ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে ডা. জুবায়ের সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণে অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন বখাটের ব্ল্যাকমেইলের শিকার নবম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ “ফ্রি ফায়ার” গেম নিয়ে মৌলভীবাজারে সংঘর্ষ বজ্রঘাতে পাঁচ চা-শ্রমিক নারী আহত কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত স্ক্রিনিং সাফল্যে প্রথম শ্রীমঙ্গল উপজেলার ডা. সিনথিয়া তাসমিন কালীগঞ্জে ভুমিসেবা মেলায় কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান কালীগঞ্জে সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্ণীতি অভিযোগ বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রি, কালীগঞ্জে দুই হোটেলকে জরিমানা

মেলবোর্নে কোহলির চোখে জল, ভারতে আত্মহারা অনুশকা

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২
  • / ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে
৮৯

স্পোর্টস ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || মেলবোর্নে কোহলির চোখে জল, ভারতে আত্মহারা অনুশকা।

আবহাওয়ার প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে রোববার মেলবোর্নে ঝড় তুললেন বিরাট কোহলি। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাক বধ করে সব লাইমলাইট কেড়ে নিলেন কিং কোহলি।

শচিন টেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, নীরজ চোপড়া থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ বিরাটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইশগজের তারকা থেকে শুধু করে আপামর ক্রিকেটপ্রেমীরা। ম্যাচ শেষে চিকচিক করছিল বিরাটের চোখের কোণ, মাঠে এসে জড়িয়ে ধরলেন সতীর্থরা, আবেগে ভাসলেন গ্যালারি ও টেলিভিশনের সামনে বসে থাকা বিরাটের লাখ লাখ ফ্যান।

মেলবোর্নের মাঠে যখন কোহলির চোখ ঝাপসা তখন কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরত্বে বন্ধ করে আনন্দে উচ্ছ্বাসে মাতছেন মা-মেয়ে অনুশকা শর্মা ও ভামিকা। মেয়ের অবশ্য বোঝার ক্ষমতা নেই কিন্তু মা নিজেকে আটকে রাখতে পারলেন না। আনন্দে আবেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাটের উদ্দেশ্যে যে বার্তা লিখলেন অনুশকা তা পড়ে কোহলিও জানালেন তার মনের কথা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আনুশকা লেখেন, সুন্দর! ভয়ানক সুন্দর! আজ রাতে তুমি অনেকের জীবন আনন্দে ভরে দিলে, বিশেষ করে দিওয়ালির রাতে। তুমি ভীষণ ভালো একজন মানুষ। তোমার দৃঢ়তা, বিশ্বাস, একাগ্রতা অবিশ্বাস্য। আমি আমার জীবনের সেরা ম্যাচ দেখলাম। আমাদের মেয়ে ভাবছে যে মা কেন ঘুরে ঘুরে নাচছে আর পাগলের মতো চিৎকার করছে ঘরে। একদিন ও বুঝতে পারবে যে ঐ রাতে ওর বাবা জীবনের সেরা ইনিংসটা খেলেছিল।

একটা সময় পর তার কাছে এটা কতটা শক্ত ছিল, কিন্তু কীভাবে তার বাবা আগের থেকে আরও শক্তিশালী আরও জ্ঞানী হয়ে উঠেছিল। তোমার জন্য গর্বিত। তোমার শক্তি সংক্রামিত। প্রিয়, তুমি সীমাহীন। ভালো খারাপ যাই হোক তোমাকে আজীবন ভালোবাসব।

স্ত্রীর আবেগঘন পোস্টের নিচে কোহলি লিখেন, প্রতি মুহূর্তে আমার পাশে থাকার জন্য ভালোবাসা তোমায় ধন্যবাদ। আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ, ভালোবাসি তোমায়।

তাদের ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে নেটপাড়া। অনেকসময় এই নেটপাড়াতেই বিরাটের ব্যর্থতার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে অনুশকাকে। সেই প্রতি অভিযোগেই অনুশকার পাশে থেকেছেন বিরাট। আর আজ ব্যাটেই ট্রোলারদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন কিং কোহলি। সত্যিই বাইশগজে আজ রাজার মতোই যুদ্ধ জয় করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ম্যাচের পর বিরাট এদিন বলেন, মেলবোর্নে মায়াবী পরিবেশ। আমি শব্দ হারিয়ে ফেলেছি। আমার কোনও ধারণাই নেই যে, কীভাবে কী হয়ে গেল। হার্দিক বিশ্বাস করেছিল যে, আমরা করতে পারি, যদি আমরা শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থাকতে পারি। শাহিন যখন প্যাভিলিয়ন এন্ড থেকে বল করা শুরু করেছিল, তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম, যে ওর বিরুদ্ধে আমরা খেলব। হারিস ওদের প্রধান বোলার। ওই দু’টি ছয় মারতেই হয়েছিল। আমাদের হিসেব অত্যন্ত সহজ ছিল।

কোহলি আরও বলেন, নাওয়াজের আর এক ওভার বাকি ছিল। হারিসকে মারতে শুরু করলে ওদের মনে আতঙ্ক ধরবে। ৮ বলে ২৮ থেকে ৬ বলে ১৬। আমার প্রবৃত্তিতে আমি অনড় ছিলাম। প্রথম বলটি স্লোয়ার বল ছিল, লং-অনের ওপর দিয়ে খেলি। মাঠে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে স্বার্থক। আজকের আগে পর্যন্ত আমার কাছে মোহালিই সেরা ইনিংস ছিল। যেটা আমি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলেছিলাম। কিন্তু মেলবোর্নের ইনিংস তার ওপরেই রাখব। হার্দিক আমাকে অনবরত পুশ করেছে। দর্শক অবিশ্বাস্য। কত তরুণ ফ্যান আমাদের সমর্থন করেছে। আমি এই সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।

প্রফেশনাল নিউজ পোর্টাল দিচ্ছে থিম বিক্রয় ডটকম

এই নিউজটি শেয়ার করুন

মেলবোর্নে কোহলির চোখে জল, ভারতে আত্মহারা অনুশকা

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২২
৮৯

স্পোর্টস ডেস্ক, প্রতিদিনের পোস্ট || মেলবোর্নে কোহলির চোখে জল, ভারতে আত্মহারা অনুশকা।

আবহাওয়ার প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে রোববার মেলবোর্নে ঝড় তুললেন বিরাট কোহলি। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাক বধ করে সব লাইমলাইট কেড়ে নিলেন কিং কোহলি।

শচিন টেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, নীরজ চোপড়া থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ বিরাটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাইশগজের তারকা থেকে শুধু করে আপামর ক্রিকেটপ্রেমীরা। ম্যাচ শেষে চিকচিক করছিল বিরাটের চোখের কোণ, মাঠে এসে জড়িয়ে ধরলেন সতীর্থরা, আবেগে ভাসলেন গ্যালারি ও টেলিভিশনের সামনে বসে থাকা বিরাটের লাখ লাখ ফ্যান।

মেলবোর্নের মাঠে যখন কোহলির চোখ ঝাপসা তখন কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরত্বে বন্ধ করে আনন্দে উচ্ছ্বাসে মাতছেন মা-মেয়ে অনুশকা শর্মা ও ভামিকা। মেয়ের অবশ্য বোঝার ক্ষমতা নেই কিন্তু মা নিজেকে আটকে রাখতে পারলেন না। আনন্দে আবেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাটের উদ্দেশ্যে যে বার্তা লিখলেন অনুশকা তা পড়ে কোহলিও জানালেন তার মনের কথা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আনুশকা লেখেন, সুন্দর! ভয়ানক সুন্দর! আজ রাতে তুমি অনেকের জীবন আনন্দে ভরে দিলে, বিশেষ করে দিওয়ালির রাতে। তুমি ভীষণ ভালো একজন মানুষ। তোমার দৃঢ়তা, বিশ্বাস, একাগ্রতা অবিশ্বাস্য। আমি আমার জীবনের সেরা ম্যাচ দেখলাম। আমাদের মেয়ে ভাবছে যে মা কেন ঘুরে ঘুরে নাচছে আর পাগলের মতো চিৎকার করছে ঘরে। একদিন ও বুঝতে পারবে যে ঐ রাতে ওর বাবা জীবনের সেরা ইনিংসটা খেলেছিল।

একটা সময় পর তার কাছে এটা কতটা শক্ত ছিল, কিন্তু কীভাবে তার বাবা আগের থেকে আরও শক্তিশালী আরও জ্ঞানী হয়ে উঠেছিল। তোমার জন্য গর্বিত। তোমার শক্তি সংক্রামিত। প্রিয়, তুমি সীমাহীন। ভালো খারাপ যাই হোক তোমাকে আজীবন ভালোবাসব।

স্ত্রীর আবেগঘন পোস্টের নিচে কোহলি লিখেন, প্রতি মুহূর্তে আমার পাশে থাকার জন্য ভালোবাসা তোমায় ধন্যবাদ। আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ, ভালোবাসি তোমায়।

তাদের ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে নেটপাড়া। অনেকসময় এই নেটপাড়াতেই বিরাটের ব্যর্থতার জন্য কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে অনুশকাকে। সেই প্রতি অভিযোগেই অনুশকার পাশে থেকেছেন বিরাট। আর আজ ব্যাটেই ট্রোলারদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন কিং কোহলি। সত্যিই বাইশগজে আজ রাজার মতোই যুদ্ধ জয় করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ম্যাচের পর বিরাট এদিন বলেন, মেলবোর্নে মায়াবী পরিবেশ। আমি শব্দ হারিয়ে ফেলেছি। আমার কোনও ধারণাই নেই যে, কীভাবে কী হয়ে গেল। হার্দিক বিশ্বাস করেছিল যে, আমরা করতে পারি, যদি আমরা শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থাকতে পারি। শাহিন যখন প্যাভিলিয়ন এন্ড থেকে বল করা শুরু করেছিল, তখনই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম, যে ওর বিরুদ্ধে আমরা খেলব। হারিস ওদের প্রধান বোলার। ওই দু’টি ছয় মারতেই হয়েছিল। আমাদের হিসেব অত্যন্ত সহজ ছিল।

কোহলি আরও বলেন, নাওয়াজের আর এক ওভার বাকি ছিল। হারিসকে মারতে শুরু করলে ওদের মনে আতঙ্ক ধরবে। ৮ বলে ২৮ থেকে ৬ বলে ১৬। আমার প্রবৃত্তিতে আমি অনড় ছিলাম। প্রথম বলটি স্লোয়ার বল ছিল, লং-অনের ওপর দিয়ে খেলি। মাঠে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে স্বার্থক। আজকের আগে পর্যন্ত আমার কাছে মোহালিই সেরা ইনিংস ছিল। যেটা আমি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলেছিলাম। কিন্তু মেলবোর্নের ইনিংস তার ওপরেই রাখব। হার্দিক আমাকে অনবরত পুশ করেছে। দর্শক অবিশ্বাস্য। কত তরুণ ফ্যান আমাদের সমর্থন করেছে। আমি এই সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।