ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
একটু পরেই ফিরছি’ বলে স্ত্রীকে গ্যারেজে রেখে যান মাসুদ, অতঃপর… নারী বন্ধুর বাসায় ঢুকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও ২ নবীনগরে কবরস্থানের উন্নয়নে প্রবাসীদের ২ লাখ টাকা সহায়তা নবীনগরে নদী ভরাটের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে মৎস্য প্রজেক্ট থেকে ২০ মণ মাছ চুরির অভিযোগ মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য হাইকমিশনের নির্দেশনা গঙ্গাচড়ায় কীটনাশকে ধানক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, জমি নিয়ে উত্তেজনা নবীনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত নাতি-নাতনিকে নিয়ে পুকুরে গোসল, প্রাণ গেল দাদাসহ তিনজনের পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে দিনভর নির্যাতন, প্রাণ গেল সুমির

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে দিনভর নির্যাতন, প্রাণ গেল সুমির

নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
নিউজ ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14 বার পড়া হয়েছে

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের একপর্যায়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত স্বামী রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমি আক্তার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের কাজলাকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাসেল হাওলাদারের স্ত্রী।

নিহতের ভাই মেহেদী হাসান জানান, চাকরির সুবাদে সুমি ও তার স্বামী রাসেল ঢাকায় বসবাস করতেন। পরকীয়ার সন্দেহে শুক্রবার দিনভর সুমিকে নির্যাতন করে রাসেল। একপর্যায়ে গুরুত্বর আহতাবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমির মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ওই বাসার লোকজন খিলগাঁও থানায় সুমি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ঘাতক রাসেল হাওলাদার।

পরে সুমিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি ব্যাপক ভাইরাল হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সূত্রমতে, বোনকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই মেহেদী হাসান বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। পরে নিহত সুমি আক্তারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠি গ্রামে আনার পর শনিবার সকালে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

অপরদিকে রাসেল হাওলাদারের অমানুষিক নির্যাতনের সময় কে বা কারা সেই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। কেন তিনি (ভিডিও ধারণকারী) তাৎক্ষণিক নির্যাতনের হাত থেকে সুমি আক্তারকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেননি তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘাতক রাসেল হাওলাদারের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।

ট্যাগস :
প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে দিনভর নির্যাতন, প্রাণ গেল সুমির

প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতনের একপর্যায়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযুক্ত স্বামী রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমি আক্তার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের কাজলাকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাসেল হাওলাদারের স্ত্রী।

নিহতের ভাই মেহেদী হাসান জানান, চাকরির সুবাদে সুমি ও তার স্বামী রাসেল ঢাকায় বসবাস করতেন। পরকীয়ার সন্দেহে শুক্রবার দিনভর সুমিকে নির্যাতন করে রাসেল। একপর্যায়ে গুরুত্বর আহতাবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমির মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ওই বাসার লোকজন খিলগাঁও থানায় সুমি আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ঘাতক রাসেল হাওলাদার।

পরে সুমিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি ব্যাপক ভাইরাল হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রাসেল হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সূত্রমতে, বোনকে অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই মেহেদী হাসান বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। পরে নিহত সুমি আক্তারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠি গ্রামে আনার পর শনিবার সকালে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

অপরদিকে রাসেল হাওলাদারের অমানুষিক নির্যাতনের সময় কে বা কারা সেই নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। কেন তিনি (ভিডিও ধারণকারী) তাৎক্ষণিক নির্যাতনের হাত থেকে সুমি আক্তারকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেননি তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘাতক রাসেল হাওলাদারের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।