ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফজরের নামাজে এসে লাশ হলো মুসল্লি; আটক-১ ঝড়ে গাছ পড়ে সাড়ে ৫ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ; এখন স্বাভাবিক গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম; সমন্বয়হীনতায় ঝূঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের আধুনিক মানের গেইট নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর আন্তর্জাতিক মে দিবসে কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারী-যুবক আটক এক হাতে রক্তের ব্যাগ অন্য হাতে কলমের ছোঁয়ায় এসএসসি পরীক্ষা সিনড নেতৃবৃন্দের সিলেট জেলার খাসিয়া সম্প্রদায়ের সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভা টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত;কৃষকের কপালে ভাঁজ

নবীনগরে আধুনিক জাতের ধান আবাদ নিয়ে মতবিনিময় সভা

মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩
  • / ৫৬৮ বার পড়া হয়েছে
১০১

মোঃ আলমগীর হোসেন, নবীনগর প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নতুন জাতের ধান আবাদ বৃদ্ধি নিয়ে স্থানীয় অগ্রসরমান কৃষক, বিসিআইসি, বিএডিসি বীজ ও সার ডিলার এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলা কৃষি অফিসে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার পরিমল চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রফিকুল ইসলাম, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মামুনুর রশীদ, নবীনগর উপজেলায় বোরো মৌসুমে ১৮,০৪০ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়।

গত বছর ব্রিধান২৮ আবাদ হয় ৪০৮৮ হেক্টর জমিতে এবং ব্রিধান ২৯ আবাদ হয় ৪৯২৫ হেক্টর জমিতে। চিকন চাল এবং খেতে সুস্বাদু হিসেবে কৃষক পর্যায়ে গত দুই দশক ধরে দারুণ জনপ্রিয় এই দুটি জাত। বিশেষ করে হাওরে আগাম জাত হিসেবে ব্রিধান ২৮ খুবই জনপ্রিয় জাত। বীজতলা থেকে ধান কর্তন পর্যন্ত সময় লাগে ১৪০ দিন। কিন্তু গত চার বছর সারাদেশেই ব্রিধান ২৮ এবং ব্রিধান ২৯ আবাদ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক। গত বোরো মৌসুমে ৪৫ হেক্টর জমি ব্লাষ্ট রোগের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অধিকাংশ জমির গড় ফলন উন্নত জাতের চেয়েও প্রতি ছয় থেকে আট মন কম হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা ব্রিধান ২৮ এর বিকল্প হিসেবে ব্রিধান ৮৮ এবং ব্রিধান ৯৬ আবাদ করতে পরামর্শ দিচ্ছেন। অন্যদিকে ব্রিধান ২৯ এর পরিবর্তে ব্রিধান ৮৯, ব্রিধান ৯২, বঙ্গবন্ধু ১০০, বিনাধান ২৫ আবাদ করতে আমরা কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করে আসছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে তাই গড় ফলন বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেজন্য পুরাতন জাত বাদ দিয়ে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সেলক্ষ্য সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে আধুনিক জাতের ধান আবাদ নিয়ে মতবিনিময় সভা

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩
১০১

মোঃ আলমগীর হোসেন, নবীনগর প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নতুন জাতের ধান আবাদ বৃদ্ধি নিয়ে স্থানীয় অগ্রসরমান কৃষক, বিসিআইসি, বিএডিসি বীজ ও সার ডিলার এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৩ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলা কৃষি অফিসে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে ও উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার পরিমল চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রফিকুল ইসলাম, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মামুনুর রশীদ, নবীনগর উপজেলায় বোরো মৌসুমে ১৮,০৪০ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়।

গত বছর ব্রিধান২৮ আবাদ হয় ৪০৮৮ হেক্টর জমিতে এবং ব্রিধান ২৯ আবাদ হয় ৪৯২৫ হেক্টর জমিতে। চিকন চাল এবং খেতে সুস্বাদু হিসেবে কৃষক পর্যায়ে গত দুই দশক ধরে দারুণ জনপ্রিয় এই দুটি জাত। বিশেষ করে হাওরে আগাম জাত হিসেবে ব্রিধান ২৮ খুবই জনপ্রিয় জাত। বীজতলা থেকে ধান কর্তন পর্যন্ত সময় লাগে ১৪০ দিন। কিন্তু গত চার বছর সারাদেশেই ব্রিধান ২৮ এবং ব্রিধান ২৯ আবাদ করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক। গত বোরো মৌসুমে ৪৫ হেক্টর জমি ব্লাষ্ট রোগের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অধিকাংশ জমির গড় ফলন উন্নত জাতের চেয়েও প্রতি ছয় থেকে আট মন কম হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা ব্রিধান ২৮ এর বিকল্প হিসেবে ব্রিধান ৮৮ এবং ব্রিধান ৯৬ আবাদ করতে পরামর্শ দিচ্ছেন। অন্যদিকে ব্রিধান ২৯ এর পরিবর্তে ব্রিধান ৮৯, ব্রিধান ৯২, বঙ্গবন্ধু ১০০, বিনাধান ২৫ আবাদ করতে আমরা কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করে আসছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে তাই গড় ফলন বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেজন্য পুরাতন জাত বাদ দিয়ে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সেলক্ষ্য সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।