মালদ্বীপে অবৈধ মুদ্রা ব্যবসা, আটক বাংলাদেশিসহ ৬ প্রবাসী
- প্রকাশের সময় : ০১:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 8 বার পড়া হয়েছে
মালদ্বীপে অনুমোদনহীনভাবে বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে ছয় প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি এবং দুইজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।
সোমবার মালদ্বীপ পুলিশ জানায়, অনুমোদনহীন বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে মালদ্বীপ পুলিশ সার্ভিস ও মালদ্বীপ ইমিগ্রেশন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। বর্তমানে তারা মালদ্বীপ ইমিগ্রেশনের হেফাজতে রয়েছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণ করে গত তিন বছরে ৫৪ মিলিয়ন মালদ্বীপিয়ান রুফিয়ার (MVR) বেশি এবং ১.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের (USD) বেশি লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্তরা যে ধরনের কাজের অনুমতি নিয়ে মালদ্বীপে অবস্থান করছিলেন, তার বাইরে গিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অনুমোদন ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।
অবৈধ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতিক সময়ে মালদ্বীপ সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার সমান্তরাল বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সন্দেহজনক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে কিছু মালদ্বীপের নাগরিকের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব এবং সোল প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করা হয়েছে। এসব হিসাবের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ, স্থানান্তর ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন পরিচালনার তথ্য পেয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে মালদ্বীপের নাগরিকদের সতর্ক করেছে পুলিশ। অন্য কোনো ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ব্যাংক হিসাব ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়ার জন্য হিসাবধারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে অবৈধ লেনদেনের জন্য নিজের ব্যাংক হিসাব ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবধারীও আইনগত ও ফৌজদারি জটিলতায় পড়তে পারেন।
আটক ছয় প্রবাসীর বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে মালদ্বীপে অনুমোদনহীন বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও ব্যাংক হিসাব নিয়েও তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

















