখানে একটি বড় পাকা বিল্ডিং এ আমাদের কেয়ার টেকার রোপন মিয়া তার স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে। এবং গরুর খামারের গরু ছিল। গত ২৭/০৪/২৬ ইং আমাদের মা মারাত্নক অসুস্থ হওয়ায় তাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে সিলেট একটি ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাই।
এই সুজুগে ২৭/০৪/২০২৬ইং রোজঃ সোমবার, দুপুর অনুমান ০১:০০ ঘটিকায় ফরহাদ মিয়া (৩২), পিতা- মৃত শামীম মিয়া, মোঃ নোমান মিয়া(৪২), পিতা-মৃত শামীম মিয়া, সাং-বাহারমর্দ্দন, ১১নং মোস্তফাপুর ইউপি, সাং-ছিকরাইল, ১০নং নাজিরাবাদ ইউপি, মৌলভীবাজার সদর, থানা ও জেলা-মৌলভীবাজারসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭০/৮০ জন বেআইনী জনতাবদ্ধে মিলিত হয়ে অনধিকার প্রবেশ করে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাহাদের হাতে থাকা , দা, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকু, স্টেপ, কাটের রোল, লোহার রড, জিআইপাইপ, হাতুড়ি, হেমারসহ ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
এখানে অবস্থিত স্থানে একটি গরুর ফার্ম এর নিমার্ণাধীন ঘর হাতুরি হেমারসহ ইত্যাদি যাবতীয় বিল্ডিং ভাংচুর করার যন্ত্রাংশ দিয়ে ফার্ম ভাংচুর করে। যাহার মূলা- ১০,০০০০০/= (দশ লক্ষ) টাকা। ফার্ম ঘর থেকে ৬টি গরু নিয়া যায়,যাহার বাজার মূল্য ৬,০০০০০/= (ছয় লক্ষ) টাকা। উক্ত স্থানে ৫০ বস্তা মাছের খাদ্য ও গরুর খাদ্য ভুশি, কইল, ১০ বস্তু, ৪ টিন সিটা, ১৬ কুড়া ৩টি সাইফন ইঞ্জিন, ৬টি ফ্যান, ১টি কারেন্টের মিটারসহ অন্যান্য যাবতীয় জিনিসপত্র সকল বিবাদীগণ লুট করিয়া নিয়া যায়।
একটি টিন সেট ঘর উল্লেখিত ব্যক্তিরা ভাংচুর করে যাহার বাজার মূল্য ১,৫০,০০০/= (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

আমাদের ফিসারীর মধ্যে পাইপ লাগিয়ে মাছ ছেড়ে দেয়। যাহার বাজার মূল্যা ৩০০,০০০/= (তিন লক্ষ) টাকা। সর্বমোট ২০,৫০,০০০/= (বিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ক্ষতি সাধন করে হাতে থাকা অস্ত্র, দা, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকু, স্টেপ, কাটের রোল, লোহার রড, জিআই পাইপ সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করায় ভয়ে আসে পাশের কেউ কথা বলে নাই। তাৎক্ষনিক সময়ে আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি অবগত করিলে। আমি ৯৯৯ নাম্বারে কল দিলে, মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার এএসআই মাহবুব মাতব্বর সহ মডেল থানা পুলিশ টিম ঘটনা স্থলে যান। ঘটনার তারিখ ও সময় আমার মা অসুস্থ অবস্থায় সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আই, সি, ইউ, তে ছিলেন আমিও তাহার সাথে হাসপাতালে ছিলাম। এরপর বাড়িতে এসে মডেল থানায় মামলা করতে গেলে অজ্ঞাত কারনে পুলিশ মামলা নেয়নি।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
১২

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের ১০নং নাজিরাবাদ ইউনিয়নের কমলাকলস এলাকার বাসিন্দা মো: লিটন বকস্ (পিতা: মো: ফিরোজ বকস্) বুধবার (৬ই মে) বিকাল ৫ টায় মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন যে, তার মৌরসী সম্পত্তির উপর নির্মিত ফিশারি ও গরুর ফার্মের ঘর এলাকার কিছু দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক ভেঙে ফেলেছে। বর্তমানে ওই সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও দুর্বৃত্তরা জমি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে এবং তাকে সপরিবারে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।

তিনি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মামলা বিচারাধীন সম্পত্তিতে অনুপ্রবেশ, অবকাঠামো ধ্বংস (ফিশারি ও ফার্মের ঘর) এবং জমি দখলের চেষ্টা। পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জীবনের নিরাপত্তা এবং পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষায় আইনি সুরক্ষার দাবি ও জানিয়েছেন।
আমদের পিতা, চাচা এরশাদ বকস্, মনির বকস, মুকিদ বকস, ফিরোজ বকস ৪ জন ছিলেন। মৌরসী সুত্রে আমাদের গোবিন্দপুর মৌজার জে এল নং- ১৬১, এসএ খতিয়ান ৮, এসে দাগ নং- ৪৩০, এর ৪০.৬৩০ একর জমি ।
গত সেটেলমেন্ট জরিপ চলাকালীন ভুল ক্রমে বাংলাদেশ সরকারের মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের নামে রেকর্ড হয়ে যায়।

যার তপশীল মৌজায় গোবিন্দপুর, জেএল নং ১৬২, এস,এ খতিয়ান নং ৮, আর এস খতিয়ান নং- ১. এস এ দাগ- ৪৩০
এব্যাপারে মৌলভীবাজার যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসককে বিবাদী করে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, মৌলভীবাজার ল্যান্ড সার্ভে মামলা নং ২১০/২০১৪ চলমান।

এব্যাপারে মৌলভীবাজার যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে মৌলভীবাজার শামছুল আরেফিন, আব্দুল হায়াত ফরহাদ, পিতা: লুৎফুর রহমান, মাহবুব বকস্ পিতা: এরশাদ বকস্ গং কয়েকজন এই মামলায় ২০ একর জমি মালিকানা দাবী করে আদালতে পক্ষ হন।

উল্লেখিত দাগ গুলোর মধ্যে শ্রীখাইল হাওর গবিন্দপুর ১৩.৫০ একর জমির মধ্যে দীর্ঘ ১৮/২০ বছর যাবৎ একটি ফিসারী ও গরুর ফার্ম পরিচালনা করে আসছি।
এখানে একটি বড় পাকা বিল্ডিং এ আমাদের কেয়ার টেকার রোপন মিয়া তার স্বপরিবারে বসবাস করে আসছে। এবং গরুর খামারের গরু ছিল। গত ২৭/০৪/২৬ ইং আমাদের মা মারাত্নক অসুস্থ হওয়ায় তাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে সিলেট একটি ক্লিনিকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাই।
এই সুজুগে ২৭/০৪/২০২৬ইং রোজঃ সোমবার, দুপুর অনুমান ০১:০০ ঘটিকায় ফরহাদ মিয়া (৩২), পিতা- মৃত শামীম মিয়া, মোঃ নোমান মিয়া(৪২), পিতা-মৃত শামীম মিয়া, সাং-বাহারমর্দ্দন, ১১নং মোস্তফাপুর ইউপি, সাং-ছিকরাইল, ১০নং নাজিরাবাদ ইউপি, মৌলভীবাজার সদর, থানা ও জেলা-মৌলভীবাজারসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭০/৮০ জন বেআইনী জনতাবদ্ধে মিলিত হয়ে অনধিকার প্রবেশ করে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে তাহাদের হাতে থাকা , দা, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকু, স্টেপ, কাটের রোল, লোহার রড, জিআইপাইপ, হাতুড়ি, হেমারসহ ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
এখানে অবস্থিত স্থানে একটি গরুর ফার্ম এর নিমার্ণাধীন ঘর হাতুরি হেমারসহ ইত্যাদি যাবতীয় বিল্ডিং ভাংচুর করার যন্ত্রাংশ দিয়ে ফার্ম ভাংচুর করে। যাহার মূলা- ১০,০০০০০/= (দশ লক্ষ) টাকা। ফার্ম ঘর থেকে ৬টি গরু নিয়া যায়,যাহার বাজার মূল্য ৬,০০০০০/= (ছয় লক্ষ) টাকা। উক্ত স্থানে ৫০ বস্তা মাছের খাদ্য ও গরুর খাদ্য ভুশি, কইল, ১০ বস্তু, ৪ টিন সিটা, ১৬ কুড়া ৩টি সাইফন ইঞ্জিন, ৬টি ফ্যান, ১টি কারেন্টের মিটারসহ অন্যান্য যাবতীয় জিনিসপত্র সকল বিবাদীগণ লুট করিয়া নিয়া যায়।
একটি টিন সেট ঘর উল্লেখিত ব্যক্তিরা ভাংচুর করে যাহার বাজার মূল্য ১,৫০,০০০/= (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

আমাদের ফিসারীর মধ্যে পাইপ লাগিয়ে মাছ ছেড়ে দেয়। যাহার বাজার মূল্যা ৩০০,০০০/= (তিন লক্ষ) টাকা। সর্বমোট ২০,৫০,০০০/= (বিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ক্ষতি সাধন করে হাতে থাকা অস্ত্র, দা, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, চাকু, স্টেপ, কাটের রোল, লোহার রড, জিআই পাইপ সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করায় ভয়ে আসে পাশের কেউ কথা বলে নাই। তাৎক্ষনিক সময়ে আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি অবগত করিলে। আমি ৯৯৯ নাম্বারে কল দিলে, মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার এএসআই মাহবুব মাতব্বর সহ মডেল থানা পুলিশ টিম ঘটনা স্থলে যান। ঘটনার তারিখ ও সময় আমার মা অসুস্থ অবস্থায় সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আই, সি, ইউ, তে ছিলেন আমিও তাহার সাথে হাসপাতালে ছিলাম। এরপর বাড়িতে এসে মডেল থানায় মামলা করতে গেলে অজ্ঞাত কারনে পুলিশ মামলা নেয়নি।