ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে বাল্য বিয়ের অপরাধে কনের পিতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড নবীনগরে চার বছরের শিশুসহ মা নিখোঁজ লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে মদ খেয়ে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছি: সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের চেষ্টা, প্রতিবেশী বৃদ্ধদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঝিকরগাছা নাভারনে মসজিদের কাজে বিএনপি নেতার বাঁধা, মুসল্লিদের ক্ষোভ নামজারিতে ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এমপি আব্দুল মান্নানের কঠোর হুঁশিয়ারি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারের পাশে; প্রধানমন্ত্রী ৯৯৯-এ ফোনে ১০ পর্যটক ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী উদ্ধার

নবীনগরে চার বছরের শিশুসহ মা নিখোঁজ

খন্দকার মোঃ আলমগীর হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের জল্লি গ্রামের বাসিন্দা ও জীবনগঞ্জ বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিজয় দেবনাথের স্ত্রী মুক্তা রাণী দেবনাথ (২২) এবং তাদের চার বছর বয়সী একমাত্র ছেলে উৎসব দেবনাথ (৪) গত তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার দিন রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে নবীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। তবে তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

থানায় দায়ের করা জিডির নম্বর ১২৪৮, তারিখ ২২ জুলাই ২০২৬।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২২ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মুক্তা রাণী দেবনাথ ছেলে উৎসবকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরিবারের সদস্যদের তিনি জানান, রাহাত আলী শাহ্‌র মাজারে যাবেন। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে স্বামী বিজয় দেবনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজ মুক্তার স্বামী বিজয় দেবনাথ জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা মুক্তা রাণীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে উৎসব নামে চার বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

তিনি বলেন, “গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে আমার স্ত্রী ছেলে উৎসবকে নিয়ে রাহাত আলী শাহ্‌র মাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর ফিরে আসেনি। গত তিনদিন ধরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান পাইনি। পরে নবীনগর থানায় একটি জিডি করেছি।”

এদিকে, মা-ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিভিন্ন মহলে ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও এর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “মা-ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। দ্রুত তাদের সন্ধান মিলুক এটাই সবার প্রত্যাশা।”

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, “নিখোঁজ মুক্তা রাণীর স্বামী থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এটি অপহরণ, স্বেচ্ছায় চলে যাওয়া নাকি অন্য কোনো ঘটনা তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছি।”

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

নবীনগরে চার বছরের শিশুসহ মা নিখোঁজ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের জল্লি গ্রামের বাসিন্দা ও জীবনগঞ্জ বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিজয় দেবনাথের স্ত্রী মুক্তা রাণী দেবনাথ (২২) এবং তাদের চার বছর বয়সী একমাত্র ছেলে উৎসব দেবনাথ (৪) গত তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার দিন রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে নবীনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। তবে তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

থানায় দায়ের করা জিডির নম্বর ১২৪৮, তারিখ ২২ জুলাই ২০২৬।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২২ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মুক্তা রাণী দেবনাথ ছেলে উৎসবকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরিবারের সদস্যদের তিনি জানান, রাহাত আলী শাহ্‌র মাজারে যাবেন। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে স্বামী বিজয় দেবনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

নিখোঁজ মুক্তার স্বামী বিজয় দেবনাথ জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বাসিন্দা মুক্তা রাণীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে উৎসব নামে চার বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

তিনি বলেন, “গত বুধবার সকাল ১০টার দিকে আমার স্ত্রী ছেলে উৎসবকে নিয়ে রাহাত আলী শাহ্‌র মাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর ফিরে আসেনি। গত তিনদিন ধরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান পাইনি। পরে নবীনগর থানায় একটি জিডি করেছি।”

এদিকে, মা-ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিভিন্ন মহলে ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও এর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “মা-ছেলের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। দ্রুত তাদের সন্ধান মিলুক এটাই সবার প্রত্যাশা।”

এ বিষয়ে নবীনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, “নিখোঁজ মুক্তা রাণীর স্বামী থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। এটি অপহরণ, স্বেচ্ছায় চলে যাওয়া নাকি অন্য কোনো ঘটনা তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছি।”