ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক মানের গেইট নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর আন্তর্জাতিক মে দিবসে কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারী-যুবক আটক এক হাতে রক্তের ব্যাগ অন্য হাতে কলমের ছোঁয়ায় এসএসসি পরীক্ষা সিনড নেতৃবৃন্দের সিলেট জেলার খাসিয়া সম্প্রদায়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভা টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত;কৃষকের কপালে ভাঁজ শ্রীমঙ্গলে দা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা আসামি ছিনতাই মুক্তার হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নবীনগরে ঘুষিতে দুধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনের জেরে প্রবাসী নারীর ওপর হামলা

জুমার দিন ভালো পোশাক পরিধানের বিষয়ে যা বলেছেন নবীজি

ধর্ম ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২
  • / ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || জুমার দিন ভালো পোশাক পরিধানের বিষয়ে যা বলেছেন নবীজি।

মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ মর্যাদা রাখে যে দিনগুলো শুক্রবার হলো তার একটি। এর গুরুত্ব ও মর্যাদা সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর মধ্যে এতো বেশি যে একে বলা হয়েছে সপ্তাহের ঈদের দিন। এবং এদিনে ফজিলত রাখা হয়েছে আমলের জন্য। এই দিনে যিনি পবিত্র কোরআনের সুরায়ে কাহাফ তেলাওয়াত করবেন, তিনি শেষ জামানায় রক্ষা পাবেন দাজ্জালের ফেতনা থেকে।

দাজ্জাল যখন মানুষকে সৎপথ থেকে বিপথে নিয়ে দাঁড় করাবে আল্লাহর বিরুদ্ধে এবং বিভিন্নভাবে চেষ্টা করবে বিভ্রান্ত করার সেই কঠিন মুহুর্তে জুমার দিনে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতকারী আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে রক্ষা পাবে। আঁকড়ে ধরতে পারবে সিরাতুল মুস্তাকিম। দাজ্জালের ধোঁকা সরল পথ থেকে তাকে বিচ্যুত করতে পারবে না।

হজরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন তিলাওয়াত করবে সুরা কাহাফ, সে আট দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে সবধরনের ফেৎনা থেকে। যদি দাজ্জাল বের হয় তবে সে নিরাপদ থাকবে দাজ্জালের ফিৎনা থেকেও।

হজরত আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। -(সহিহ মুসলিম : ৮০৯, আবু দাউদ : ৪৩২৩)

জুমার আরো কিছু আমলের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে- এক. গোসল করা। দুই. উত্তম পোশাক পরিধান করা। তিন. সুগন্ধি ব্যবহার করা। চার. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা।

এই চারটি আমলের কথা একসঙ্গে একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন—

যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার দিন উত্তম পোশাক পরিধান করবে এবং ব্যবহার করবে সুগন্ধি, তার নিকট যদি থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত থাকে চুপ করে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সমস্ত সগিরা গুনাহর জন্য কাফ্ফারা হবে।-(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

জুমার দিন ভালো পোশাক পরিধানের বিষয়ে যা বলেছেন নবীজি

প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

ধর্ম ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || জুমার দিন ভালো পোশাক পরিধানের বিষয়ে যা বলেছেন নবীজি।

মুসলিম উম্মাহর কাছে বিশেষ মর্যাদা রাখে যে দিনগুলো শুক্রবার হলো তার একটি। এর গুরুত্ব ও মর্যাদা সপ্তাহের অন্য দিনগুলোর মধ্যে এতো বেশি যে একে বলা হয়েছে সপ্তাহের ঈদের দিন। এবং এদিনে ফজিলত রাখা হয়েছে আমলের জন্য। এই দিনে যিনি পবিত্র কোরআনের সুরায়ে কাহাফ তেলাওয়াত করবেন, তিনি শেষ জামানায় রক্ষা পাবেন দাজ্জালের ফেতনা থেকে।

দাজ্জাল যখন মানুষকে সৎপথ থেকে বিপথে নিয়ে দাঁড় করাবে আল্লাহর বিরুদ্ধে এবং বিভিন্নভাবে চেষ্টা করবে বিভ্রান্ত করার সেই কঠিন মুহুর্তে জুমার দিনে সুরা কাহাফ তেলাওয়াতকারী আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহে রক্ষা পাবে। আঁকড়ে ধরতে পারবে সিরাতুল মুস্তাকিম। দাজ্জালের ধোঁকা সরল পথ থেকে তাকে বিচ্যুত করতে পারবে না।

হজরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন তিলাওয়াত করবে সুরা কাহাফ, সে আট দিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে সবধরনের ফেৎনা থেকে। যদি দাজ্জাল বের হয় তবে সে নিরাপদ থাকবে দাজ্জালের ফিৎনা থেকেও।

হজরত আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। -(সহিহ মুসলিম : ৮০৯, আবু দাউদ : ৪৩২৩)

জুমার আরো কিছু আমলের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে- এক. গোসল করা। দুই. উত্তম পোশাক পরিধান করা। তিন. সুগন্ধি ব্যবহার করা। চার. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা।

এই চারটি আমলের কথা একসঙ্গে একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন—

যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার দিন উত্তম পোশাক পরিধান করবে এবং ব্যবহার করবে সুগন্ধি, তার নিকট যদি থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত থাকে চুপ করে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সমস্ত সগিরা গুনাহর জন্য কাফ্ফারা হবে।-(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)