ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের পরদিন হাতে মেহেদী পড়া যুবকের ম,রদেহ ভাসছিলো মেঘনায়

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
৯৫

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট || বিয়ের পরদিন হাতে মেহেদী পড়া যুবকের ম,রদে হ ভাসছিলো মেঘনায়।

নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদী থেকে ইফসুফ নবী (২৩) নামে এক যুবকের ম,রদে হ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ ফেরিঘাট এলাকা থেকে ম,রদে হটি উদ্ধার করা হয়।

ভাসমান ওই লাশের প্রায় ১০ ফুট দূরত্বে মেঘনার পাড় থেকে উদ্ধার করা হয় এক জোড়া জুতা ও বিষের একটি খালি বোতল। আজ বুধবার দুপুরে প্রতিদিনের পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) গোবিন্দ সরকার।

নিহত ইউসুফ রায়পুরা উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের সমীবাদ গ্রামের মো. নুরু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সায়বাদ নৌকাঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে এক যুবকের ম্‌্‌রদে হ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে সন্ধ্যায় ম্‌্‌রদে হ উদ্ধার করে নৌ ও থানা পুলিশ। উদ্ধার হওয়া যুবকের পরনে জিন্স প্যান্ট ও কালো রঙের শার্ট এবং দুই হাত মেহেদি রাঙানো ছিল। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন ও নগদ টাকা পাওয়া গেছে। তবে সায়দাবাদ মেঘনার পাড়ে উপস্থিত আশপাশের গ্রামের লোকজন কেউ ম্‌্‌রদে হটির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। পরে রাতে নিহতের স্বজনরার এসে মরদেহটি ইউসুফের বলে শনাক্ত করে।

পরিবারের লোকজনরা জানায়, গত সোমবার নরসিংদী সদর উপজেলার মুরাদনগর এলাকার বাসিন্দা ললিত উদ্দিনের মেয়েকে বিয়ে করেন ইউসুফ। সন্ধ্যার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলো ইফসুফ। পরিবারের লোকজনরা তার কোন খোঁজ পাচ্ছিলো না। এর একদিন পরেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেঘনা থেকে তার ভাসমান ম্‌্‌রদে হ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পিতা নুরু মিয়া বলেন, আমার ছেলে সাতাঁর জানে না। এজন্য সে নদীতেই নামে না। আমার ছেলেকে কেউ হ্‌্‌ত্যা করে নদীতে ফেলে এভাবে নাটক সাজানোর চেষ্ঠা করছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ছেলের মৃ্‌্‌ত্যু র প্রকৃত কারণ খোঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) গোবিন্দ সরকার বলেন, ময়্‌্‌নাত দন্তের জন্য ম্‌্‌র দেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের ম্‌্‌র্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে এটি হ্‌্‌ত্যা না কি আ্‌্‌ত্ব হ্‌্‌ত্যা। আর এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সারা/প্রতিদিনের পোস্ট

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

বিয়ের পরদিন হাতে মেহেদী পড়া যুবকের ম,রদেহ ভাসছিলো মেঘনায়

প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অক্টোবর ২০২২
৯৫

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি, প্রতিদিনের পোস্ট || বিয়ের পরদিন হাতে মেহেদী পড়া যুবকের ম,রদে হ ভাসছিলো মেঘনায়।

নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদী থেকে ইফসুফ নবী (২৩) নামে এক যুবকের ম,রদে হ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ ফেরিঘাট এলাকা থেকে ম,রদে হটি উদ্ধার করা হয়।

ভাসমান ওই লাশের প্রায় ১০ ফুট দূরত্বে মেঘনার পাড় থেকে উদ্ধার করা হয় এক জোড়া জুতা ও বিষের একটি খালি বোতল। আজ বুধবার দুপুরে প্রতিদিনের পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) গোবিন্দ সরকার।

নিহত ইউসুফ রায়পুরা উপজেলার চরমধুয়া ইউনিয়নের সমীবাদ গ্রামের মো. নুরু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সায়বাদ নৌকাঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে এক যুবকের ম্‌্‌রদে হ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে সন্ধ্যায় ম্‌্‌রদে হ উদ্ধার করে নৌ ও থানা পুলিশ। উদ্ধার হওয়া যুবকের পরনে জিন্স প্যান্ট ও কালো রঙের শার্ট এবং দুই হাত মেহেদি রাঙানো ছিল। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন ও নগদ টাকা পাওয়া গেছে। তবে সায়দাবাদ মেঘনার পাড়ে উপস্থিত আশপাশের গ্রামের লোকজন কেউ ম্‌্‌রদে হটির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। পরে রাতে নিহতের স্বজনরার এসে মরদেহটি ইউসুফের বলে শনাক্ত করে।

পরিবারের লোকজনরা জানায়, গত সোমবার নরসিংদী সদর উপজেলার মুরাদনগর এলাকার বাসিন্দা ললিত উদ্দিনের মেয়েকে বিয়ে করেন ইউসুফ। সন্ধ্যার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলো ইফসুফ। পরিবারের লোকজনরা তার কোন খোঁজ পাচ্ছিলো না। এর একদিন পরেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মেঘনা থেকে তার ভাসমান ম্‌্‌রদে হ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পিতা নুরু মিয়া বলেন, আমার ছেলে সাতাঁর জানে না। এজন্য সে নদীতেই নামে না। আমার ছেলেকে কেউ হ্‌্‌ত্যা করে নদীতে ফেলে এভাবে নাটক সাজানোর চেষ্ঠা করছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ছেলের মৃ্‌্‌ত্যু র প্রকৃত কারণ খোঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) গোবিন্দ সরকার বলেন, ময়্‌্‌নাত দন্তের জন্য ম্‌্‌র দেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের ম্‌্‌র্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে এটি হ্‌্‌ত্যা না কি আ্‌্‌ত্ব হ্‌্‌ত্যা। আর এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সারা/প্রতিদিনের পোস্ট